রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ ১৪৩২

ভালুকায় ভূমি অফিসের ৪ কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তের জোরালো দাবী উঠেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:১০ পিএম
ভালুকায় ভূমি অফিসের ৪ কর্মকর্তার অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তের জোরালো দাবী উঠেছে

ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ক্ষমতাধর এই চার কর্মকর্তার কাছে রীতিমতো জিম্মি সেবাগ্রহীতারা। সার্ভেয়ার ও ভূমি অফিসের উপ প্রশাসনিক কর্মকর্তা,

সার্টিফিকেট পেশকার, মিউটেশন সহকারীদের নানান অনিয়ম দুর্নীতি ক্ষমতার অপব্যবহারের তদন্তের জোরালো দাবী উঠেছে সেবাগ্রহীতাদের মাঝে।

গত ১২ই মার্চ ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন,সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম, মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির বিষয় নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি উপজেলাব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদটি প্রকাশ করায় প্রতিবেদকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন। তাদের দাবী উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত ক্ষমতাধর এই চার কর্মকর্তার কাছে রীতিমতো জিম্মি সেবাগ্রহীতারা। সার্ভেয়ার ও ভূমি অফিসের উপ প্রশাসনিক কর্মকর্তার নানান অনিয়ম ক্ষমতার অপব্যবহার যেনো সেবা গ্রহীতাদের নিত্যদিনের সঙ্গী।

সংবাদ প্রকাশের পর অফিসের সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন,

সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম, মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য উঠে আসছে।

অভিযোগে জানা গেছে, ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম নামজারি প্রতিবেদন, আদালতের নির্দেশে দখল প্রতিবেদন, পুলিশের প্রতিবেদন দেয়ার ক্ষেত্রে কাগজ পত্রে মালিক যেই হউক না কেন টাকার বিনিময়ে ইচ্ছামত মনগড়া প্রতিবেদন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়াই তার কাজ।

অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা একাধিক ভুক্তভোগী এসব অভিযোগ করেছেন, সার্টিফিকেট মামলা সংক্রান্ত নথি নিষ্পত্তি, কাগজপত্র দ্রুত প্রস্তুত করা ও অনুকূলে আদেশ পাওয়ার আশ্বাস দিয়ে খাইরুল ইসলাম নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ দাবি করে। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে অর্থ না দিলে ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয় কিংবা বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানি করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সেবাপ্রার্থী জানান, “ভূমি অফিসে সার্টিফিকেট সংক্রান্ত কাজে দালাল নির্ভরতা বাড়ছে। সার্টিফিকেট পেশকারকে টাকা না দিলে কাজ এগোয় না এমন অভিযোগ সেবা গ্রহীতাদের”স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের অভিযোগ প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। এটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করছেন সচেতন মহল। ১১৭০ টাকার একটি মিউটেশনের সরকারি চার্জ কিভাবে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা হয়ে যায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতেও প্রশাসনের কাছে জোর দাবী উঠেছে।

কয়েকজন সেবাপ্রার্থী জানান, “ভূমি অফিসে সার্ভেয়ার, মিউটেশন সহকারী,উপ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সার্টিফিকেট পেশকারের কাছে যেতে আর সার্টিফিকেট সংক্রান্ত যে কোন কাজে দালাল নির্ভরতা বাড়ছে। দালাল ছাড়া তাদের লাগাম পাওয়া বিশাল কষ্টকর। দালাল ছাড়া তাদের কাছে গেলেও তাদের অসৌজন্যমূলক আচরণে অনেকে সেবা না পেয়েই ফিরে আসেন এমন অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

ময়মনসিংহ মেডিকেলে সংবাদ সংগ্রহে বাধা: নারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক লাঞ্ছনার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২২ পিএম
ময়মনসিংহ মেডিকেলে সংবাদ সংগ্রহে বাধা: নারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক লাঞ্ছনার অভিযোগ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম রোগের পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হাম রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের জন্য কয়েকজন সাংবাদিক হাসপাতালে যান। এ সময় ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি আবু সালেহ মো. মুসাসহ কয়েকজন সাংবাদিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রবেশ করেন এবং রোগীদের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা করেন।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, এ সময় উপস্থিত এক নারী চিকিৎসক হঠাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। কোনো ধরনের উস্কানি ছাড়াই তিনি সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং চিৎকার করে গার্ড ও আনসার সদস্যদের ডেকে সাংবাদিকদের ওয়ার্ড থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এ ঘটনায় লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি আবু সালেহ মো. মুসা, দেশ টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান কাউসার মিয়া, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান সুমন আহমেদ এবং স্থানীয় অনলাইন টেলিভিশন আঙ্গর টিভির প্রতিনিধি শাওন ও জহিরুল।

