শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ ১৪৩২
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ ১৪৩২

আজ রোববার সকাল থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হচ্ছে

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:১৪ পিএম
আজ রোববার সকাল থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হচ্ছে

আজ রোববার সকাল থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে। যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতায় সহায়তাকারী কাতারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এর মধ্য দিয়ে গাজায় দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান হতে যাচ্ছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে আটক সকল জিম্মিকে ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

জেরুজালেম থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

দীর্ঘ ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ এবং ভয়াবহ বোমাবর্ষণের অবসান ঘটাতে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি করা হয়েছে, তবে শনিবার সন্ধ্যায় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার জন্য মার্কিন সমর্থন রয়েছে।

যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়টি ৪২ দিন স্থায়ী হবে এবং এ সময় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠন তাদের হাতে বন্দি থাকা ৩৩ জন ইসরাইলী জিম্মিকে মুক্তি দেবে, যাদের মধ্যে তিনজনকে রোববার মুক্তি দেয়া হবে। ইসরাইল শতশত ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে এবং দেশে ফেরত পাঠাবে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারী এক বিবৃতিতে বলেন, চুক্তির পক্ষ এবং মধ্যস্থতাকারীদের সমন্বয়ে করা গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি শুরু হবে রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে।

যুদ্ধবিরতির প্রাক্কালে গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ছিল, গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে খান ইউনিসে তাদের তাঁবুতে হামলায় এক পরিবারের কমপক্ষে পাঁচজন সদস্য নিহত হয়েছেন।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন প্রদর্শনের জন্য ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সময় জেরুজালেমে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

হুথিরা জানিয়েছে যে তারা তেল আবিবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে লক্ষ্য করে এবং লোহিত সাগরের বন্দর শহর ইলাতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

রোববার তারা লোহিত সাগরে আমেরিকার একটি বিমানবাহী রণতরীকে লক্ষ্যবস্তু করে এবং যুদ্ধবিরতির সময় কোনও প্রতিশোধ নেওয়া হলে পরিণাম সম্পর্কে সতর্ক করেছে।

হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে মাত্র এক সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। সেই চুক্তিতে ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিনিময়ে জঙ্গিদের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি দিতে দেখা গিয়েছিল।

নেতানিয়াহু বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের চেহারা বদলে দিয়েছে।

রোববার থেকে শুরু হওয়া ৪২ দিনের প্রথম পর্যায়ের যুদ্ধবিরতিকে ’অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি’ বলে অভিহিত করেছেন নেতানিয়াহু।

তিনি বলেন, যদি আমাদের যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে বাধ্য করা হয়, তাহলে তারা শক্তি প্রয়োগ করে আবার হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

কিন্তু হামাস বলেছে, ইসরায়েল তার আক্রমণাত্মক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং ‘কেবল মাত্র মানবতার মর্যাদাকে অবমাননা করে এমন যুদ্ধাপরাধ সংঘটনে সফল হয়েছে’।

ইসরাইলের বিচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তির প্রথম পর্যায়ে ৭৩৭ জন ফিলিস্তিনি বন্দী এবং আটক ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হবে। রোববার বিকেল ৪:০০ টা (১৪০০জিএমটি)-র আগে কেউ মুক্তি পাবে না।

এএফপির ইসরাইলি সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৩ সালে হামাসের হামলায় ১,২১০ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলা চালিয়ে ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। এসব জিম্মির মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় এখনো ৯৪ জন রয়ে গেছেন, যাঁদের ৩৪ জন মারা গেছেন বলে মনে করে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী।

ইসরাইলের প্রতিশোধমূলক হামলায় গাজার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। হামাস-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, ৪৬,৮৯৯ জন নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।

জাতিসংঘের মতে, হামাস-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, এটি নির্ভরযোগ্য।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের প্রাক্কালে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।

শনিবার মার্কিন নেটওয়ার্ক এনবিসিতে ট্রাম্প জানিয়েছেন যে তিনি নেতানিয়াহুকে বলেছেন, ‘যুদ্ধ শেষ করতে হবে’। ‘আমরা চাই এটি শেষ হোক।’

গৌরীপুর থানায় ডিউটি অফিসার এএসআই আরমানের দায়িত্ব অবহেলা

গৌরীপুর প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
গৌরীপুর থানায় ডিউটি অফিসার এএসআই আরমানের দায়িত্ব অবহেলা

থানা হলো সাধারণ মানুষের শেষ ভরসাস্থল। কিন্তু ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানায় গেলে দেখা মেলে ভিন্ন এক চিত্রের। খোদ ডিউটি অফিসারের চেয়ারই খালি! জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে কর্মস্থলে খুঁজে পাওয়া যায়নি এএসআই আরমানকে। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেলে ‘দৈনিক জনবাণী’র স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আনোয়ার হোসেনের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে থানার এমন লেজেগোবরে দশা। বিষয়টি নিয়ে খোদ ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) কামরুল হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

