রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০ ১৪৩২
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০ ১৪৩২

ত্রিশালে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে সিএনজিচালকদের মহাসড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫২ পিএম
ত্রিশালে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে সিএনজিচালকদের মহাসড়ক অবরোধ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ‘জিপি’ নেওয়ার নামে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা। এতে কয়েক ঘণ্টা ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ইভা ফিলিংস স্টেশন সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এলাকায় কয়েকশ চালক অবস্থান নিলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বিক্ষুব্ধ চালকদের অভিযোগ, এতদিন প্রতিদিন ২০ টাকা করে ‘জিপি’ দিতে হলেও সম্প্রতি তা বাড়িয়ে ৭০ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি মাসিক এক হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। এসব টাকা দিতে না পারলে সিএনজি চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং স্ট্যান্ডে দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজিচালক বলেন, “আমরা দিন এনে দিন খাই। আগে ২০ টাকা দিতাম, এখন ৭০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। আবার মাসে এক হাজার টাকা দিতে হবে—এটা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।”

আরেক চালক জানান, চাঁদা না দিলে স্ট্যান্ডে দাঁড়াতে দেওয়া হয় না, এমনকি মারধরের ঘটনাও ঘটছে। এ অবস্থায় বাধ্য হয়েই তারা রাস্তায় নেমেছেন বলে দাবি করেন।

সিএনজিচালক মফিজুল ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর কিছুদিন কোনো চাঁদা দিতে হয়নি। পরে ধাপে ধাপে ১০ টাকা, ২০ টাকা ও ৪০ টাকা করে চাঁদা বাড়ানো হয়। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের পর ৭০ টাকা করে চাঁদা এবং মাসিক এক হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। চাঁদা দিতে না পারলে গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অন্য এক চালক মো. স্বপন মিয়া বলেন, ময়মনসিংহ কলেজ গেট এলাকায় কয়েকজন স্থানীয় নেতার নেতৃত্বে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। আগে যেখানে ৪০ টাকা নেওয়া হতো, সেখানে এখন ৭০ টাকা করা হয়েছে এবং মাসিক চাঁদা দাবি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “নতুন সরকার বলেছে, দেশে কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। অথচ শপথ নেওয়ার পরই চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে। আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে চাই।”

এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, “অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানা এলাকায় ঘটেছে জানিয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। চালকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।”

ঘুরতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়া শিক্ষার্থীর মরদেহ দুদিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে উদ্ধার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
ঘুরতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়া শিক্ষার্থীর মরদেহ দুদিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে উদ্ধার

ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের পাশে ঘুরতে গিয়ে ‘কিশোর’ ছিনতাইকারী দলের কবলে পড়েন আনন্দ মোহন কলেজে পড়ুয়া দুই শিক্ষার্থী। তাঁদের একজন পালিয়ে ফিরতে পারলেও দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন অপর এক শিক্ষার্থী। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ শহরের জয়নুল আবেদিন উদ্যান এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ভেসে আসে নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মারা যাওয়া শিক্ষার্থীর নাম নুরুল্লাহ শাওন (২৬)। তিনি ময়মনসিংহ নগরের আনন্দ মোহন কলেজের রসায়ন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চর জাকালিয়া গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ ও নিখোঁজ ছাত্রের সহপাঠী সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে জয়নুল আবেদিন উদ্যান এলাকা থেকে নুরুল্লাহ শাওন ও তাঁর বন্ধু মঞ্জুরুল আহসান (রিয়াদ) ব্রহ্মপুত্র নদের বিপরীত পাশে বেড়াতে যান। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে দুই বন্ধুকে অন্তত সাতজনের একটি কিশোর দল ঘিরে ধরে তাঁদের কাছে যা আছে বের করে দিতে বলে। নৌকা ভাড়া ছাড়া আর কোনো টাকা নেই জানালে এ সময় দুই বন্ধুকেই মারধর করা হয়। একপর্যায়ে নুরুল্লাহ শাওন প্রতিবাদ করলে বেদম মারতে শুরু করে। ওই সময় দুই বন্ধু দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। চারজন পিছু নেয় শাওনের এবং তিনজন পিছু নেয় মঞ্জুরুলের। মঞ্জুরুল ব্রহ্মপুত্র নদে নেমে সাঁতরে পার হতে পারলেও নুরুল্লাহ শাওনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরে মঞ্জুরুল তীরে উঠে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বন্ধুদের খবর দিয়ে দলটির ১৫ বছর বয়সী এক সদস্যকে ধরে থানা-পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে ব্যাগ ও শাওনের জুতা পাওয়া যায়। ওই অবস্থায় পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিয়ে নদে সন্ধান চালালেও খোঁজ মেলেনি শাওনের। পরে শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে নৌকার মাঝিরা নদের চরে মরদেহ পেয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।

এ খবরে নিহতের সহপাঠী ও কলেজের বন্ধুরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁরা ঘটনায় জড়িতের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

নিহতের বন্ধুরা রাতেই নগরীর টাউন হল মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তারা প্রশাসনের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের দুই বন্ধু ঘুরতে গিয়ে ছিনতাইকারী কিশোর দলের কবলে পড়ে। একজন সাঁতরে নদ পার হয়ে চলে এলেও শাওনকে পাইনি। আমরা একজনকে ধরে সবার নাম-ঠিকানা পুলিশকে দিলেও পুলিশ কিছু করেনি।’ ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির দাবি জানান তারা।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে শাওনের মা সাহিদা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দেন। সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজনকে আসামি করে দেওয়া অভিযোগটি পুলিশ সন্ধ্যায় মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে। অভিযুক্তদের সবার বয়স ১৩ থেকে ১৬-এর মধ্যে। এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী একজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব বলেন, “লাশ ভাসতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে একজন গ্রেপ্তার হয়েছে, বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

ময়মনসিংহে গৃহকর্মী নিখোঁজ; রহস্যজনক ভূমিকায় মালিক 

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩০ পিএম
ময়মনসিংহে গৃহকর্মী নিখোঁজ; রহস্যজনক ভূমিকায় মালিক 

ময়মনসিংহে নগরীর সানকিপাড়া শেষ মোড় এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা আমিরুল ইসলামের বাসা থেকে গৃহকর্মী হ্যাপি (১২) নিখোঁজ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত (৫ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৫ ঘটিকায় নিখোঁজের ঘটনাটি ঘটে। গৃহকর্মী হ্যাপি নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থানার তেরোতোপা গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের কন্যা।

এঘটনার প্রেক্ষিতে নিখোঁজ হ্যাপির পিতা সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে তার মেয়ে আমিরুল ইসলামের বাসা থেকে নিখোঁজ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি করে মেয়েকে না পেয়ে গত (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর ৪নং ওয়ার্ডের সানকিপাড়া শেষ মোড় অবস্থিত অভিযুক্তর বাসায় গিয়ে কন্যা হ্যাপির সন্ধান চাইলে তাকে অপমান-অপদস্ত ও হুমকি দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।

বর্তমানে সিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলেও অভিযোগে দাবী করা হয়।

এবিষয়ে আমিরুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি নিখোঁজের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমার বাসা থেকে ১২ হাজার টাকা ও মালামাল নিয়ে কাজের মেয়ে হ্যাপি পালিয়েছে। তবে কি কি মালামাল নিয়ে গেছে এমন প্রশ্নের জবাবে আমিরুল সঠিক তথ্য দিতে পারেনি। এসময় তার গ্রামের বাড়ির ঠিকানা জানতে চাইলে তিনি সাক্ষাৎ করার কথা বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নির্বাচনের ছয় দিন পরও ময়মনসিংহ নগরজুড়ে ঝুলছে পোস্টার–ব্যানার, ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
নির্বাচনের ছয় দিন পরও ময়মনসিংহ নগরজুড়ে ঝুলছে পোস্টার–ব্যানার, ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও ময়মনসিংহ নগরের বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে এখনো ঝুলছে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্যানা–পোস্টার ও ব্যানার। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব প্রচারসামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

ময়মনসিংহ–৪ সদর আসনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে বিজয়ী হন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–সমর্থিত প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ। তবে নির্বাচন শেষ হলেও নগরের প্রধান সড়ক নতুন বাজার, গাঙ্গিনারপাড়, চরপাড়া, জিলা স্কুল মোড়, টাউন হল মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় এখনো প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার ও বড় আকারের বিলবোর্ড ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। শুধু প্রধান সড়কই নয়, অলিগলিতেও শত শত নির্বাচনী সামগ্রী টানানো রয়েছে।

বুধবার বিকেলে গাঙ্গিনারপাড় ও ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এখনো পোস্টার অপসারণ করা হয়নি। এ সময় ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কথা হয় পথচারী হামিদুল হকের সঙ্গে। তিনি বলেন, “নির্বাচনের ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও পোস্টার–ব্যানার সরানো হয়নি। শহরজুড়েই একই অবস্থা। দ্রুত এগুলো অপসারণ করা উচিত।”

এদিকে নির্বাচনী প্রচারসামগ্রী অপসারণের বিষয়ে সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন। সেখানে ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এখন সময় শহর ও গ্রামকে আগের মতো পরিষ্কার ও সুন্দর করে তোলার। জনদুর্ভোগ ও পরিবেশ দূষণ এড়াতে রাস্তাঘাট, দেয়াল, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও জনসমাগমস্থলে টাঙানো প্যানা, বিলবোর্ড দ্রুত অপসারণের আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সবাইকে নিজ নিজ প্রচারণাসামগ্রী সরিয়ে পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, “প্রার্থীদের আবারও অনুরোধ করা হচ্ছে, তারা যেন নিজেদের নির্বাচনী সামগ্রী নিজেরাই অপসারণ করেন। পাশাপাশি সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভাগুলোকে এ কাজে সহায়তার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।”