রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের অভিযানে গর্ভফুল ক্রয়-বিক্রয় চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ৮:৫৪ পিএম
ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের অভিযানে গর্ভফুল ক্রয়-বিক্রয় চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

জেলা গোয়েন্দা শাখা ময়মনসিংহ গত ০৭ মার্চ ২০২৫ অভিযানে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সংগ্রহীত মানব দেহের অঙ্গ পতঙ্গ (গর্ভফুল) ক্রয়-বিক্রয় চক্রের ০৫ সদস্য গ্রেফতার এবং বিভিন্ন আলামতসহ পিক আপ গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা সংস্থা।

গত ০৭/০৩/২০২৫ তারিখ জেলা গোয়েন্দা শাখা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, কতিপয় ব্যক্তি/ব্যক্তিরা পিক-আপ গাড়ীযোগে মানবদেহের অঙ্গ-পতঙ্গের অংশ বিশেষ (মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ বিশেষ) হিমায়িত প্যাকেটজাত করে প্লাষ্টিকের ড্রামে ভর্তি করে ধামরাই, ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম সময় কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বলাশপুর হাক্কানীর মোড় ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর পিক-আপ গাড়ীটি আটক করেন। পরবর্তীতে গাড়ীটি তল্লাশী করে ১। পলিথিনে মোড়ানো ৩৫০ টি মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ বিশেষ, ২। ০৩ টি ক্যাটগার্ডসহ সুই, ৩। ০১(এক) টি খোলা ইনজেকশনের এ্যাম্পল ও ৪। ০১ টি ব্যবহৃত গ্লাভস উদ্ধার ও ড্রাইভার মোঃ রুহুল আমিন (৩৫)-কে গ্রেফতার করেন।

বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শক্রমে বিধি মোতাবেক প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ মাহাবুবুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা এবং ডাঃ তানভিন সুলতানা, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা, ময়মনসিংহদ্বয়ের মতামতের ভিত্তিতে উদ্ধারকৃত মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য আলামতগুলো ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয় এবং ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতঃ ধামরাই, ঢাকা সহ বিভিন্ন এলকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামী নজরুল ইসলাম (৫৪), মোঃ মুমিনুর রহমান (৩২), দেওয়ান মোঃ অমিত (৩১) ও মোঃ খুরশিদ আলম (২৫)-দের গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী নজরুল ইসলাম (৫৪) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকের কর্মচারীদের মাধ্যমে অবৈধভাবে মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ সংগ্রহ করে হিমায়িত করার পর ড্রাইভার মোঃ রুহুল আমিন (৩৫)-এর মাধ্যমে ঢাকার ধামরাই এলাকার মোঃ মুমিনুর রহমান (৩২)-এর নিকট সরবরাহ করে থাকে।

সরবরাহকৃত মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ আসামী মোঃ মুমিনুর রহমান (৩২) ও আসামী দেওয়ান মোঃ অমিত (৩১) চক্রের অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে কোনপ্রকার বৈধভিত্তি বা অনুমতি ব্যতীত প্রক্রিয়াজাত ও ক্রয়-বিক্রয় কওে আসছেন যা আইন অনুযায়ী অপরাধ।

ধৃত আসামীর পূর্ণ নাম ও ঠিকানাঃ

১। নজরুল ইসলাম (৫৪), পিতা-মনির উদ্দিন মুন্সি, সাং-ধলিরকান্দা, থানা-তারাকান্দা, জেলা-ময়মনসিংহ।

২। মোঃ রুহুল আমিন (৩৫), পিতা-আব্দুল হামেদ তালুকদার, সাং-বাদুড় তলা, থানা-গৌরনদী, জেলা-বরিশাল, এ/পি বাড়ী নং-৫৪ হাজী সাহেবের বাড়ী বেড়ীবাঁধ, হাজারীবাগ, ডিএমপি, ঢাকা ।

৩। মোঃ মুমিনুর রহমান (৩২), পিতা-মৃত মাহবুবুর, সাং-৬২/৩/১ বাগনগর মডেল টাউন, থানা-ধামরাই, জেলা-ঢাকা।

৪। দেওয়ান মোঃ অমিত (৩১), পিতা-দেওয়ান মোঃ আসফাক, সাং-কালিয়াগার, থানা-ধামরাই, জেলা-ঢাকা ।

৫। মোঃ খুরশিদ আলম (২৫), পিতা-মৃত মোখলেছুর রহমান, সাং-পাহাড় পাইবজান, থানা-মুক্তাগাছা, জেলা-ময়মনসিংহ।

