বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২

মিঠামইনে বিএনপি’র নেতার সন্ত্রাস বিরোধী সভায় আওয়ামীলীগ নেতা মুখলেছ প্রধান অতিথি!

কিশোরগঞ্জ প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৫:২৯ পিএম
মিঠামইনে বিএনপি’র নেতার সন্ত্রাস বিরোধী সভায় আওয়ামীলীগ নেতা মুখলেছ প্রধান অতিথি!

‘রাবণের মুখে রাম রাম’। ছাত্র জনতার জুলাই-আগষ্ট আন্দোলনের অপরাধ সংগঠিত করা ৪ মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা মুখলেছুর রহমান ভূঁইয়াকে বিএনপির নেতা নাজমুল ভূইয়ার আয়োজনে সন্ত্রাস বিরোধী সভায়’ প্রধান অতিথি করেছেন।

মিঠামইন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুখলেছুর রহমান ভূঁইয়া বিএনপির নেতার উদ্যোগেে সন্ত্রাস বিরোধী সভায় উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সম্প্রতি সময়ে এমন একটি ভিডি ও সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই সেই ভিডিও পোস্ট করে বিরূপ মন্তব্য করছেন। এই নিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় তুমুল আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপি শাখার সভাপতি নাজমুল হাসান ভূইয়ার উদ্যোগে গত ৮ আগস্ট বিকালে চৌধুরী বাজারে সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ ও মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি করা হয় জুলাই অগাস্ট আন্দোলনের বিরোধীতাকারী বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করা বিস্ফোরক আইনের ৪ হামলার আসামি মিঠামইন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ভূমি দস্যু মুখলেছুর রহমান ভূঁইয়াকে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বিএনপির নেতা নাজমুল ভূইয়ার আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত সন্ত্রাস বিরোধী সভায় তাকে আসতে হয়েছে বলে জানা গেছে। মুখলেছুর রহমান ভূঁইয়া ৩ মামলার জমিনে থাকলেও রামপুরা থানার দায়ের করা মামলার জামিন না নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

সূত্রে জানা যায়, রামপুরা থানার মামলা নং ১৯ তাং ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ঘাগড়া বাজারের সরকারি ভূমি ও অনেকের মালিকানা জায়গা দখল করার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি সিহারা গ্রামের বিধবা হাজেরা বেগম ভূমি দস্য মুখলেছুর রহমান এবং ঘাগড়া ইউনিয়নের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক সভাপতি নজরুল শেখ সহ ৮ জনের বিরুদ্ধেভূমি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ মূলে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত করার নির্দেশ দিলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আব্দুল হাই ঘটনার সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। মুখলেসছুর রহমান সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের চাচা। তিনি ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের ও চেয়ারম্যান। ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মিরজাহান মোমিনীর ভাই ভাতিজাদের সাথে ব্যক্তিগত দ্বন্দে জড়িয়ে পড়েন ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নাজমুল হাসান ভূঁইয়া, তাদেরকে ঘায়েল করার জন্য নাজমুল ভূঁইয়া নিজের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ৮ আগস্ট আওয়ামীলীগের নেতা মুখলেছুর রহমানকে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও মাদক বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথি করেন। অনুষ্ঠিত সমাবেশে হেলিম মেম্বার হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামি আক্তার মেম্বার ও বক্তব্য দেন। ছাত্র আন্দোলনের ওপর হামলা মামলার আসামি দ্বীন ইসলাম সহ এলাকার বেশ কিছু আসামীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে এই সমাবেশে। সমাবেশের পরপরই নাজমুল হাসান ভূঁইয়া নিজের ফেসবুক আইডিতে সমাবেশের ভিডিও পোস্ট করেন এবং মুখলেছুর হমান ভূইয়া সভায় যে বক্তব্যে দিয়েছেন এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই সেই ভিডিও পোস্ট করে আওয়ামী লীগ পুর্নবাসন কেন্দ্র মিঠামইন উপজেলা বিরূপ মন্তব্য করতে দেখা গেছে। অনেকে মন্তব্য করে বলছেন ‘রাবণের মুখে রাম রাম’ বলাটা শোভা পায় না বলে দাবি করছেন। বিষয়টি রীতিমতো হাস্যকর হিসেবেই তুমুল সমালোচনা ঝড় উঠেছে সর্বমহলে।

মিঠামইন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদনকে জানান অনুষ্ঠিত সমাবেশটি দলীয় কোন বিষয় না। নাজমুল ভূইয়ার ব্যক্তিগত বিষয়। তবে চিহ্নিত অপরাধীদেরকে নিয়ে সমাবেশ করার বিষয়টি দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী। দলের সুনাম ক্ষুন্ন করার দায়ে তার বিরুদ্ধে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।