বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

গৌরীপুর ভুমিদস্যু রাসেলের সন্ত্রাসী হামলায় আহত মানিক মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:১৯ পিএম
গৌরীপুর ভুমিদস্যু রাসেলের সন্ত্রাসী হামলায় আহত মানিক মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুরের ভুমিদস্যু রাসেল বাহিনীর সন্ত্রাসী হামলায় উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলাম মানিক মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ।

 

জানা যায়, গত (২০-ডিসেম্বর) রাত ১২ ঘটিকায় রাসেল এর নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনী অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে জাহিদুল ইসলাম মানিককে বাড়ি থেকে ডেকে বের করে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশী অস্ত্র দিয়ে তারা হামলা চালায়। মানিকের আত্মচিৎকারে স্বানীয়রা এগিয়ে আসলে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে সন্ত্রাসী রাসেল মিয়া ও হাদিস মিয়া এবং তার বাহিনী পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত মানিককে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে গৌরীপুর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে এই প্রতিনিধি সরেজমিন গেলে, সন্ত্রাসী হামলার শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় মসজিদে প্রচার করেন সাংবাদিক এসেছে সংবাদ সংগ্রহের জন্য। মসজিদের মাইকে ঘোষণা শোনে স্থানীয় অর্ধ-শত এলাকাবাসী হাজির হন।

 

লোমহর্ষক এই ঘটনা সম্পর্কে এলাকাবাসী জানান, স্থানীয় ভূমিদস্যু রাসেল মিয়া ও তার বাহিনী দীর্ঘদিন যাবৎ জাহিদুল ইসলাম জাহিদের পারিবারিক সম্পত্তি জোরপূর্বক আত্মসাত করার বিভিন্ন অপকৌশল চালিয়ে আসছে।

 

গত শুক্রবার ২০-ডিসেম্বর রাতে জাহিদুল ইসলাম মানিককে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মীমাংসার কথা বলে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় স্থানীয় ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী মোঃ রাসেল মিয়া ও মোঃ হাদিস মিয়ার নেতৃত্বে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য শামছুল হক, মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, হযরত আলী, মোঃ শাহজাহান, মোঃ বিল্লাল, মোঃ সুমন ও মোঃ সাদ্দাম সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন।

 

বাড়ি থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই রাসেল ও তার বাহিনী চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলে জাহিদুল ইসলাম মানিককে। তাদের হাতে থাকা ধারালো রামদা, দা, কুড়াল ও চাপাতি দিয়ে জাহিদুল ইসলাম মানিককে হত্যার উদ্দেশ্যে মোঃ রাসেল মিয়া ও হাদিস মিয়া সহ অন্যান্য সদস্যরা কুপিয়ে রক্তাক্ত করে।

 

মানিকের আত্মচিৎকার আমরা বেড়িয়ে আসলে তারা চলে যায়। রক্তাক্ত আহত জাহিদুল ইসলাম মানিককে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী হামলায় আহত জাহিদুল ইসলাম মানিক এখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

 

হাসপাতালে কর্তব্যরত এক চিকিৎসক জানান, রোগীর (মানিকের) মাথা ও সমস্ত শরীরে গভীর আঘাতের ক্ষত রয়েছে। রোগী সুস্থ হলেও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে বেশ সমস্যা হবে।

 

ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী এই ঘটনার ন্যায়-বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, এই অঞ্চলের জলপথ ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী রাসেল মিয়া ও হাদিস মিয়া এবং তার বাহিনী জিম্মি করে রেখেছে। রাসেল মিয়া ও হাদিস মিয়া এবং তাদের বাহিনীর কাছ থেকে বাঁচতে এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

 

অভিযোগের প্রেক্ষিতে গৌরিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এম এ মালিক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।