রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬, ২৫ ১৪৩২
রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬, ২৫ ১৪৩২

ময়মনসিংহে ২৮ জন সাংবাদিককে সম্মাননা ও মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদান

মো: আতিকুল ইসলাম (শাওন)।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:১৯ এম
ময়মনসিংহে ২৮ জন সাংবাদিককে সম্মাননা ও মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদান

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) ময়মনসিংহ সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজনে আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুশিদুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উদ্বোধন ও প্রধান অতিথির বক্তব্য

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাপ্তি ল্যাবরেটরীজ (আয়ু) লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক ড. মোঃ ইদ্রিস খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ তৌহিদুজ্জামান (ছোটন), নিধি ফার্মাসিউটিক্যালসের স্বত্বাধিকারী মোঃ শাহারিয়ার মেহেদী মোল্লা ও নূরানী শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশের পরিচালক অধ্যক্ষ মুফতি জসীম উদ্দীন।

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিবলী সাদিক খান, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিক, হেমন্ত টিভি ও দৈনিক হেমন্ত কাল-এর সম্পাদক আসাদুজ্জামান জুয়েল।

সাংবাদিকতার গুরুত্ব ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ, তারা সমাজের সমস্যা ও অসঙ্গতি জনগণের সামনে তুলে ধরেন। বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমেই একটি সুষ্ঠু সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিনের সম্পাদক ড. মোঃ ইদ্রিস খান বলেন, “ময়মনসিংহে ফেক আইডির মাধ্যমে সাংবাদিকদের হয়রানি করা হচ্ছে। যারা এসব ফেক আইডির পোস্টে লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করেন, তারাও সমানভাবে দায়ী। এসব অপতৎপরতা বন্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।”

প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম রফিক বলেন, “সাংবাদিকদের হয়রানির শিকার হতে হলে তারা আইনের আশ্রয় নিতে পারবেন এবং সকল সাংবাদিক তাদের পাশে থাকবে।”

অন্যান্য অতিথিরা বলেন, “সাংবাদিকরা সমাজের দ্বিতীয় চোখ। তারা যদি সত্য তুলে ধরতে না পারেন, তবে সমাজের প্রকৃত চিত্র কখনোই উন্মোচিত হবে না। তাই তাদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।”

সংগঠনের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

অনুষ্ঠানটি ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশ ও সাংবাদিক সম্পাদক শামীম হোসাইন সঞ্চালনা করেন। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মতিন মাসুদ, দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মুঞ্জুরুল হক (ফুলবাড়িয়া), মোখলেছুর রহমান (নান্দাইল), রাকিবুল হাসান ফরহাদ (ত্রিশাল), জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুল হাকিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মহানগর শাখার সভাপতি এস এম কে মিজান।

আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক জহির খান সুজন, সুলতান মাহমুদ বাপ্পি, বিশ্বনাথ সাহা বিসু, আলাদীন সানী, শেখ মোঃ দ্বীন ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সেলিমসহ আয়োজক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মোঃ ফাহিম কিবরিয়া এবং পরে তিনি ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন।

সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া

সাংবাদিকরা মনে করেন, এমন একটি আয়োজন তাদের অনুপ্রাণিত করেছে এবং আগামীতেও তারা সৎ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চালিয়ে যাবেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই আয়োজন করা হবে।

ময়মনসিংহে ৬ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

গৌরীপুর প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ১:০৭ এম
ময়মনসিংহে ৬ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নাসিমা আক্তার কনা (৩৬) নামে এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে গৌরীপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে এসআই মো. মহসীন হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অবস্থান নেয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক নারী দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে সঙ্গীয় নারী কনস্টেবলের সহায়তায় তাকে একটি হলুদ রঙের শপিং ব্যাগসহ আটক করা হয়।

পরে ব্যাগটি তল্লাশি করে ৩০টি সবুজ রঙের জিপার প্যাকেটে রাখা মোট ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত নাসিমা আক্তার কনা গৌরীপুর পৌরসভার নতুন বাজার এলাকার আব্দুল আজিজ সরদারের মেয়ে এবং ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানার আকুয়া বাইপাস এলাকার জুলহাস মিয়ার স্ত্রী।

এ ঘটনায় এসআই মো. মহসীন হাসান বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।