শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

হত্যাকান্ডের নাটকীয়তায় ফেঁসে গেলেন ময়মনসিংহের ওসমান গনি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২০ পিএম
হত্যাকান্ডের নাটকীয়তায় ফেঁসে গেলেন ময়মনসিংহের ওসমান গনি

ময়মনসিংহের চরাঞ্চলের আনন্দিপুর গ্রামে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে হত্যাকান্ডের নাটক সাজিয়ে ফেঁসে গেছেন গনি মিয়া। আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার কসবা থেকে তাকে উদ্ধার করে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গনি মিয়া তার পড়নের পাঞ্জাবীতে মুরগির রক্ত মাখিয়ে কলাবাগানে পাঞ্জাবী রেখে বাঁচাও বলে চিৎকার দিয়ে বোরকা পড়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হত্যাকান্ডের কোন আলামত না থাকায় ঘটনা নিয়ে ধুম্রুজালের সৃষ্টি হয়।

পরবতীর্তে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার কামরুল হাসানের নির্দেশে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এস.আই রিপন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিচক্ষণতার সাথে ঘটনা তদন্ত করে রহস্য উদঘাটন ও গনি মিয়াকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

উদ্ধারকৃত গনি মিয়া ঘটনার বিবরণে জানান, আমার প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ হত্যাকান্ডের নাটক করেছিলাম। নাটক সাজাতে বাজার থেকে মুরগি ক্রয় করে আমার পাঞ্জাবী খোলে মাটিতে রেখে তার উপর মুরগি ব্লেড দিয়ে জবাই করি। রক্ত মাখা পাঞ্জাবী, মোবাইল পাশে রেখে আমি নিজেই বাঁচাও বলে চিৎকার দিয়ে বোরকা পড়ে রসুলপুর হয়ে শম্ভুগঞ্জ রেলষ্টেশনে গিয়ে বোরকা খোলে ট্রেনে চড়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় রওনা দেই। সেখানে আমার পূর্ব পরিচিত বিল্লাল চেয়ারম্যানের বাড়ীতে দই, মিষ্টি নিয়ে বেড়াতে যাই।

স্থানীয়রা জানান, ওসমান গনি হানিফ ডাকাতের মেয়ের জামাতা। সে বিভিন্ন সময় একাধিকবার আত্মগোপনে গিয়ে এলাকার নিরীহ মানুষদের হয়রানী করেছে। তার ছেলে একজন মাদক ব্যবসায়ী। সম্প্রতি উসমানগনি যে ঘটনা করেছে তা খবুই নেক্কারজনক এবং দুখজনক। এ সময় স্থানীয়রা পুলিশ সুপার ও অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামসহ তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই রিপনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, পুলিশের বিচক্ষণতায় সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকান্ডের নাটকের অবসান ঘটিয়েছে। এ ঘটনার রহস্য উন্মোচন না হলে অনেক নিরীহ ব্যক্তি হয়রানীর শিকার হতো। আমরা গনি মিয়ার দৃষ্টান্ত শাস্তি দাবী করি।

কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, ওসমান গনি একটি ক্রাইমসিন রেডি করে বাজার থেকে একটি বোরকা কিনে কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে আত্মগোপন করে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার কসবা থানা এলাকার চেয়ারম্যানাবাড়ীতে অবস্থান নেয়। পূর্ব পরিকল্পিত অনুযায়ী তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজন থানায় এসে খুন—গুম করেছে বলে অভিযোগ করেন।প্রাথমিকভাবে সিআরপিসি অনুযায়ী সত্যা যাচাইয়ের জন্য সেখানে অফিসার যায়, পরবতীর্তে আমরা বুঝতে পারি বিষয়টি কেন্দ্র করে ফেব্রিকেটেড এটি একটি আর্টিফিশিয়াল ক্রাইমসিন। সেই ট্র্যাকে অগ্রসর হয়ে আমরা কসবা থানা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি।

