মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২

হালুয়াঘাটে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাদাবীর অভিযোগ || বিচার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ 

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:৫৭ পিএম
হালুয়াঘাটে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাদাবীর অভিযোগ || বিচার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ 

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে শাকুয়াই ইউনিয়নে সোনাই বিলে মাছ চাষীদের কাছে চাঁদা দাবীর অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুস ও তার অনুসারী এমদাদুল হক, আলমগীর হোসেন, আবুল হোসেন, আবুল কালাম ও রুহুল আমীন গংদের বিরুদ্ধে।

গতকাল (১০ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে চেয়ারম্যান ইউনুসকে আওয়ামী দোসর ও চাঁদাবাজ আখ্যায়িত করে সোনাই বিলের পাড়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বিচার দাবী করেন ভূমির মালিক ও মাছ চাষীরা।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ভূমির মালিক ও মাছ চাষীরা অভিযোগ করে বলেন, বিসমিল্লাহ মৎস্য খামারের সত্ত্বাধিকারী কামরুজ্জামান মাছ চাষে প্রায় কোটি টাকা বিনিয়োগ করার পর ১০ লাখ টাকা দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দেওয়ায় বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের হুমকি প্রদান করে এবং সোনাই বিলে মাছ চাষী কামরুজ্জামানকে মারধর করার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলার চেষ্টা করে। পরে ভুমির মালিক ও স্থানীয়দের সহায়তায় প্রানে বেঁচে যায়।

এসময় ভুমি মালিকরা বলে এই ভূমি ভাড়া দিয়ে আমরা সংসার চালাই, সন্তানদের লেখা পড়ার খরচ জোগাড় করি, মাছ চাষ করতে না পারলে আমরা চলব কিভাবে? বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, চেয়ারম্যান ইউনুস আওয়ামী লীগের দোসর, আমরা তার অপসারণসহ বিচার দাবী করছি।

অপরদিকে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালীন সোনাই বিলে চেয়ারম্যান ইউনুসের লোকজনকে নৌকা দিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায়।

মাছ চাষী বিসমিল্লাহ মৎস্য খামারের সত্ত্বাধিকারী কামরুজ্জামান বলেন, সোনাই বিলের ভূমির মালিকদের কাছ থেকে প্রায় ৫০ একর ভূমি ৩শত টাকার স্ট্যাম্পে মাছ চাষের জন্য ভাড়া নিয়েছি। মাছ ছাড়ার পর থেকেই চেয়ারম্যান ইউনুস ও তার লোকজন ১০লাখ টাকা চাঁদা দাবী করছে। দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে অনিহা প্রকাশ করলে আমি তাদের জন্য বিলে যেতে পারছিনা। প্রায় কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি মাছ চাষ করতে না পারলে পথে বসে যাব।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউনুস চেয়ারম্যানের মুঠোফোন যোগাযোগ করলে তিনি চাঁদাদাবীর বিষয় অস্বীকার করে বলেন, আমার কাছে একটি পক্ষ বিচার নিয়ে এসেছে আমি সমাধানের চেষ্টা করছি। আমি বিএনপির রাজনীতি করি, আওয়ামী লীগ করিনা। নৌকার মিছিল মিটিং এর ভিডিও চিত্রের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তখন নৌকার মিছিল মিটিং করেছি ইউনিয়নের লোকজনকে ভালো রাখার জন্য, এলাকার উন্নয়নের জন্য। এখন বিএনপি করেন কি এলাকার লোকজনকে ভালো রাখার জন্য এমন প্রশ্নের জবাবে ইতস্থতা বোধ করে তিনি বলেন, আমি উপজেলা বিএনপি’র সদস্য, আমার বাবাও বিএনপি করতেন।

এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, শাকুয়াই ইউনিয়নে সোনাই বিল নিয়ে কামাল এবং এলাকাবাসীর মাঝে একটা বিরোধ আছে। বিরোধকে কেন্দ্র করে কামাল ফিসারীতে আসলে ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে মর্মে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। বিজ্ঞ আদালতে অনুমতি নিয়ে এসে তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দু’পক্ষকে নিয়ে বসার কথা, বসে আগে দুপক্ষের কথা শুনে সমাধান করব।

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।