শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

“আওয়ামী সরকারের আমলে আমরা জাহান্নামে ছিলাম”- যুবদল নেতা রোকন 

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪, ৫:১৭ পিএম
“আওয়ামী সরকারের আমলে আমরা জাহান্নামে ছিলাম”- যুবদল নেতা রোকন 

0-4064x3048-0-0#

শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক। নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানসহ সকল মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে তাদেরকে এবং গত ৫ আগস্টের পূর্বে যারা শহীদ হয়েছে তাদেরকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।

 

ময়মনসিংহ সদরে চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নে রাজগঞ্জ সাহেব কাচারী বাজারে শহীদ জিয়া স্মৃতি পরিষদ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মহানগর যুবদলের সহ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেলের ব্যবস্থাপনা ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মাষ্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মহানগর যুবদল নেতা মোঃ মহসিন আলম।

 

এসময় আওয়ামী সরকারের কঠোর সমালোচনা করে রোকন বলেন, আওয়ামী সরকার আমলে ১ হাজার টাকা কেজি কাঁচা মরিচ খেয়েও মানুষ মুখ ফুটে কিছু বলতে পারেনি, আওয়ামী সরকার মানুষের মুখের ভাষা কেড়ে নিয়েছিল। আর আজকে এই সময়ে ১০০ টাকা কেজি পেঁয়াজ কাঁচা মরিচ খেয়েও মানুষ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সম্পর্কে বুক ফুলিয়ে প্রতিবাদস্বরূপ বলার স্বাধীনতা পেয়েছে। স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে সমালোচনা করতে পারাটাও একটা স্বাধীনতা আর এই স্বাধীনতা অর্জন করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বীর সৈনিকেরা।

 

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী সরকার আমলে সাধারণ ছাত্র ছাত্রীরা পড়ালেখা শেষ করেও তারা চাকরি পায়নি। চাকরিতে আবেদন করার পরে তাদেরকে আওয়ামী নেতাকর্মীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে তাদেরকে ১০ লক্ষ থেকে ১২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরি নিতে হয়েছে।

 

যুবদল সভাপতি রোকন আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশী, আমরা এমন বাংলাদেশ চাইনা যে দেশের সাধারণ জনগণ বলবে আওয়ামী সরকার যেমন ছিল এখন এই সরকারও ঐরকম স্বৈরাচারী। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যে দেশের জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জীবন দিয়েছেন। আমরা আমাদের নিজেদেরকে এমনভাবে গড়ে তুলবো যেন সাধারণ মানুষ বলে “আওয়ামী সরকারের আমলে আমরা জাহান্নামে ছিলাম, এখন আমরা বেহেস্তের গন্ধ পাচ্ছি”।

 

অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহীদ।

 

উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ হাজারো সমর্থকদের উপস্থিতিতে উদ্বোধন করা হয় শহীদ জিয়া স্মৃতি পরিষদ।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।