রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিগত ২৯ বছরে যে সকল সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছে তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৩২ পিএম
বিগত ২৯ বছরে যে সকল সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছে তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা

বিগত ২৯ বছর অর্থাৎ ১৯৯৬ সাল থেকে এযাবৎ যে সকল সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছে তাদের একটি খসড়া তালিকা প্রণয়ন শুরু করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে), নিম্নে বর্ণিত নিহত সাংবাদিক ছাড়াও যদি আরো কোন সাংবাদিক খুন গুম, নিখোঁজ হয়ে থাকে তাহলে সেই সকল সাংবাদিক এর নাম পরিচয় সহ আমাদেরকে তথ্য উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা করার আহবান জানাচ্ছি।

এসকল হত্যাকান্ডের অধিকাংশ ঘটনা নিরবে নিভৃতে বিচারহীনতায় পরিবার গুলো নিঃস্ব হয়েছে। আমরা বিএমইউজে সংগঠনের পক্ষ থেকে সকল নিহত সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। তাদের নামের তালিকা সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন বিএমইউজে।

১৯৯৬ সালের ৮ জুন সাতক্ষীরার পত্রদূত সম্পাদক শ ম আলাউদ্দীন খুন হন। এর দুই বছর পর ৩০ আগস্ট যশোরের দৈনিক রানার সম্পাদক সাইফুল আলম মুকুল খুন হন। ২০০০ সালের ১৬ জুলাই দৈনিক জনকণ্ঠের যশোর প্রতিনিধি শামছুর রহমান কেবলকে নিজ কার্যালয়ে সন্ত্রাসীরা হত্যা করে। ২০০২ সালের ২ মার্চ খুন করা হয় খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সিনিয়র রিপোর্টার হারুন অর রশিদকে।

এর চার মাস পর খুন হন খুলনার অনির্বাণ পত্রিকার সাংবাদিক শুকুর হোসেন এবং আগস্টে শ্রীমঙ্গলে খুন হন দৈনিক পূবালী বার্তার সাংবাদিক সৈয়দ ফারুক আহমেদ। ২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি খুলনা প্রেস ক্লাবের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় নিহত হন দৈনিক সংবাদের খুলনা ব্যুরো প্রধান এবং প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মানিক সাহা।

একই বছরের ২ মার্চ কেরানীগঞ্জে দ্য নিউএজের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ পাপ্পু নিহত হন। ওই বছরের ২৭ জুন নিজের অফিসে নিহত হন খুলনার দৈনিক জন্মভূমির সম্পাদক হুমায়ূন কবির বালু। ২২ আগস্ট চট্টগ্রামে খুন হন আজকের কাগজের সাংবাদিক কামাল হোসেন। এর দুই মাসের মাথায় অক্টোবরে বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক দুর্জয় বাংলার নির্বাহী সম্পাদক দীপংকর চক্রবর্তী নিজ বাসায় নিহত হন।

ওই বছরই খুন হন দৈনিক সংগ্রামের খুলনা প্রতিনিধি বেলাল হোসেন। ২০০৫-এর ২৯ মে কুমিল্লার দৈনিক মুক্তকণ্ঠের সাংবাদিক গোলাম মাহমুদ, ওই বছরের ৫ নভেম্বর দৈনিক সমকালের ফরিদপুর ব্যুরো চিফ গৌতম দাসকে হত্যা করা হয়।

এ ছাড়া ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি পল্টনের নিজ বাসায় খুন হন দৈনিক জনতার সহসম্পাদক ফরহাদ খাঁ ও তার স্ত্রী রহিমা খাতুন। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় এনটিভির ভিডিও এডিটর আতিকুল ইসলাম আতিক, জুলাই মাসে ঢাকার পাক্ষিক মুক্তমনের স্টাফ রিপোর্টার নুরুল ইসলাম ওরফে রানা, আগস্টে গাজীপুরে সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক সময়ের নির্বাহী সম্পাদক এমএম আহসান হাবিব বারি এবং ডিসেম্বরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদদাতা ও রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি আবুল হাসান আসিফ খুন হন।

২০১০ সালের ৯ মে গুপ্তহত্যার শিকার হন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন বাংলার সিনিয়র ক্যামেরাম্যান শফিকুল ইসলাম টুটুল। একই বছরের ২৮ এপ্রিল সাপ্তাহিক ২০০০-এর সিলেট প্রতিনিধি ফতেহ ওসমানী এবং ২৩ ডিসেম্বর প্রকাশ্যে খুন হন বরিশালের মুলাদী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনির হোসেন রাঢ়ী।

২০১১ সালের ৭ ডিসেম্বর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে গলা কেটে হত্যা করা হয় দৈনিক ভোরের ডাকের গোবিন্দগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ফরিদুল ইসলাম রঞ্জুকে। ওই বছরের এপ্রিলে চট্টগ্রামের পোর্টকলোনিতে দৈনিক আজকের প্রত্যাশার সাংবাদিক মাহবুব টুটুলকে হত্যা করা হয়। একই বছরের এপ্রিলে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ১১ নম্বর সড়কে ১০ নম্বর বাসা থেকে সাপ্তাহিক বজ্রকণ্ঠের সাংবাদিক আলতাফ হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় খুন হন মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি। ওই ঘটনার পর সাংবাদিক সমাজ আন্দোলন চালিয়ে গেলেও এক যুগের বেশি সময় ধরেও মামলার তদন্ত শেষ করা হয়নি। ওই বছরের ১৫ জুন যশোরে খুন হন সাংবাদিক জামাল উদ্দিন।