উদ্ধারঃ

১। পলিথিনে মোড়ানো ৩৫০ টি মহিলাদের গর্ভফুল সাদৃশ্য অংশ বিশেষ।

২। ০৩ টি ক্যাটগার্ডসহ সুই ।

৩। ০১ টি খোলা ইনজেকশনের এ্যাম্পল ।

৪। ০১ টি ব্যবহৃত গ্লাভস।

৫। ০১ টি নীল রংয়ের পিক-আপ।

‎ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৪ পিএম
‎ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৫

‎ময়মনসিংহে ডিজিএফআই, ওয়ারেন্ট অফিসার, ডিবি পুলিশের এসআই, পুলিশ কর্মকর্তা ও যৌথবাহিনীর সদস্য পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

‎শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলাকালে তাদের আটক করা হয়। কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

‎পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিরা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একপর্যায়ে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলেও প্রাথমিকভাবে অভিযোগ ওঠে।

‎বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়। পরে পাঁচজনকে আটক করা হয়। তাদের ব্যবহৃত পরিচয়, কথিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ের সত্যতা এবং ঘটনাটির প্রকৃত উদ্দেশ্য যাচাই করছে পুলিশ।

‎পুলিশ সূত্র জানায়, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের ডিজিএফআই, ওয়ারেন্ট অফিসার, ডিবি পুলিশের এসআই, পুলিশ কর্মকর্তা ও যৌথবাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়ার বিষয়টি তদন্তে এসেছে। তবে তারা সত্যিই কোনো বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, নাকি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছিলেন তা যাচাই করা হচ্ছে।

‎এ ছাড়া ওই ব্যক্তিকে কেন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, এর পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না এবং আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কার কী ভূমিকা ছিল, সেসব বিষয়েও তদন্ত চলছে।

‎পুলিশ আরও জানায়, আটকদের প্রকৃত পরিচয়, পারস্পরিক সম্পর্ক, ব্যবহৃত পরিচয়ের সত্যতা এবং কথিত অপহরণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে ভুয়া পরিচয় ব্যবহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো সরঞ্জাম বা আলামত উদ্ধার হয়েছে কি না, তাও যাচাই করা হচ্ছে।

‎কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঘটনাটি শনাক্ত করে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

‎পুলিশ সূত্র আরও জানায়, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

‎আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি দেখানো, জোরপূর্বক তুলে নেওয়া বা অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করা হলে তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অষ্টগ্রামে ‘হাওরাঞ্চল গ্রন্থাগার সংযোগ-২০২৬’ নিয়ে মতবিনিময়

মোক্তার হোসেন গোলাপ, হাওর অঞ্চল।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
অষ্টগ্রামে ‘হাওরাঞ্চল গ্রন্থাগার সংযোগ-২০২৬’ নিয়ে মতবিনিময়

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়ন ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘হাওরাঞ্চল গ্রন্থাগার সংযোগ-২০২৬’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় হাওরাঞ্চলে ভাসমান নৌ-পাঠাগার স্থাপন, স্থানীয় পর্যায়ে পাঠক তৈরি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বই ও তথ্য-জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অষ্টগ্রাম জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সহযোগিতা এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সভাপতি মো. রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার বর্মনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপপরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিন সরকার। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোবারক হোসেন।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপগ্রন্থাগারিক রাসেল রানা, অষ্টগ্রামের স্বপ্নীল গণগ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগর, মিঠামইনের হাওর পাবলিক লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা ওমর ফারুকসহ অন্যরা।

সভায় বক্তারা বলেন, হাওরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রন্থাগারগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দুর্গম হাওর এলাকার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছে বই ও তথ্য-জ্ঞান পৌঁছে দিতে ভাসমান নৌ-পাঠাগার চালুর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পাঠক তৈরির উদ্যোগ, বই পড়ার সংস্কৃতি বিস্তৃত করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়েও সভায় আলোচনা করা হয়।

মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে আঘাত ও পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের মুখে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরদিন বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিষয়টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শারীরিকভাবে আঘাত করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় তারা।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ নিয়ে আলোচনা হলেও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কোনো সমাধান হয়নি। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলো হলো—শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক আঘাত বন্ধ করা, বিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।

তবে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিদ্যালয়ের পাশের ব্রিজে গিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। তখন তিনি তাদের ‘শুধু শাসন করেছেন’।

বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার বিষয়ে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।