শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহ জেলা তারাকান্দা উপজেলায় ইউএনও নাজনীন সুলতানার নেতৃত্বে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৬:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ জেলা তারাকান্দা উপজেলায় ইউএনও নাজনীন সুলতানার নেতৃত্বে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ জেলা তারাকান্দা উপজেলায় ইউএনও নাজনীন সুলতানার নেতৃত্বে ময়মনসিংহ ২ আসনের পলাতক এমপি শরীফ আহম্মেদের চাচাতো ভাই কামারীয়া ইউনিয়নের পলাতক চেয়ারম্যান আজাহার ইসলাম ১০ নং বিসকা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান বাবুল সহ আওয়ামী লীগের সাথে তারাকান্দা উপজেলায় মাসিক সভা মিটিং আয়োজন করেন।

ইউএনও নাজনীন সুলতানা

জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় এমন কান্ড দেখলো তারাকান্দা উপজেলার ইউএনও। ছাত্র জনতার ১৯ জুলাই তারাকান্দা উপজেলায় নেতৃত্বে ছাত্র জনতা উপর গুলি করা হয় এ সকল আওয়ামী দোসর মাধ্যমে। যেখানে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাবেক উপজেলা ইউএনও, পুলিশ প্রশাসন এবং এমপি, নেতা ও আওয়ামী সন্ত্রাস ক্যাডার বাহিনী।

বর্তমানে তারাকান্দা উপজেলা এই ইউএনও আওয়ামী নেতা ও তাদের দোসর দের নিয়ে জানুয়ারি ১ তারিখে মাসিক সভায় ও মিটিং আয়োজন করেন।

উক্ত আয়োজিত সভায় এসময় উপস্থিত ছিলেন:

১. খাদেমুল আলম শিশির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতির ছেলে।

২. শামসুল আলম রাজু, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

৩. আজাহার চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

৪. ইকরাম তালুকদার সহ-সভাপতি তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ।

৫. শাকের আহমেদ বাবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

বিষয়টি জাতীয় নাগরিক কমিটি ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি মাসুদ রানা জানতে পেরে ঘটনাস্থল উপস্থিত হলে ইউএনও নাজনীন সুলতানা, জাতীয় নাগরিক কমিটির প্রতিনিধির সাথে দেখা করবেন বলে জানান এবং পরবর্তীতে সময় নিয়ে দেখা না করে অফিস থেকে বাসায় চলে যান।

ইউএনও নাজনীন সুলতানা সাথে মিটিংয়ে উপস্থিত থাকা ব্যক্তিদের নামে ছাত্র জনতার উপর হামলা সহ বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত রয়েছে এবং অনেক আওয়ামী নেতা সন্ত্রাসীগণ পলাতক অবস্থানে আছেন।

মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে আঘাত ও পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের মুখে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরদিন বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিষয়টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শারীরিকভাবে আঘাত করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় তারা।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ নিয়ে আলোচনা হলেও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কোনো সমাধান হয়নি। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলো হলো—শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক আঘাত বন্ধ করা, বিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।

তবে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিদ্যালয়ের পাশের ব্রিজে গিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। তখন তিনি তাদের ‘শুধু শাসন করেছেন’।

বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার বিষয়ে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।

রূপগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বাসায় কৃষকদলের অবৈধ পকেট কমিটির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৯ এম
রূপগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বাসায় কৃষকদলের অবৈধ পকেট কমিটির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের বাসায় উপজেলা কৃষক দলের খসড়া কমিটি ঘোষণার তীব্র প্রতিবাদে এই নেতার বিরুদ্ধেই সংবাদ সম্মেলন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল। গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের হোড়গাঁও বাজারের কৃষক দলের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের সভাপতি ডা. শাহিন মিয়া বলেন, কয়েকদিন আগে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের বাসায় কৃষক দলের খসড়া কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, এমন একটি ভিডিও ও সংবাদ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাসুরউদ্দিন বাচ্ছুও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জেলা কৃষক দল এ বিষয়ে কিছুই জানে না। এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনায় সুসংগঠিত কৃষক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের কমিটি বর্তমানে বিদ্যমান রয়েছে। আমি জেলা কৃষক দলের সভাপতি এবং উপজেলা কমিটির সভাপতি শাহ আলম বেপারী ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল। সারা বাংলাদেশের মধ্যে রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দল সফল, উজ্জীবিত ও সুসংগঠিত। এটা একটা চক্রান্ত, এরা বিএনপির মঙ্গল চায় না। পূর্বের রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের যে কমিটি ছিল, সেটিই এখনও বহাল রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ বা খসড়া কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সাংগঠনিক বিধিবিধান এবং অভিভাবক কমিটির সম্মতি অপরিহার্য। মূল দলের সভাপতি বা সম্পাদকের বাসভবনে জেলা বা কেন্দ্রীয় অনুমোদন ছাড়া সহযোগী সংগঠনের খসড়া কমিটি ঘোষণার ঘটনা দলের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ কোয়াটার-কোন্দল ও চেইন অব কমান্ড ভঙ্গের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। এতে স্থানীয় পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা তৈরি হতে পারে, যা আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও নির্বাচনী মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেন বিশেষজ্ঞরা।

‎ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়িতে শিশুসহ নিহত ৬; আহত অন্তত ২০

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
‎ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়িতে শিশুসহ নিহত ৬; আহত অন্তত ২০

‎ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্কে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। দ্রুত ভবন থেকে বের হতে গিয়ে পদদলিত ও ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।

‎সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনের লিফটের কন্ট্রোল রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের পাশাপাশি কন্ট্রোল রুম থেকে ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়লে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে গেলে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। এ সময় পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

‎নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন নেত্রকোনার পূর্বধলার হাজেরা বেগম (৫০), ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার শাহজাহান (৪০), রমজান (৩৮), জাহানারা (৫০) এবং তারাকান্দার কুলসুমা (৩৫)। নিহত অপরজন এক বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা শিশু।

‎অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল-মামুন ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎তবে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জাকিউল ইসলাম সোমবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আগুনে সরাসরি মৃত্যুর কোনো ঘটনা স্বীকার করেননি। হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা জানান, আগুনের ঘটনায় হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে এবং ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

‎ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, লিফটের কন্ট্রোলার মেশিনের বোর্ডে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট ও অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। কন্ট্রোল রুম থেকে বের হওয়া ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

‎খবর পেয়ে ময়মনসিংহ সদর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল ও ঈশ্বরগঞ্জসহ পাঁচটি ফায়ার স্টেশনের ১০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ভবনের বিভিন্ন তলায় তল্লাশি চালিয়ে আগুনের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

‎ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান বলেন, আগুন লাগার কারণ ও সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।