বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে অনিয়মের অভিযোগ, কেন্দ্রবিন্দুতে দীপক মজুমদার

স্টাফ রিপোর্টার।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৯ পিএম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে অনিয়মের অভিযোগ, কেন্দ্রবিন্দুতে দীপক মজুমদার

উন্নয়ন, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিষ্ঠানকেই ঘিরে উঠছে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রশাসনিক অস্বচ্ছতার অভিযোগ এখন নগরজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

এই বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছে সিটি কর্পোরেশনের খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদার (কমল)। দীর্ঘদিন ধরে একই পদে দায়িত্ব পালন করা এই কর্মকর্তাকে ঘিরে নানা অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় প্রশ্ন উঠেছে, সিটি কর্পোরেশনের ভেতরে কি গড়ে উঠেছে কোনো প্রভাবশালী অনিয়মের বলয়?

প্রশাসনিক সূত্র বলছে, দীপক মজুমদার দীর্ঘ সময় ধরে একই বিভাগে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সাধারণভাবে প্রশাসনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা দক্ষতা বাড়ানোর কথা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন একই পদে থাকার সুযোগে একটি শক্ত প্রভাববলয় তৈরি হয়েছে, যার কারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কার্যত দুর্বল হয়ে পড়েছে।

একজন সাবেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “একই জায়গায় দীর্ঘদিন থাকা মানেই সেখানে অঘোষিত একটি নেটওয়ার্ক তৈরি হওয়া। এতে অনেক সময় সিদ্ধান্ত ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা কমে যায়।”

দীপক মজুমদারকে ঘিরে বিতর্ক নতুন নয়। স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অতীতেও তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল।

বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় বিদেশি অনুদানে পাওয়া সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং পাচারের অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল।

সে সময় কোটি টাকার সরঞ্জাম ক্রয় ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। তবে সেই অভিযোগের বিষয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন বা বিচারিক নিষ্পত্তি এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

ফলে অভিযোগগুলো সময়ের সঙ্গে চাপা পড়লেও প্রশ্নগুলো রয়ে গেছে অমীমাংসিত।

সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে উঠা অভিযোগগুলো আরও গুরুতর। অভিযোগ রয়েছে, সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন ও স্যানিটেশন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অসঙ্গতি রয়েছে।

স্থানীয়ভাবে ঘুরে দেখা এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হচ্ছে বাস্তবে কাজের মানের সঙ্গে ব্যয়ের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু ক্ষেত্রে প্রকল্প আংশিক বাস্তবায়ন হলেও কাগজে পূর্ণ ব্যয়ের হিসাব দেখানো হয়েছে।

একজন ঠিকাদার বলেন, “কিছু প্রকল্পে যে বাজেট দেখানো হয়, বাস্তবে সেই পরিমাণ কাজ করা হয় না। কিন্তু হিসাব কাগজে ঠিকই দেখানো হয়।”

আগেও দুদকের অভিযানে মিলেছিল অনিয়মের প্রমাণ

বিশ্লেষকদের মতে, এসব অভিযোগ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর আগেও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান পরিচালনা করেছিল।

সেসব অভিযানে উঠে এসেছিল, রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের কাজ, ড্রেনেজ ব্যবস্থায় ত্রুটি, প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম

সমস্যাটি কি কোনো একক কর্মকর্তাকে ঘিরে, নাকি পুরো প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাতেই রয়েছে গভীর কাঠামোগত দুর্বলতা?

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিন একই পদে থাকা কর্মকর্তা, দুর্বল তদারকি এবং সীমিত জবাবদিহিতা মিলেই তৈরি হয়েছে একটি অভ্যন্তরীণ চক্র।

একাধিক সূত্রের দাবি, প্রকল্প অনুমোদন, ঠিকাদার নির্বাচন, অর্থ ছাড়, ব্যয়ের হিসাব এই সবগুলো পর্যায়েই অস্বচ্ছতা রয়েছে।

যদি এসব অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত দুর্নীতি নয় বরং একটি সংগঠিত প্রক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও দীপক মজুমদারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তার এই নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, অভিযোগের বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা না দেওয়ায় জনমনে সন্দেহ আরও বাড়ছে।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করা হবে বলেও তারা জানিয়েছেন।

তবে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, শুধু অভ্যন্তরীণ যাচাই নয়—এই অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

তাদের দাবি, অভিযোগ প্রমাণিত হলে শুধু একজন কর্মকর্তা নয়, সংশ্লিষ্ট পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট পাওয়া এই সিটি কর্পোরেশনকে ঘিরে বারবার দুর্নীতির অভিযোগ উঠায় সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে বাড়ছে হতাশা।

অভিযোগগুলো কি সত্যিই তদন্তের মুখ দেখবে, নাকি আগের মতোই সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যাবে?

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নিয়ে ওঠা এই অভিযোগ এখন শুধু প্রশাসনিক নয়, বরং জনস্বার্থের একটি বড় প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।

এই অভিযোগগুলোর সত্যতা কি সামনে আসবে, নাকি আবারও অন্ধকারেই থেকে যাবে পুরো ঘটনা?

(চলবে)

ময়মনসিংহে বোরো সংগ্রহ (ধান/চাল) কার্যক্রম সফল করতে পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আরিফ রব্বানী, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১২:৫২ এম
ময়মনসিংহে বোরো সংগ্রহ (ধান/চাল) কার্যক্রম সফল করতে পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় চলমান বোরো সংগ্রহ (ধান/চাল)-২০২৬ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) সকালে উপজেলা খাদ্য বিভাগের উদ্যোগে উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বলেন, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বোরো সংগ্রহ কার্যক্রম স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার মাধ্যমে কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, খাদ্য বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ, কৃষক ও মিলমালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা খাদ্যবান্ধব কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ময়মনসিংহে সরকারি খাদ্য গুদামে মোট ২,০১৬ মেট্রিক টন ধান, ৯,৫৯২ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল এবং ১,১২০ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতি কেজি ধান ৩৪ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং আতপ চাল ৪৮ টাকা দরে ক্রয় করা হবে।

সভা শেষে অতিথিবৃন্দ সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, সকলের সহযোগিতায় চলমান বোরো সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

এর আগে জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণাগার (সিএসডি)-এ পৌঁছালে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এ সময় মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে সিএসডির ব্যবস্থাপক সংসদ সদস্যকে সংরক্ষণাগারের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই ও শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হলেন কোতোয়ালী থানার এসআই আসাদ

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৫:১৩ পিএম
জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই ও শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হলেন কোতোয়ালী থানার এসআই আসাদ

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় জেলার শ্রেষ্ঠ উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার এসআই আসাদ।

পেশাগত দায়িত্ব পালনে দক্ষতা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা এবং ওয়ারেন্ট তামিলে বিশেষ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিক সংখ্যক ওয়ারেন্ট তামিল এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই ও শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হিসেবে মনোনীত করা হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী কর্মকর্তাদের হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

সম্মাননা পাওয়ার পর এসআই আসাদ বলেন, এই অর্জন তার একার নয়, কোতোয়ালী মডেল থানার পুরো টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। ভবিষ্যতেও জনগণের জানমাল রক্ষা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানান।

জেলা পুলিশের এ স্বীকৃতিতে সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।

ময়মনসিংহ সদরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১:৪২ এম
ময়মনসিংহ সদরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।

এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় জাতীয় সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও আরিফুল ইসলাম বলেন, জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আরও সমন্বয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সভা শুরুর আগে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম তাকে স্বাগত জানান।