সাংবাদিক আবু সালেহ মো. মুসা বলেন, “আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথাযথ অনুমতি নিয়েই হাম রোগের তথ্য সংগ্রহ করতে যাই। অফিসের এসাইনমেন্ট অনুযায়ী হাসপাতালে গিয়েছিলাম। কিন্তু সংবাদ সংগ্রহের সময় কোনো উস্কানি ছাড়াই ওই নারী চিকিৎসক আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং গার্ড ডেকে আমাদের বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। এমন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকতা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে। বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।”

ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

ময়মনসিংহ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অমিত রায় বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং সংশ্লিষ্ট নারী চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।”

ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশ বলেন, “ঘটনাটি নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

সাংবাদিক ইউনিয়ন ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের ঘটনা সাংবাদিকতা পেশার জন্য হুমকিস্বরূপ। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বলেন, “বিষয়টি আমি জেনেছি। সাংবাদিক আবু সালেহ মো. মুসা আমার অনুমতি নিয়েই হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজন হলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজে উত্তেজনা বিরাজ করছে। দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

দাম বাড়ানোর অপেক্ষায় মজুত তেল! ময়মনসিংহে গোপন ট্যাংক থেকে ২৪ হাজার লিটার উদ্ধার

ফুলপুর প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫৫ পিএম
দাম বাড়ানোর অপেক্ষায় মজুত তেল! ময়মনসিংহে গোপন ট্যাংক থেকে ২৪ হাজার লিটার উদ্ধার

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় মাটির নিচে স্থাপন করা গোপন ট্যাংক থেকে ২৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় পাম্প মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলার পয়ারী রোডের আমুয়াকান্দা এলাকায় মেসার্স পপি ট্রেডার্স নামের একটি মিনি পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে এ জ্বালানি জব্দ করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পাম্প মালিকের বাসার ভেতরে মাটির নিচে দুটি ট্যাংক এবং দুটি গাড়িতে অবৈধভাবে জ্বালানি মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়। অভিযানে ৪ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল এবং ১৯ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া ইসলাম সীমা। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) শফিকুল ইসলাম এবং ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর আওতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া জব্দ করা জ্বালানি পেট্রোল পাম্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম সীমা জানান, গত দেড় থেকে দুই মাস ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তি এসব জ্বালানি মজুত করে আসছিলেন।

পরবর্তীতে দাম বাড়লে বিক্রির উদ্দেশ্যেই এই মজুত করা হয়েছিল। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে জব্দকৃত জ্বালানি জনস্বার্থে এলাকার অন্যান্য চালু ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে, শুক্রবার রাতে হালুয়াঘাট উপজেলায় পৃথক আরেকটি অভিযানে ২৩০ লিটার জ্বালানি জব্দ করা হয়।

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ চামড়া বাজারে সেড নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, এলাকাবাসীর বাধায় কাজ বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৭ এম
ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ চামড়া বাজারে সেড নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, এলাকাবাসীর বাধায় কাজ বন্ধ

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ডের শম্ভুগঞ্জ চামড়া বাজারে সেড নির্মাণ কাজকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ৮৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে চলমান এই প্রকল্পে নিম্নমানের কাজ ও নির্মাণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মিশুক এন্টারপ্রাইজ নির্মাণ কাজে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার না করে নানা অনিয়ম করছে। অভিযোগ রয়েছে, সেড নির্মাণে নির্ধারিত মানের রড ব্যবহার না করে নিম্নমানের (নন-গ্রেড) রড ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি কিছু অংশে রড ছাড়াই ঢালাই (ডালাই) দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়াও, বাউন্ডারি পিলারে প্রয়োজনীয় রড ব্যবহার না করা, সিমেন্টের পরিমাণ কম দেওয়া এবং সামগ্রিকভাবে নিম্নমানের নির্মাণ কাজ করার অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, এভাবে কাজ চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এমন অনিয়মের প্রতিবাদে স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এদিকে, গতকাল সেড নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে যান ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার (রুকুন)। পরিদর্শনকালে তিনি অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে শোনেন এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মানসম্মতভাবে পুনরায় কাজ শুরু করা হবে।