রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আওয়ামীলীগ নেতা মিন্টু ও বুলবুলসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-১৩; মাদকদ্রব্য উদ্ধার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫, ৮:০৫ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আওয়ামীলীগ নেতা মিন্টু ও বুলবুলসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার-১৩; মাদকদ্রব্য উদ্ধার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে ইং-০৭/০৩/২০২৫ তারিখ গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ১৩ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ পরিদর্শক কমর উদ্দিন, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ আমিনুল হক সোহেল (৫৩), (আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-এএসএম রুহুল আমিন, মাতা-মৃত উম্মে কুলসুম, সাং-১৮/জি ব্রাহ্মপল্লী, ২। আফতাব উদ্দিন বুলবুল (৪০), (১৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ৩নং সহ সভাপতি), পিতা-মৃত আমির উদ্দিন, মাতা- আম্বিয়া খাতুন, সাং-৪২ নাটকঘর বাইলেন, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয় থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই (নিঃ) মোজাম্মেল হোসেন, অত্র থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ রহমত উল্লাহ মিন্টু(৪০), (আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-মোঃ এমদাদুল হক মন্ডল, মাতা-মোছাঃ ফাতেমা খাতুন, সাং-চরকালিবাড়ী ৩২নং ওয়ার্ড (পাওয়ার ষ্টেশনের পাশে), থানা-কোতোয়ালী মডেল, জেলা-ময়মনসিংহকে থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করে।

এসআই(নিঃ) বিশ্বজিত সূত্রধর, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। ফরিদ আহম্মেদ লিটন (৪০), পিতামৃত-আঃ জব্বার, মাতা-মোছাঃ নুরজাহান, সাং-খাগডহর ঘুন্টি ঈদ গাহ মাঠ সংলগ্ন, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন এবং তাহার নিকট হইতে ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।

এসআই (নিঃ) ফিরোজ আলী, অত্র থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। শারমিন আক্তার (৪৫), স্বামী-আরিফ রব্বানী, মাতা-খুদেজা বেগম খুদে, সাং-খাগডহর বাঘেরকান্দা, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করে এবং তাহার নিকট হইতে ২৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেন।

এসআই (নিঃ) সজীব কোচ, অত্র থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলার আসামী ১। মোঃ আজিজুল হক (৪০), পিতা-মৃত হেলাল উদ্দিন, মাতা-দেলোয়ারা বেগম, সাং-দেওয়ানবাড়ী কাজিশিমলা, থানা-ত্রিশাল, জেলা-ময়মনসিংহকে থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করে।

এসআই (নিঃ) মোজাম্মেল হোসেন, অত্র থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ সুমন (২৫), পিতা-মোঃ শরাফ উদ্দিন, মাতা-মোছাঃ মাজেদা খাতুন, সাং-ভবানীপুর, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করে এবং আসামীর নিকট হইতে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ২০ পিস টেপেন্ডা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।

এসআই (নিঃ) মাহবুব আলম ফকির, অত্র থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ধর্ষন মামলার আসামী ১। রাহাত হাসান পারভেজ (২৭), পিতা- শপিকুল ইসলাম, মাতা- মোছাঃ পারুল বেগম, সাং- রুপাখালী, ইউপি- কুষ্টিয়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ কে থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এএসআই (নিঃ) সোলায়মান কবির, অত্র থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ মুক্তার হোসেন (৫৫), পিতা-মৃত আরফান আলী, সাং-খাগডহর ঘুন্টি (মাঠপাড়), ২। রতন রায় (২৬), পিতা-মৃত শিবনাথ রায়, সাং-কালিবাড়ী, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

ইহাছাড়াও এসআই (নিঃ) মাসুদ জামালী , এএসআই (নিঃ) ফরহাদ উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করিয়া ০৩ টি পরোয়ানাভূক্ত আসামীদেরকে গ্রেফতার করেন।

পরোয়ানাভূক্ত আসামীদের নাম ও ঠিকানা-

১। মোঃ সুমন, পিতা-মোঃ শরাফ উদ্দিন, স্থায়ী : গ্রাম- চর ভবানীপুর (ভবানীপুর) , উপজেলা/থানা- ময়মনসিংহ সদর, জেলা -ময়মনসিংহ,

২। মোঃ আব্দুল জলিল, পিতা-মৃতঃ আবুল জব্বার, স্থায়ী: (খান্ডুর গন্ডিমোড়(মাাঠ খেলার মোড় , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ

৩। তৃনা সিদ্দিকী (৪০), মৃত আহসান সিদ্দিকী, স্থায়ী: (পোভারটি রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, আকুয়া ভাঙ্গাপুল) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ,

