শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

নিখোঁজ বাক-প্রতিবন্ধী যুবককে ২৪ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার করলো পিবিআই ময়মনসিংহ জেলা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫, ৮:৪৬ এম
নিখোঁজ বাক-প্রতিবন্ধী যুবককে ২৪ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার করলো পিবিআই ময়মনসিংহ জেলা

ময়মনসিংহে ০৬ দিন ধরে নিখোঁজ সংগ্রাম(ছদ্মনাম)(২১) নামে বাকপ্রতিবন্ধী যুবককে অভিযোগপ্রাপ্তীর মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে পিবিআই ময়মনসিংহ জেলা। গতকাল বগুড়ার সান্তাহার রেল স্টেশন থেকে তাকে সুস্থ্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ভিকটিম সংগ্রামের(ছদ্মনাম) বাড়ি নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া থানায়।

জিডির বর্ণনা মতে গত ২৬ এপ্রিল ভিকটিম বাক প্রতিবন্ধী সংগ্রাম ময়মনসিংহের কালীবাড়ি এলাকায় তার খালার বাড়ি থেকে নেত্রকোণায় নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে সে আর বাড়িতে ফিরে না যাওয়ায় পরিবারের লোকজন সংগ্রামের মোবাইলে ফোন করলে তা বন্ধ পায়। ভিকটিম সংগ্রাম বাকপ্রতিবন্ধী হলেও তার সামান্য অক্ষর জ্ঞান ছিলো এবং স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে পারতো। এরপর সংগ্রামের বাবা আশেপাশে ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করে না পেয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানায় তার ছেলের নিখোঁজ সংক্রান্তে সাধারণ ডায়েরি করেন। নিখোঁজ হওয়ার ০৫ দিন পরও ভিকটিম সংগ্রামের কোন সন্ধান না পেলে তারা বিষয়টি পিবিআই ময়মনসিংহকে জানায়।

অ্যাডিশনাল আইজিপি, পিবিআই জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই, ময়মনসিংহ ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ রকিবুল আক্তার এর সার্বিক সহযোগিতায় পিবিআই ময়মনসিংহের আভিযানিক টিম উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পিবিআই টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় নিখোঁজের মোবাইলের সন্ধান পায় নওগাঁ জেলার জগদ্দল এলাকায়। সেই সূত্র ধরে ভিকটিম বাকপ্রতিবন্ধী সংগ্রামকে রবিবার (৫মে) রাত ৯টায় বগুড়ার সান্তাহার রেল স্টেশন থেকে উদ্ধার করা হয়।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ২৬/০৪/২০২৫ তারিখ সকাল ০৮ টায় ভিকটিম তার খালার বাড়ি ময়মনসিংহের কালীবাড়ি এলাকা থেকে নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য ভুলক্রমে ঢাকা গামী ট্রেনে উঠে ঢাকায় চলে যায়। দিশেহারা হয়ে ঢাকা থেকে সে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনে উঠে বগুড়া জেলার সান্তাহার রেল স্টেশনে গিয়ে নামে। ক্ষুধার তাড়নায় সে খুবই স্বল্পমূল্যে তার কাছে থাকা মোবাইলটি সান্তাহার রেল স্টেশনে জনৈক আলামিনের কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর থেকে সে সান্তাহার রেল স্টেশনেই ভবঘুরে হিসাবে অবস্থান করতে থাকে। পিবিআইয়ের চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ক্রেতা আলামিনকে শনাক্ত করে ও তাকে নিয়ে সান্তাহার রেল স্টেশনে বিভিন্ন স্থানে ভিকটিমকে খুঁজতে শুরু করে। একপর্যায়ে রেল স্টেশনের পরিত্যক্ত জায়গায় তাকে শুয়ে থাকতে দেখে সংগ্রামকে উদ্ধার করে। সংগ্রামকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সংগ্রামের বাবা বলেন, গত ২৬ এপ্রিল সংগ্রাম ময়মনসিংহের কালীবাড়ি এলাকায় তার খালার বাড়ি থেকে নেত্রকোণায় বাড়িতে আসার জন্য বের হয় নিখোঁজ হয়। আমরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করে না পাইলে কোতোয়ালী থানায় জানাই। পরে পিবিআই পুলিশ সুপারকে জানাই। তারা আমার ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করে দিয়েছে।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।