তিনি আরও জানান, তারা একটি আর্টিফিশিয়াল ঘটনাস্থল সাজিয়ে ফেব্রিকেটেড মামলা তৈরী করার জন্যই ঘটনা সাজিয়েছিল। পরবতীর্তে যেসকল নিরপরাধ ব্যক্তিদের মিথ্যা ঘটনায় ফাঁসাবেন মর্মে ঘটনা সাজিয়েছিল সেসমস্ত লোকজন উত্তেজিত এলাকার মধ্যে নতুন মারামারির ঘটনার সৃষ্টি হয় যার কারণে আদালতের মাধ্যমে তাকে এলাকার লোকজনের কাছে হস্তান্তর করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেই।

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

শিবলী সাদিক খান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪০ পিএম
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি পরিবারের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। একই দিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ময়মনসিংহ জেলা সার্কেলের যৌথ আয়োজনে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আজকের এই আয়োজন মানবিক হলেও এটি আনন্দের নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হলেও তাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলেও বাংলাদেশে এর হার উদ্বেগজনক। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও জনগণের সচেতনতার বিকল্প নেই। রাস্তা পারাপারে সতর্কতা অবলম্বন, ফুটপাত ও মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখা এবং সড়ক আইন মেনে চলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সড়ক আইন সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও সড়ক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। যানবাহন চালকদের ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হবে এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে করতে গাড়ি চালানো কিংবা রাস্তা পার হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধি, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রধান অতিথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী সরকারের ঘোষিত “পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি”-এর অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ জেলা লেডিস ক্লাব প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

মিঠামইনে ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রচারণায় ছাত্রদল নেতা খোকা

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:৩৯ এম
মিঠামইনে ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রচারণায় ছাত্রদল নেতা খোকা

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ৪ নম্বর ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে আগাম নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন মিঠামইন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন খোকা। হাওরবেষ্টিত ঘাগড়া ইউনিয়নের সিহারা গ্রামে জন্ম নেওয়া খোকা ছাত্রজীবন থেকেই এলাকার মানুষের সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় স্থানীয়দের কাছে একজন সৎ, ন্যায়পরায়ণ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত।

নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা না হলেও তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে উঠান বৈঠক ও গণসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন। তাঁর লক্ষ্য নির্বাচনের আগেই জনগণের আস্থা ও সমর্থন অর্জন করা।

মোকাররম হোসেন খোকা বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে পুরো মেয়াদজুড়ে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করব। বিশেষ করে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বর্ষাকালে হাওর অঞ্চলের যোগাযোগ সমস্যা দূরীকরণ, রাস্তা-কালভার্ট সংস্কার ও নতুন সড়ক নির্মাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি হাওরাঞ্চলের কৃষকদের দুর্ভোগ কমাতে আধুনিক কৃষি উপকরণ সরবরাহ, উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

ধোবাজোড়া ও সিহারা গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, খোকা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে কাজ করছেন। এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান তারা।

গত কয়েক দিনে সিহারা, ধোবাজোড়া এবং আশপাশের বিভিন্ন গ্রামে ধারাবাহিক উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করেছেন খোকা। এসব বৈঠকে তিনি স্থানীয়দের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়ার কথা শুনছেন এবং নির্বাচিত হলে সেগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। তাঁর এই তৃণমূলভিত্তিক প্রচারণা ইউনিয়নজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাওরাঞ্চলে জনসম্পৃক্ত ও মাঠমুখী নেতাদের প্রতি ভোটারদের আগ্রহ তুলনামূলক বেশি। সে বিবেচনায় মোকাররম হোসেন খোকার আগাম প্রচারণা তাঁকে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় এগিয়ে রাখতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে তাঁর এই প্রচারণা কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

ময়মনসিংহে ব্যাংক কর্মকর্তার ওপর হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
ময়মনসিংহে ব্যাংক কর্মকর্তার ওপর হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আটক

ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া এলাকায় জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের ওপর হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সাইফুল ওরফে সাইফুল মিয়াকে আটক করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একটি নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে নজরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করে সাইফুল ও তার সহযোগীরা। চাঁদার দাবি পূরণে ব্যর্থ হয়ে তারা নজরুল ইসলামের ওপর হামলা চালায়। হামলায় তিনি আহত হন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত সাইফুল ওরফে সাইফুল মিয়াকে আটক করে।

কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ করছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।