প্রত্যেক আসামীকে চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের সামনে অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার রাতে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের পর সড়কে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর সড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করল সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:১০ পিএম
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করল সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

“মানুষ মানুষের জন্য”- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানবিক সংগঠন সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়, এতিম, হতদরিদ্র ও প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকার সেন্ট্রাল মোহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম-এর দিকনির্দেশনায় ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফারহানা আফরোজ এবং সাংগঠনিক সচিব স. ম. জিয়াউর রহমান অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি শিউলী চক্রবর্তী, সেন্ট্রাল মোহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রম সুনামের সঙ্গে পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, ভবিষ্যতেও তারা গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।

প্রতিটি খাদ্য প্যাকেটে সেমাই, নুডলস, ভোজ্য তেল, পেঁয়াজ, চিনি, মুড়ি ও আলু দেওয়া হয়।

নায়েব থেকে কোটিপতি! ময়মনসিংহে জীবন কুমার বিশ্বাসের সম্পদের উৎস নিয়ে জনমনে প্রশ্ন!

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৫ পিএম
নায়েব থেকে কোটিপতি! ময়মনসিংহে জীবন কুমার বিশ্বাসের সম্পদের উৎস নিয়ে জনমনে প্রশ্ন!

ময়মনসিংহ পৌর ভূমি অফিসে কর্মরত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) জীবন কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়ম-দুর্নীতি করে বিপুল অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ভালুকা উপজেলায় চাকরি করার সময় ঘুষ, অনিয়ম ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও তিনি এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও তার সম্পদের উৎস নিয়ে এখনো কোনো তদন্ত হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে একজন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বেতনে কীভাবে এত বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া সম্ভব।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জীবন কুমার বিশ্বাসের পারিবারিক অবস্থা একসময় খুব একটা স্বচ্ছল ছিল না। কিন্তু ভূমি অফিসে চাকরিতে যোগদানের পরই ধীরে ধীরে বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন তিনি। বর্তমানে ময়মনসিংহ নগরীর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সংলগ্ন কিসমত মৌজায় প্রায় ৬ একর জমি, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার নামে-বেনামে ব্যাংকে মোটা অঙ্কের অর্থ জমা রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান, ময়মনসিংহ নগরীর জিলা স্কুলের পাশে নজরুল সেনা স্কুল সংলগ্ন একটি বাড়ি, নতুন বাজার সাহেব আলী রোড-বাউন্ডারি রোড এলাকায় ভবন, ধোপাখোলা মোড় সংলগ্ন এলাকায় ‘ড্রিম টাওয়ার’ নামে একটি ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া কিসমত মৌজায় প্রায় ৬ একর জমির ওপর স্থাপনা নির্মাণ করে সেগুলো ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, জীবন কুমার বিশ্বাস ১৯৯৬ সালে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। পরে ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চলখ্যাত ভালুকা উপজেলার সদরসহ হবিরবাড়ী ও মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নে প্রায় ১২ বছর দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় ভূমি অফিসকে ঘুষ ও অনিয়মের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নামজারি, খাজনা পরিশোধ, ডিসিআর বা বিভিন্ন ভূমি সংক্রান্ত কাজে সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ত। নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করলেও প্রতিবেদন পেতে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হতো। টাকা না দিলে মাসের পর মাস ফাইল আটকে রাখা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও জানা গেছে, নামজারি মঞ্জুর হওয়ার পর ডিসিআর পেতে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হতো। হোল্ডিং নম্বর বা অন্যান্য ভূমি সংক্রান্ত কাজে গেলেও একই ধরনের অভিযোগের মুখে পড়তে হতো সেবাগ্রহীতাদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা পেলেই অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করতেন তিনি।

ভালুকা উপজেলার কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, হবিরবাড়ী ইউনিয়নে বিভিন্ন শিল্পকারখানার জমি সংক্রান্ত কাগজপত্রে গড়মিল দেখিয়ে কম দামে জমি পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ নিতেন তিনি। এভাবে অনেক জমির মালিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়াও সরকারি পুকুর ও খাসজমি লিজ দেওয়া, জমির খাজনা খারিজসহ বিভিন্ন কাজে বাধ্যতামূলক ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি সরকারি জমি দখল ও পজিশন বিক্রির ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, “একসময় যাদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরাতো, তারা এখন কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক। একজন নায়েবের বেতনে এত সম্পদ অর্জন সম্ভব কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে।”

এ বিষয়ে জীবন কুমার বিশ্বাসের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অনেকেই মনে করছেন, দুদকের তদন্ত হলে সম্পদের প্রকৃত উৎস বেরিয়ে আসতে পারে।