সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ১৪৩২
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ১৪৩২

ফুলবাড়ীয়ায় অভিযানে ৮টি করাতকল সিলগালা হলেও অভিযোগের করাতকলের কিছুই হয়নি

শিবলী সাদিক খান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
ফুলবাড়ীয়ায় অভিযানে ৮টি করাতকল সিলগালা হলেও অভিযোগের করাতকলের কিছুই হয়নি

সম্প্রতি ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে আট করাতকল সিলগালা করা হয়েছে। উপজেলার কালাদহ ও আছিম বাজার এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ তাকী তাজওয়ার ভ্রাম্যমাণ অভিযান করেন। অদৃশ্য কারণে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযুক্ত করাতকলকে কিছুই করা হয়নি বলে জানিয়েছেন কল মালিকগণ।

জানাযায়, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কালাদহ এলাকায় নতুন একটি করাতকল স্থাপনকে ঘিরে দেখা দিয়েছে ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষবাণিজ্যের অভিযোগ। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি আইন ও বিধি-বিধান উপেক্ষা করে প্রভাবশালী একটি মহল বন কর্মকর্তাদের হাত করে করাতকলের লাইসেন্স আদায়ের চেষ্টা করছে।

এলাকাবাসীর পক্ষে জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, কালাদহ মৌজার বি.আর.এস খতিয়ান নং ৪২২, দাগ নং ১১৭০৬–এর মালিক মো. জিন্নাহ করাতকল স্থাপনের জন্য আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উথুরা রেঞ্জ কর্মকর্তার নির্দেশে এনায়েতপুর বিট কর্মকর্তা মো. সেলিম সরেজমিন পরিদর্শন করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আবেদনকারীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণ করে অনৈতিকভাবে লাইসেন্সের পক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবিত করাতকলের স্থানটি মধুপুর গড়ের সরকারি বনাঞ্চল থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, যা সরকারের পরিপত্রে উল্লিখিত ১০ কিলোমিটার সীমার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মো. জিন্নাহ দীর্ঘদিন ধরে মধুপুর গড় ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে সরকারি কাঠ সংগ্রহ করে চোরাই পথে ব্যবসা করে আসছেন। স্থানীয় বৈধ করাতকল মালিকগণ এ কাজে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে নতুন করাতকল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

এলাকাবাসী জানান, “বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ঘুষের বিনিময়ে অনৈতিক প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। এতে বন সম্পদ হুমকির মুখে পড়বে।”

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সহায়তায় জিন্নাহ ও তার সহযোগীরা এলাকাবাসীর আপত্তি উপেক্ষা করে করাতকল স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০ নং কালাদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক নজরুল, প্রচার সম্পাদক মহাজ্জল এবং আওয়ামী লীগের সাপোর্টার জিন্নাহ সহ ৩ জন একত্রে মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল।

রেঞ্জ কর্মকর্তা বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি। এটা আমার আন্ডারে না উথুরা রেঞ্জে। অভিযানের দিন ঐ করাতকলটি এসিলেন্ড স্যারের চোখে পরেনি। তবে এসিলেন্ড স্যারকে বুঝিয়ে বলেন অবশ্যই তা বন্ধ করে দিবে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ তাকী তাজওয়ারের সাথে কথা বললে তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উথুরা রেঞ্জ কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি ব্যস্ত আছেন রাতে কথা হবে বলে ফোন রেখে দেন।

ত্রিশালে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে সিএনজিচালকদের মহাসড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫২ পিএম
ত্রিশালে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে সিএনজিচালকদের মহাসড়ক অবরোধ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ‘জিপি’ নেওয়ার নামে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা। এতে কয়েক ঘণ্টা ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ইভা ফিলিংস স্টেশন সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এলাকায় কয়েকশ চালক অবস্থান নিলে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বিক্ষুব্ধ চালকদের অভিযোগ, এতদিন প্রতিদিন ২০ টাকা করে ‘জিপি’ দিতে হলেও সম্প্রতি তা বাড়িয়ে ৭০ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি মাসিক এক হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। এসব টাকা দিতে না পারলে সিএনজি চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং স্ট্যান্ডে দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজিচালক বলেন, “আমরা দিন এনে দিন খাই। আগে ২০ টাকা দিতাম, এখন ৭০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। আবার মাসে এক হাজার টাকা দিতে হবে—এটা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।”

আরেক চালক জানান, চাঁদা না দিলে স্ট্যান্ডে দাঁড়াতে দেওয়া হয় না, এমনকি মারধরের ঘটনাও ঘটছে। এ অবস্থায় বাধ্য হয়েই তারা রাস্তায় নেমেছেন বলে দাবি করেন।

সিএনজিচালক মফিজুল ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর কিছুদিন কোনো চাঁদা দিতে হয়নি। পরে ধাপে ধাপে ১০ টাকা, ২০ টাকা ও ৪০ টাকা করে চাঁদা বাড়ানো হয়। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের পর ৭০ টাকা করে চাঁদা এবং মাসিক এক হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। চাঁদা দিতে না পারলে গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অন্য এক চালক মো. স্বপন মিয়া বলেন, ময়মনসিংহ কলেজ গেট এলাকায় কয়েকজন স্থানীয় নেতার নেতৃত্বে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। আগে যেখানে ৪০ টাকা নেওয়া হতো, সেখানে এখন ৭০ টাকা করা হয়েছে এবং মাসিক চাঁদা দাবি করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “নতুন সরকার বলেছে, দেশে কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। অথচ শপথ নেওয়ার পরই চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে। আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে চাই।”

এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, “অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানা এলাকায় ঘটেছে জানিয়ে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। চালকদের সঙ্গে আলোচনা করে পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।”

ঘুরতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়া শিক্ষার্থীর মরদেহ দুদিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে উদ্ধার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
ঘুরতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়া শিক্ষার্থীর মরদেহ দুদিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে উদ্ধার

ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের পাশে ঘুরতে গিয়ে ‘কিশোর’ ছিনতাইকারী দলের কবলে পড়েন আনন্দ মোহন কলেজে পড়ুয়া দুই শিক্ষার্থী। তাঁদের একজন পালিয়ে ফিরতে পারলেও দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন অপর এক শিক্ষার্থী। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ শহরের জয়নুল আবেদিন উদ্যান এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ভেসে আসে নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মারা যাওয়া শিক্ষার্থীর নাম নুরুল্লাহ শাওন (২৬)। তিনি ময়মনসিংহ নগরের আনন্দ মোহন কলেজের রসায়ন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চর জাকালিয়া গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ ও নিখোঁজ ছাত্রের সহপাঠী সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেলে জয়নুল আবেদিন উদ্যান এলাকা থেকে নুরুল্লাহ শাওন ও তাঁর বন্ধু মঞ্জুরুল আহসান (রিয়াদ) ব্রহ্মপুত্র নদের বিপরীত পাশে বেড়াতে যান। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে দুই বন্ধুকে অন্তত সাতজনের একটি কিশোর দল ঘিরে ধরে তাঁদের কাছে যা আছে বের করে দিতে বলে। নৌকা ভাড়া ছাড়া আর কোনো টাকা নেই জানালে এ সময় দুই বন্ধুকেই মারধর করা হয়। একপর্যায়ে নুরুল্লাহ শাওন প্রতিবাদ করলে বেদম মারতে শুরু করে। ওই সময় দুই বন্ধু দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। চারজন পিছু নেয় শাওনের এবং তিনজন পিছু নেয় মঞ্জুরুলের। মঞ্জুরুল ব্রহ্মপুত্র নদে নেমে সাঁতরে পার হতে পারলেও নুরুল্লাহ শাওনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরে মঞ্জুরুল তীরে উঠে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বন্ধুদের খবর দিয়ে দলটির ১৫ বছর বয়সী এক সদস্যকে ধরে থানা-পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে ব্যাগ ও শাওনের জুতা পাওয়া যায়। ওই অবস্থায় পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নিয়ে নদে সন্ধান চালালেও খোঁজ মেলেনি শাওনের। পরে শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে নৌকার মাঝিরা নদের চরে মরদেহ পেয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।

এ খবরে নিহতের সহপাঠী ও কলেজের বন্ধুরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁরা ঘটনায় জড়িতের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

নিহতের বন্ধুরা রাতেই নগরীর টাউন হল মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তারা প্রশাসনের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের দুই বন্ধু ঘুরতে গিয়ে ছিনতাইকারী কিশোর দলের কবলে পড়ে। একজন সাঁতরে নদ পার হয়ে চলে এলেও শাওনকে পাইনি। আমরা একজনকে ধরে সবার নাম-ঠিকানা পুলিশকে দিলেও পুলিশ কিছু করেনি।’ ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির দাবি জানান তারা।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে শাওনের মা সাহিদা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দেন। সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজনকে আসামি করে দেওয়া অভিযোগটি পুলিশ সন্ধ্যায় মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে। অভিযুক্তদের সবার বয়স ১৩ থেকে ১৬-এর মধ্যে। এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী একজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব বলেন, “লাশ ভাসতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে একজন গ্রেপ্তার হয়েছে, বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

ময়মনসিংহে গৃহকর্মী নিখোঁজ; রহস্যজনক ভূমিকায় মালিক 

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩০ পিএম
ময়মনসিংহে গৃহকর্মী নিখোঁজ; রহস্যজনক ভূমিকায় মালিক 

ময়মনসিংহে নগরীর সানকিপাড়া শেষ মোড় এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা আমিরুল ইসলামের বাসা থেকে গৃহকর্মী হ্যাপি (১২) নিখোঁজ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত (৫ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৫ ঘটিকায় নিখোঁজের ঘটনাটি ঘটে। গৃহকর্মী হ্যাপি নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা থানার তেরোতোপা গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের কন্যা।

এঘটনার প্রেক্ষিতে নিখোঁজ হ্যাপির পিতা সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে তার মেয়ে আমিরুল ইসলামের বাসা থেকে নিখোঁজ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি করে মেয়েকে না পেয়ে গত (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর ৪নং ওয়ার্ডের সানকিপাড়া শেষ মোড় অবস্থিত অভিযুক্তর বাসায় গিয়ে কন্যা হ্যাপির সন্ধান চাইলে তাকে অপমান-অপদস্ত ও হুমকি দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।

বর্তমানে সিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলেও অভিযোগে দাবী করা হয়।

এবিষয়ে আমিরুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি নিখোঁজের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমার বাসা থেকে ১২ হাজার টাকা ও মালামাল নিয়ে কাজের মেয়ে হ্যাপি পালিয়েছে। তবে কি কি মালামাল নিয়ে গেছে এমন প্রশ্নের জবাবে আমিরুল সঠিক তথ্য দিতে পারেনি। এসময় তার গ্রামের বাড়ির ঠিকানা জানতে চাইলে তিনি সাক্ষাৎ করার কথা বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।