বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ ১৪৩২

হত্যাকান্ডের নাটকীয়তায় ফেঁসে গেলেন ময়মনসিংহের ওসমান গনি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২০ পিএম
হত্যাকান্ডের নাটকীয়তায় ফেঁসে গেলেন ময়মনসিংহের ওসমান গনি

ময়মনসিংহের চরাঞ্চলের আনন্দিপুর গ্রামে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে হত্যাকান্ডের নাটক সাজিয়ে ফেঁসে গেছেন গনি মিয়া। আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার কসবা থেকে তাকে উদ্ধার করে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গনি মিয়া তার পড়নের পাঞ্জাবীতে মুরগির রক্ত মাখিয়ে কলাবাগানে পাঞ্জাবী রেখে বাঁচাও বলে চিৎকার দিয়ে বোরকা পড়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হত্যাকান্ডের কোন আলামত না থাকায় ঘটনা নিয়ে ধুম্রুজালের সৃষ্টি হয়।

পরবতীর্তে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার কামরুল হাসানের নির্দেশে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এস.আই রিপন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিচক্ষণতার সাথে ঘটনা তদন্ত করে রহস্য উদঘাটন ও গনি মিয়াকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

উদ্ধারকৃত গনি মিয়া ঘটনার বিবরণে জানান, আমার প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ হত্যাকান্ডের নাটক করেছিলাম। নাটক সাজাতে বাজার থেকে মুরগি ক্রয় করে আমার পাঞ্জাবী খোলে মাটিতে রেখে তার উপর মুরগি ব্লেড দিয়ে জবাই করি। রক্ত মাখা পাঞ্জাবী, মোবাইল পাশে রেখে আমি নিজেই বাঁচাও বলে চিৎকার দিয়ে বোরকা পড়ে রসুলপুর হয়ে শম্ভুগঞ্জ রেলষ্টেশনে গিয়ে বোরকা খোলে ট্রেনে চড়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় রওনা দেই। সেখানে আমার পূর্ব পরিচিত বিল্লাল চেয়ারম্যানের বাড়ীতে দই, মিষ্টি নিয়ে বেড়াতে যাই।

স্থানীয়রা জানান, ওসমান গনি হানিফ ডাকাতের মেয়ের জামাতা। সে বিভিন্ন সময় একাধিকবার আত্মগোপনে গিয়ে এলাকার নিরীহ মানুষদের হয়রানী করেছে। তার ছেলে একজন মাদক ব্যবসায়ী। সম্প্রতি উসমানগনি যে ঘটনা করেছে তা খবুই নেক্কারজনক এবং দুখজনক। এ সময় স্থানীয়রা পুলিশ সুপার ও অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামসহ তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই রিপনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, পুলিশের বিচক্ষণতায় সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকান্ডের নাটকের অবসান ঘটিয়েছে। এ ঘটনার রহস্য উন্মোচন না হলে অনেক নিরীহ ব্যক্তি হয়রানীর শিকার হতো। আমরা গনি মিয়ার দৃষ্টান্ত শাস্তি দাবী করি।

কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, ওসমান গনি একটি ক্রাইমসিন রেডি করে বাজার থেকে একটি বোরকা কিনে কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে আত্মগোপন করে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার কসবা থানা এলাকার চেয়ারম্যানাবাড়ীতে অবস্থান নেয়। পূর্ব পরিকল্পিত অনুযায়ী তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজন থানায় এসে খুন—গুম করেছে বলে অভিযোগ করেন।প্রাথমিকভাবে সিআরপিসি অনুযায়ী সত্যা যাচাইয়ের জন্য সেখানে অফিসার যায়, পরবতীর্তে আমরা বুঝতে পারি বিষয়টি কেন্দ্র করে ফেব্রিকেটেড এটি একটি আর্টিফিশিয়াল ক্রাইমসিন। সেই ট্র্যাকে অগ্রসর হয়ে আমরা কসবা থানা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি।

তিনি আরও জানান, তারা একটি আর্টিফিশিয়াল ঘটনাস্থল সাজিয়ে ফেব্রিকেটেড মামলা তৈরী করার জন্যই ঘটনা সাজিয়েছিল। পরবতীর্তে যেসকল নিরপরাধ ব্যক্তিদের মিথ্যা ঘটনায় ফাঁসাবেন মর্মে ঘটনা সাজিয়েছিল সেসমস্ত লোকজন উত্তেজিত এলাকার মধ্যে নতুন মারামারির ঘটনার সৃষ্টি হয় যার কারণে আদালতের মাধ্যমে তাকে এলাকার লোকজনের কাছে হস্তান্তর করার জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেই।

ময়মনসিংহে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের মাঝে চাউল বিতরণ

নাজমুল হাসান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
ময়মনসিংহে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের মাঝে চাউল বিতরণ