জানা যায়, বিকেল আনুমানিক ৫টা। একটি বিকাশ প্রতারক চক্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গৌরীপুর থানায় প্রবেশ করেন সাংবাদিক মোঃ আনোয়ার হোসেন। কিন্তু থানার মূল প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ‘ডিউটি অফিসার’-এর ডেস্কে গিয়ে দেখা যায় সেটি জনশূন্য। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও দেখা মেলেনি দায়িত্বরত কর্মকর্তা এএসআই আরমানের। একজন সংবাদকর্মী তথ্য সংগ্রহে গিয়ে যদি এমন পরিস্থিতির শিকার হন, তবে সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের কী দশা হয়, তা নিয়ে এলাকায় চলছে আলোচনা সমালোচনা।

থানার ভেতরে এমন দায়িত্ব অবহেলা দেখে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন বিষয়টি সরাসরি মোবাইল ফোনে অবহিত করেন ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার কামরুল হাসানকে। পুলিশ সুপার বিষয়টি শোনার পর তাৎক্ষণিকভাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, জনগণের সেবায় নিয়োজিত থেকে ডিউটি চলাকালীন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে আইনজ্ঞরা বলছেন, ডিউটি অফিসারে দায়িত্বে থেকে অবহেলা করলে পুলিশ আইনের ৭ ধারা এবং পিআরবি-এর ৮৮০ বিধি অনুযায়ী দায়িত্ব অবহেলার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, পুলিশ জনগণের বন্ধু, এই স্লোগান যেন শুধু দেয়ালের লেখা হয়েই আছে। ডিউটি অফিসারের অনুপস্থিতিতে জিডি বা অভিযোগ দিতে আসা ভুক্তভোগীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে বাধ্য হন। এএসআই আরমানের এই দায়িত্ব অবহেলা কি ব্যক্তিগত ইচ্ছা নাকি থানার প্রশাসনের কোনো গাফিলতি, তা নিয়ে এখন এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ সুপারের এই কঠোর বার্তায় গৌরীপুর থানার কর্মকর্তাদের মধ্যে কিছুটা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলেও, সাধারণ মানুষের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, বাস্তবে যেন এই অনিয়মের অবসান ঘটে।

এবিষয়ে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, ডিউটি অফিসারের থানার বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। এবিষয়ে অনুসন্ধান সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তারাকান্দাবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুর রশীদ

স্টাফ রিপোর্টার।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৫ পিএম
তারাকান্দাবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুর রশীদ

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে তারাকান্দা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক তারাকান্দা উপজেলা বিএনপির সদস্য, অনন্তপুর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশীদ।

ঈদ উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উৎসব। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ আমাদের জীবনে নিয়ে আসে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বার্তা। এই দিনে ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে সবাই একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়।

তিনি আরও বলেন, ঈদের প্রকৃত শিক্ষা হলো মানবতার কল্যাণে কাজ করা, সমাজে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করা এবং অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো। ঈদের এই পবিত্র মুহূর্তে তিনি সকলকে ভেদাভেদ ভুলে ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

মোঃ আব্দুর রশীদ তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, “আমি তারাকান্দা উপজেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রিয় তারাকান্দাবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানাই। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি দান করেন।”

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ঈদের আনন্দ সবার জীবনে বয়ে আনবে নতুন আশা ও সম্ভাবনা, আর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে শান্তি, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে।

সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা – ঈদ মোবারক।

মাদক দমনে মাদকসেবী! ফুলপুরে ‘বিড়ালের কাছে মাংসের পাহারা’ বিতর্কে তোলপাড়

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪২ পিএম
মাদক দমনে মাদকসেবী! ফুলপুরে ‘বিড়ালের কাছে মাংসের পাহারা’ বিতর্কে তোলপাড়

মাদকবিরোধী কার্যক্রমে এক কথিত মাদকসেবীর সম্পৃক্ততা ঘিরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বালিয়া বাজার এলাকায়। স্থানীয়দের ভাষায়, “এ যেন বিড়ালের কাছে মাংসের পাহারা দেওয়ার মতোই অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য ঘটনা।”

অভিযোগ রয়েছে, শান্ত (প্রায় ২৫), যিনি স্থানীয়ভাবে ওলামা লীগের একজন পদধারী নেতা হিসেবে পরিচিত, তিনি নিজেই দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত। এলাকাবাসীর দাবি, নিজের ঘর ও মহল্লায় তিনি মাদকসেবী হিসেবেই বেশি পরিচিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মা আছমা খাতুন, এক প্রবীণ সাংবাদিক চাচা এবং প্রবাসী এক ফুফুর বিরুদ্ধেও একাধিকবার আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

এমন একজন ব্যক্তির মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি এই কার্যক্রম ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হলে শান্ত মারধরের শিকার হন বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে।

কিছু মহল এটিকে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও স্থানীয়দের একটি অংশ বলছে, “এটি মূলত মাদকসংক্রান্ত আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, একে সাংবাদিক নির্যাতন হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। সচেতন মহল বলছে, মাদকবিরোধী কার্যক্রমে প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত না হলে এমন বিতর্ক ও অবিশ্বাস আরও বাড়বে।