বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের বার্তা কাউন্সিলর প্রার্থী জি. এস. মাহাবুবের

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২০ পিএম
স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের বার্তা কাউন্সিলর প্রার্থী জি. এস. মাহাবুবের

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন-এর ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জি. এস. মাহাবুব ওয়ার্ডবাসীর মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “প্রিয় ৯ নং ওয়ার্ডবাসী, আপনাদের মতামতই আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। আপনাদের কথা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়েই আমি ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ডবাসীর দৈনন্দিন সমস্যা, প্রত্যাশা ও উন্নয়নমূলক প্রস্তাব সরাসরি তাঁর সঙ্গে শেয়ার করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন। “আপনাদের প্রতিটি মতামত আমার জন্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং আমাদের ওয়ার্ডের উন্নয়নের পথে তা হবে আমার অঙ্গীকার,”- বলেন তিনি।

স্থানীয় উন্নয়ন, নাগরিক সেবা ও স্বচ্ছ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে জনগণের অংশগ্রহণকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন জি. এস. মাহাবুব।

ময়মনসিংহের ফুলপুরে খাস জমি দখল ও খাল ভরাট, পানি নিষ্কাশনে চরম সংকটের আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৬ এম
ময়মনসিংহের ফুলপুরে খাস জমি দখল ও খাল ভরাট, পানি নিষ্কাশনে চরম সংকটের আশঙ্কা

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের একাংশে খাস হালট জমি দখল ও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাল ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ দখল কার্যক্রমের ফলে খালটির স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালীরা খাস জমি দখল করে সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন। এতে করে খালটির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। খালটি বালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি বহন করে পাশের ঢাকুয়া ইউনিয়নে পৌঁছে দেয়, যা পুরো এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

খাল ভরাটের কারণে পানির স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে পড়েছে। এতে করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল খালটি পুনরুদ্ধার এবং দখলমুক্ত করতে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলেন, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে বর্ষা মৌসুমে এলাকার জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাতে পারে।

ময়মনসিংহে শিক্ষকের কাছ থেকে প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগও

নাজমুল হাসান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৭ পিএম
ময়মনসিংহে শিক্ষকের কাছ থেকে প্রায় ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগও

ময়মনসিংহ নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন আকুয়া মড়লপাড়া এলাকায় এক শিক্ষকের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত বর্তমানে ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকায় অবস্থান করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী সুলতানা হাফিজুন নাহার তার স্বামী শফিকুল ইসলাম খানের পক্ষে কোতোয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার আলীপুর এলাকার বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার ছেলে মো. মাসুদ রানার সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

অভিযোগে বলা হয়, গার্মেন্টস পণ্যের শিপমেন্ট ব্যবসায় লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৩ সালের ৩ মে ও ৫ জুন দুই দফায় মোট ৫ লাখ টাকা গ্রহণ করেন অভিযুক্ত। চুক্তি অনুযায়ী মাসিক ৫ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও কোনো টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।

বর্তমানে মূল টাকা ও লভ্যাংশসহ মোট ১৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও অভিযুক্ত বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে আসছেন বলেও দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে পাওনা টাকা চাইতে ফোন করলে অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ করেন এবং টাকা না দেওয়ার পাশাপাশি হুমকি দেন। এমনকি বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, একদিকে তারা অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছেন, অন্যদিকে অভিযুক্তের হুমকির কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন তারা। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদ রানার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

কোতোয়ালী থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন, ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাস্তবায়নের আল্টিমেটাম

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫৩ পিএম
ময়মনসিংহে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন, ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাস্তবায়নের আল্টিমেটাম

ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে ‘স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোট’।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সংগঠনের জেলা শাখার উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় জাতীয়করণের ঘোষণা দিলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। ১৯৯৪ সালে তৎকালীন সরকার রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় এসব মাদ্রাসার শিক্ষকদের জন্য মাত্র ৫০০ টাকা ভাতা চালু করলেও পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ২৬,১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলেও একটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসাও জাতীয়করণ বা এমপিওভুক্ত করা হয়নি।

বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে শিক্ষকরা কার্যত বিনা বেতনে পাঠদান করে আসছেন। বেতন-ভাতা ও চাকরির নিরাপত্তা না থাকায় হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এতে মেধাবী শিক্ষকদের আগ্রহ কমছে এবং শিক্ষার মান ব্যাহত হচ্ছে।

সংগঠনের জেলা সভাপতি মাওলানা মোঃ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল বারী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মোঃ ফয়সাল আহমেদসহ বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

শিক্ষক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৩০ এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়ন না হলে ৩ মে ২০২৬ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, সমাবেশ ও লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষক নেতারা।