ময়মনসিংহে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে চাউল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) ময়মনসিংহ নগরীর গাঙ্গিনা পাড় রমেশর এলাকার গণিকালয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং সামাজিক সংগঠন শুকতারা কল্যাণ সংস্থা (এসকেএস) ও শাপলা মহিলা সংস্থা (এসএমএস)-এর সহযোগিতায় এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রেজাউল করিম।

অতিথিরা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা আর্থিক সংকটে পড়া অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমাজের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে আয়োজক ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে কর্মসূচিটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এতে নগরীর গাঙ্গিনা পাড় রমেশর এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের মধ্যে চাউল বিতরণ করা হয়।

সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের মানবিক সহায়তা কর্মসূচি সমাজের দরিদ্র ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ময়মনসিংহের দাপুনিয়া ভূমি অফিসে ঘুষের রাজত্ব: খাস জমি বন্দোবস্তে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ নায়েব শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
ময়মনসিংহের দাপুনিয়া ভূমি অফিসে ঘুষের রাজত্ব: খাস জমি বন্দোবস্তে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ নায়েব শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে খাস জমি বন্দোবস্ত দেওয়া, খাজনা ও নামজারি সংক্রান্ত কাজে ঘুষ গ্রহণসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) শফিকুল ইসলাম। তার এসব কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সেবাগ্রহীতারা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জমির খাজনা পরিশোধ থেকে শুরু করে নামজারি, জমাভাগ, পর্চা (খসড়া) উত্তোলনসহ প্রায় প্রতিটি কাজেই নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। কেউ জমির খাজনা দিতে গেলে যেখানে সরকারি খরচ কয়েকশ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা, সেখানে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গত ঈদুল ফিতরের আগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হলেও প্রশাসনিকভাবে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে দাপুনিয়া ভূমি অফিসে দালালদের মাধ্যমে কাজ না করলে কোনো ফাইলই অগ্রসর হয় না। দালালদের সঙ্গে পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী ফাইলে বিশেষ ‘সাংকেতিক চিহ্ন’ না থাকলে নানা অজুহাতে আবেদন বাতিল বা দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা হয়। ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

সূত্র জানায়, ইউনিয়নের সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বন্দোবস্ত দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে টাকার বিনিময়ে সচ্ছল ও প্রভাবশালীদের নামে বন্দোবস্ত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নায়েব শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা পেতে হলে তার সঙ্গে ‘চুক্তি’ অনুযায়ী অর্থ প্রদান করতে হয়। অন্যথায় ফাইল আটকে রাখা, অযথা দেরি করা কিংবা আবেদন বাতিল করার মতো নানা হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া বাড়তি টাকা আদায়ের পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং দুর্ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সবকিছু জেনেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে শফিকুল ইসলাম গৌরীপুর উপজেলার ময়লাকান্দা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন। সেখানেও ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবায় ঘুষ গ্রহণ এবং টাকার বিনিময়ে খাস জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।

ইউনিয়নের এক সাবেক ইউপি সদস্য অভিযোগ করে বলেন, ময়লাকান্দা ইউনিয়নে কর্মরত থাকাকালীন শফিকুল ইসলামের কাছে সেবা নিতে গেলে তার চাহিদামতো টাকা না দিলে কোনো কাজই হতো না। ময়লাকান্দা বাজারের কিছু সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে প্রায় দুই লাখ টাকা নেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি সেই বন্দোবস্ত পাননি, এমনকি নেওয়া টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি।

এ ঘটনায় নায়েব শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ময়মনসিংহে লরির সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষ: কলেজ প্রভাষকসহ নিহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৬ পিএম
ময়মনসিংহে লরির সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষ: কলেজ প্রভাষকসহ নিহত ২

ময়মনসিংহে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও লরির মুখোমুখি সংঘর্ষে ফুলবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের এক প্রভাষকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় মুহূর্তেই রক্তাক্ত হয়ে ওঠে ব্যস্ত সড়ক।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর প্রায় ২টার দিকে সদর উপজেলার ময়মনসিংহ–ফুলবাড়িয়া সড়কের দাপুনিয়া এলাকার সুহিলা বাগানবাড়ি কাওয়ালটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ভালুকা উপজেলার মরচী গ্রামের বাসিন্দা ও ফুলবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সারোয়ার কাইয়ুম এবং ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুটিয়া গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের মেয়ে শিপা আক্তার (৩২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফুলবাড়িয়া থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশা দাপুনিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই প্রভাষক সারোয়ার কাইয়ুম নিহত হন। এতে অটোরিকশার অন্য যাত্রীরাও গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিপা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম জানান, “আহতদের হাসপাতালে আনার পর শিপা আক্তার নামে এক নারীকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।”

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খালিদ হাসান বলেন, “অটোরিকশা ও লরির সংঘর্ষে নারীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”