২০১৪ সালের ২১ মে চুয়াডাঙ্গায় খুন হন দৈনিক মাথাভাঙা পত্রিকার সাংবাদিক সদরুল আলম নিপুল এবং ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে রংপুরে খুন হন যুগের আলো পত্রিকার সাংবাদিক মশিউর রহমান উৎস, ২০১৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে খুন করা হয় দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি আবদুল হাকিম শিমুলকে। ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জে খুন হন দৈনিক বিজয় পত্রিকার সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন। পরের বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীতে খুন হন বাংলাদেশ সমাচারের সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মোজাক্কির।

২০২২ সালের এপ্রিলে দৈনিক কুমিল্লার ডাকের সাংবাদিক মহিউদ্দিন সরকার নাইম খুন হন। একই বছরের ৩ জুলাই নিখোঁজের পর লাশ মেলে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক হাসিবুর রহমান রুবেলের।

সিরাজগঞ্জে নিহত সাংবাদিক আবদুল হাকিম শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহার খাতুন বলেন, তার স্বামীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত তৎকালীন পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরুসহ তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হলেও সবাই কারাগার থেকে বেরিয়ে গেছে। তিনি ৬ বছর ধরে অপেক্ষা করেও এখন পর্যন্ত স্বামী হত্যার বিচার পেলেন না। মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাগর -রুনি, জামালপুরের নাদিম ও শেলু আকন্দ ও সর্বশেষ ৭ আগষ্ট -২৫ রাত ৮ টায় গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা মসজিদ মার্কেটে সামনে খুন হয় সাংবাদিক আসাদুজ্জামা তুহিন তার বাড়ী ফুলবাড়িয়া উপজেলায়।

পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০১ পিএম
পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

পরিবেশ সংরক্ষণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের উদ্যোগে এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় পরিবেশ সচেতনতামূলক পথনাটক ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমনা আল মজীদ (উপসচিব), মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান, জেলা কালচারাল অফিসার আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন, সিরাক বাংলাদেশের প্রতিনিধি কামরান মিয়া, ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্য এবং সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পথনাটকে অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলার ক্ষতিকর প্রভাব এবং পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিক দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ সময় প্রতিপাদ্য ছিল, “শহর যদি হয় পরিষ্কার, সুস্থ থাকবে পরিবার।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

পথনাটকটি রচনা করেন যুব কাউন্সিলর মো. সজিব হাসান (সানি)। নির্দেশনায় ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম রবিন। এতে অভিনয় করেন মো. রবিন মিয়া, মিনহাজুল ইসলামসহ ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যরা।

গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

মাহমুদ হাসান আলিফ, গৌরিপুর।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

গৌরীপুরের লঙ্কার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সোহাগ মিয়ার দোকানটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে নিত্যপণ্য সংগ্রহের অন্যতম আস্থার স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দোকানটিতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যা স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

দোকান মালিক সোহাগ মিয়া জানান, স্থানীয় গ্রাহকদের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি পণ্যের গুণগত মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেতনতা অবলম্বন করছেন। দোকানের সব পণ্যের প্যাকেজিং ও মেয়াদ নিয়মিত যাচাই করা হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করতে পারেন।

ডিজিটাল সেবার এই যুগে সোহাগ মিয়া তার দোকানে বিকাশ এজেন্টসহ আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করেছেন। এতে স্থানীয় মানুষ খুব সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন, যা এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও কষ্ট দুটোই সাশ্রয় করছে।

এলাকাবাসী জানান, সোহাগ মিয়ার দোকানে সব সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে এবং দোকানের পরিবেশ বেশ গোছানো।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক সুজিত দাস বলেন, বাজারের মাঝামাঝি সময়ে এমন একটি দোকান থাকা আমাদের জন্য খুবই সুবিধাজনক। সোহাগ মিয়ার এই ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও গ্রাহকসেবার মানসিকতা স্থানীয় ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দিনেও তিনি তার এই সেবার মান ধরে রেখে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উদ্যোগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের মাঝে মোট ৪০০টি বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বি এম ইউসুফ আলী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী, ঊর্ধ্বতন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (আল-আমিন বীমা প্রকল্প) মো. আবু তাহের, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (জনপ্রিয় বীমা প্রকল্প) মো. কামাল হোসেন মহসিন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইসলামী ডিপিএস প্রকল্প) মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সিকদার।

এ সময় বক্তব্য দেন আল-বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কে এম বিল্লাল হোসেন, পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির বিভিন্ন প্রকল্পের ইনচার্জরা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মহাব্যবস্থাপক (সমন্বয়কারী, ময়মনসিংহ) সাকিল মাহমুদ।

বক্তারা বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সেবার মান অক্ষুণ্ন রেখে দ্রুততম সময়ে বীমা দাবি পরিশোধে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং বীমা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা গ্রাহকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০০টি বীমা দাবির চেক তুলে দেন।