শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬ ১৪৩২
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬ ১৪৩২

স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের বার্তা কাউন্সিলর প্রার্থী জি. এস. মাহাবুবের

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২০ পিএম
স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের বার্তা কাউন্সিলর প্রার্থী জি. এস. মাহাবুবের

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন-এর ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জি. এস. মাহাবুব ওয়ার্ডবাসীর মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “প্রিয় ৯ নং ওয়ার্ডবাসী, আপনাদের মতামতই আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। আপনাদের কথা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়েই আমি ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ডবাসীর দৈনন্দিন সমস্যা, প্রত্যাশা ও উন্নয়নমূলক প্রস্তাব সরাসরি তাঁর সঙ্গে শেয়ার করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন। “আপনাদের প্রতিটি মতামত আমার জন্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং আমাদের ওয়ার্ডের উন্নয়নের পথে তা হবে আমার অঙ্গীকার,”- বলেন তিনি।

স্থানীয় উন্নয়ন, নাগরিক সেবা ও স্বচ্ছ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে জনগণের অংশগ্রহণকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন জি. এস. মাহাবুব।

পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন, খামারির ৮ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫১ পিএম
পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন, খামারির ৮ লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের বিজয়নগর গ্রামে পরিকল্পিতভাবে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এক মৎস্য খামারির প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম রাসেল দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২৫ শতাংশ জমির একটি পুকুরে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করে আসছিলেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী জানান, ২৭ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে পুকুরে খাবার দিতে গিয়ে তিনি দেখতে পান অসংখ্য মাছ পানিতে ভেসে উঠেছে। অধিকাংশ মাছই মৃত অবস্থায় ছিল। এতে তার কয়েক মাসের পরিশ্রম মুহূর্তেই নষ্ট হয়ে যায়। তিনি দাবি করেন, এতে অন্তত ৮ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এটি পরিকল্পিত নাশকতা। তার সফল মাছ চাষে ঈর্ষান্বিত একটি মহল এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাধবদীতে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আরও এক আসামি ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:১১ পিএম
মাধবদীতে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আরও এক আসামি ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার

নরসিংদীর মাধবদীতে বাবার কাছ থেকে কিশোরীকে ছিনিয়ে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত অন্যতম আসামি হযরত আলী (৩২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের ছিলিমপুর এলাকার একটি বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সালাহ উদ্দিন করিম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি বিশেষ দল ও গৌরীপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে সোহাগবাজার মোড়ে চা পানরত অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, হযরত আলী অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে সে নিজের ব্যবহৃত মোবাইল সিমটি মূল অবস্থান থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে সোহাগী এলাকায় ফেলে রেখে আসে। সে নরসিংদীতে ভ্যানচালক হিসেবে কাজ করত। গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের দুই শ্রমিকের সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রে সে ওই এলাকায় এসে আত্মগোপন করে।

এর আগে বুধবার রাতে নিহত কিশোরীকে নিয়ে তার বাবা খালার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় বখাটে নূরা ও হযরত আলীসহ ছয়জন যুবক তাদের গতিরোধ করে। এ সময় বাবার সামনেই কিশোরীকে টেনে-হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায় তারা।

সারা রাত খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার সকালে পার্শ্ববর্তী একটি সরিষা ক্ষেত থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত কিশোরীর বড় ভাই জানান, “আব্বা ওরে নিয়া খালার বাড়ি যাচ্ছিল। পথে নূরাসহ ছয়জন ওরে তুলে নিয়ে যায়। সারা রাত খুঁজছি, সকালে লাশ পাই।”

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ দিন আগেও নূরা ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছিল। ওই ঘটনার বিচার চাইতে স্থানীয় সাবেক এক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহর কাছে গেলে তিনি উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেন। প্রভাবশালী মহলের এমন আচরণের কারণেই পরিবারটি কিশোরীকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে চেয়েছিল বলে জানায় স্বজনরা। তবে পথেই ঘটে মর্মান্তিক এই ঘটনা।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নূরার সঙ্গে কিশোরীর পূর্বপরিচয় ছিল। বাবার কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরদিন সকালে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদকসহ ৫ কারবারি গ্রেফতার

নিজস্ব সংবাদদাতা।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদকসহ ৫ কারবারি গ্রেফতার

ময়মনসিংহ জেলায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ৫ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল জেলার বিভিন্ন স্থানে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকেই তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সচেতন মহল ডিবি পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন।