মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২

বিএমইউজে নাটোর জেলা কমিটি অনুমোদন: আলেক শেখ সভাপতি, মোহন সাধারণ সম্পাদক

নাটোর প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ২:০০ এম
বিএমইউজে নাটোর জেলা কমিটি অনুমোদন: আলেক শেখ সভাপতি, মোহন সাধারণ সম্পাদক

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) নাটোর জেলা শাখার নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। গত ০১ সেপ্টেম্বর বেলা ২ টার পরে কোর্ট চত্বরে ভবনের নীচতলায় এক সভায় এই কমিটি গঠন ও ঘোষণা করা হয়।

বিএমইউজে’র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব সোহেল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খানের স্বাক্ষরিত কমিটির পেডে আগামী (২০২৫- ২০২৭) দুই বছরের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়।

এ্যাডভোকেট আলেক উদ্দিন শেখ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে দৈনিক বারবেলা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এ্যাডভোকেট আলেক উদ্দিন শেখ কে সভাপতি এবং দৈনিক আশ্রয় প্রতিদিন মেহেরুল ইসলাম মোহন কে সাধারণ সম্পাদক করে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

বিএমইউজে নাটোর জেলা কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদক মন্ডলীর সদস্যরা হলেন: সহ-সভাপতি : আব্দুর রশিদ ( দৈনিক জনদেশ), সামসুল ইসলাম (দৈনিক ভোরের চেতনা), এ্যাড. রবিউল আলম সরদার (দৈনিক মাতৃ জগত), এ্যাড. বাকী বিল্লাহ রশিদী (দৈনিক ঢাকা), তৌহিদা ইসলাম তন্নী (দৈনিক বাংলাদেশের আলো) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: ইউসুফ হোসেন (চ্যানেল এস), মেহেদী হাসান শাওন (দৈনিক দেশ রুপান্তর), কায়েস উদ্দিন (দৈনিক ভোরের চেতনা) সাংগঠনিক সম্পাদক: সুরুজ আলী (দৈনিক লাল সবুজের দেশ) দপ্তর সম্পাদক: মাহাবুর রনি (দৈনিক লাল সবুজের দেশ) কোষাধাক্ষ্য: সাদ্দাম হোসেন (দৈনিক স্বাধীন ভোর) সাহিত্য সম্পাদক: আশরাফুল ইসলাম (দৈনিক অপরাধ দমন)

ধর্মীয় সম্পাদক: আবু সাঈদ (ভোরের কাগজ)

ক্রীড়া সম্পাদক: শাহিন আলম (দৈনিক বারবেলা পত্রিক) সমাজ কল্যান সম্পাদক: সুজন মাহমুদ (দৈনিক অপরাধ জগত)

নির্বাহী সদস্যবৃন্দ: ফরহাদ হোসেন (দৈনিক বারবেলা পত্রিক), মনজুর হোসেন (এস ডি টিভি), প্রসেনজিৎ কুমার (দৈনিক আজকের বসুন্ধরা), কাবিল উদ্দিন কাফি (দৈনিক যায়যায় দিন), রেজাউল করিম (দৈনিক সকালের সময়), জামাল উদ্দিন (দৈনিক উত্তরা প্রতিদিন), রাজিবুল ইসলাম রিপন (দৈনিক বিশ্ব মানচিত্র ) আবুল কালাম আজাদ (দৈনিক জনতা), শামীম হোসেন (দৈনিক আজকের বসুন্ধরা), আক্তার হোসেন অপূর্ব (দৈনিক যায়যায় দিন), সোহেল রানা সৈকত (দৈনিক প্রাইভেট ডিটেকটিভ), আলম হোসেন (দৈনিক দেশ বার্তা), আলিফ বিন রেজা (দৈনিক জবাবদিহি), রেজাউল করিম রুবেল (দৈনিক ক্রাইম কন্ট্রোল), আব্দুল হান্নান (দৈনিক জনদেশ), ফজলুর রহমান (দৈনিক অর্থদৃষ্টি), শ্যামল কুমার (অপরাধ জগত), মিজানুর রহমান (মানবাধিকার প্রতিদিন), সজিব তুষার (দৈনিক প্রাইভেট ডিটেকটিভ), মাহবুর রহমান (দৈনিক প্রান্থজন), আব্দুস সালাম (দৈনিক জনতা), শহিদুল ইসলাম সুইট (দৈনিক সময়ের আলো), আবু বাশার (দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার), কামাল হোসেন (দৈনিক মাতৃজগত) ।

নতুন এই কমিটি জেলার সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, অধিকার আদায় ও ঐক্য সংহতির লক্ষ্যে কাজ করবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতারা।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

ময়মনসিংহে তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, পাঁচ পুলিশসহ আহত অন্তত ১৫

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৩ পিএম
ময়মনসিংহে তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, পাঁচ পুলিশসহ আহত অন্তত ১৫

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১০ থেকে ১২টি দোকান ভাঙচুর করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুরে মুক্তাগাছা শহরের আটানী বাজারের ছোট মসজিদ মোড়ে ভ্যান ও অটোরিকশা চালকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এরই জেরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও র‍্যাব সাঁজোয়া যান নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।