রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ ১৪৩২
রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ ১৪৩২

মিঠামইনে বিএনপি’র নেতার সন্ত্রাস বিরোধী সভায় আওয়ামীলীগ নেতা মুখলেছ প্রধান অতিথি!

কিশোরগঞ্জ প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৫:২৯ পিএম
মিঠামইনে বিএনপি’র নেতার সন্ত্রাস বিরোধী সভায় আওয়ামীলীগ নেতা মুখলেছ প্রধান অতিথি!

‘রাবণের মুখে রাম রাম’। ছাত্র জনতার জুলাই-আগষ্ট আন্দোলনের অপরাধ সংগঠিত করা ৪ মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা মুখলেছুর রহমান ভূঁইয়াকে বিএনপির নেতা নাজমুল ভূইয়ার আয়োজনে সন্ত্রাস বিরোধী সভায়’ প্রধান অতিথি করেছেন।

মিঠামইন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুখলেছুর রহমান ভূঁইয়া বিএনপির নেতার উদ্যোগেে সন্ত্রাস বিরোধী সভায় উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সম্প্রতি সময়ে এমন একটি ভিডি ও সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই সেই ভিডিও পোস্ট করে বিরূপ মন্তব্য করছেন। এই নিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় তুমুল আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপি শাখার সভাপতি নাজমুল হাসান ভূইয়ার উদ্যোগে গত ৮ আগস্ট বিকালে চৌধুরী বাজারে সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ ও মাদক বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি করা হয় জুলাই অগাস্ট আন্দোলনের বিরোধীতাকারী বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করা বিস্ফোরক আইনের ৪ হামলার আসামি মিঠামইন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ভূমি দস্যু মুখলেছুর রহমান ভূঁইয়াকে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বিএনপির নেতা নাজমুল ভূইয়ার আমন্ত্রণে অনুষ্ঠিত সন্ত্রাস বিরোধী সভায় তাকে আসতে হয়েছে বলে জানা গেছে। মুখলেছুর রহমান ভূঁইয়া ৩ মামলার জমিনে থাকলেও রামপুরা থানার দায়ের করা মামলার জামিন না নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

সূত্রে জানা যায়, রামপুরা থানার মামলা নং ১৯ তাং ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ঘাগড়া বাজারের সরকারি ভূমি ও অনেকের মালিকানা জায়গা দখল করার অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি সিহারা গ্রামের বিধবা হাজেরা বেগম ভূমি দস্য মুখলেছুর রহমান এবং ঘাগড়া ইউনিয়নের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক সভাপতি নজরুল শেখ সহ ৮ জনের বিরুদ্ধেভূমি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩ মূলে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত করার নির্দেশ দিলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আব্দুল হাই ঘটনার সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। মুখলেসছুর রহমান সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের চাচা। তিনি ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের ও চেয়ারম্যান। ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি প্রয়াত মিরজাহান মোমিনীর ভাই ভাতিজাদের সাথে ব্যক্তিগত দ্বন্দে জড়িয়ে পড়েন ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নাজমুল হাসান ভূঁইয়া, তাদেরকে ঘায়েল করার জন্য নাজমুল ভূঁইয়া নিজের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ৮ আগস্ট আওয়ামীলীগের নেতা মুখলেছুর রহমানকে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও মাদক বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথি করেন। অনুষ্ঠিত সমাবেশে হেলিম মেম্বার হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামি আক্তার মেম্বার ও বক্তব্য দেন। ছাত্র আন্দোলনের ওপর হামলা মামলার আসামি দ্বীন ইসলাম সহ এলাকার বেশ কিছু আসামীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে এই সমাবেশে। সমাবেশের পরপরই নাজমুল হাসান ভূঁইয়া নিজের ফেসবুক আইডিতে সমাবেশের ভিডিও পোস্ট করেন এবং মুখলেছুর হমান ভূইয়া সভায় যে বক্তব্যে দিয়েছেন এর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই সেই ভিডিও পোস্ট করে আওয়ামী লীগ পুর্নবাসন কেন্দ্র মিঠামইন উপজেলা বিরূপ মন্তব্য করতে দেখা গেছে। অনেকে মন্তব্য করে বলছেন ‘রাবণের মুখে রাম রাম’ বলাটা শোভা পায় না বলে দাবি করছেন। বিষয়টি রীতিমতো হাস্যকর হিসেবেই তুমুল সমালোচনা ঝড় উঠেছে সর্বমহলে।

মিঠামইন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি জাহেদুল আলম জাহাঙ্গীরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদনকে জানান অনুষ্ঠিত সমাবেশটি দলীয় কোন বিষয় না। নাজমুল ভূইয়ার ব্যক্তিগত বিষয়। তবে চিহ্নিত অপরাধীদেরকে নিয়ে সমাবেশ করার বিষয়টি দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী। দলের সুনাম ক্ষুন্ন করার দায়ে তার বিরুদ্ধে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ পিএম
ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে প্রকাশ্য জনসমাগমের মধ্যেই দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন নজরুল ইসলাম (৪৬)।

নিহত নজরুল ইসলামের রামসিংহপুর এলাকার হাজী মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট ধোবাউড়া আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের কর্মী বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সংঘবদ্ধ কয়েকজন দুর্বৃত্ত হঠাৎ নজরুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এরশাদ বাজার ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নির্বাচনকে ঘিরে প্রকাশ্য স্থানে এমন সহিংসতায় জনমনে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনী পরিবেশকে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রভাবিত করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় ডৌহাখলা ইউনিয়নের গাজীপুরে সাব্দুল সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুক চিড়ে গড়ে উঠেছে অনুমোদনহীন অবৈধ ইকো ব্রিকস নামক ইটভাটা। ভোগান্তিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা, নিরব প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা যায়, অনুমোদনহীন অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়া, কয়লার গুড়া ও ধুলোবালিসহ ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দের মিশ্রনে বিদ্যালয়ের কোমোলমতি শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষে বসে লেখাপড়া করাটাই দায় হয়ে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ইটভাটা মালিক চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের সাবেক প্রভাবশালী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফারুকুল ইসলাম রতন পেশি শক্তিবলে বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ অবৈধ দখলে নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার সুযোগটুকুও কেড়ে নিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন এরা কি আসলেই চেয়ারম্যানরুপী সেবক ছিলেন? নাকি সেবক নামের জানোয়ার! সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কি খোঁজ রাখেন না? নাকি ঘুষের ঘোরে অন্ধ?

স্কুল পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জানায়, ইটভাটার কালো ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে ক্লাসে বসে থাকতে পারিনা, স্কুল ড্রেস একদিনের বেশি পড়তে পারিনা। আমাদের অনেক কষ্ট হয়, শ্বাস কষ্ট হয়, সর্দি-কাশি হয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফুর তাঁর বক্তব্য বলেন, আমরা শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীদের কি ক্লাস করাব, যেখানে আমরাই ঠিকে থাকতে পারিনা সেক্ষেত্রে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এগুলো কিভাবে সহ্য করবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের কিছু বলতে হবে না, আপনারা দয়া করে একটু বসুন তাহলেই অনুভব করতে পারবেন ইটভাটার ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে বিদ্যালয়টি যেন নরকে পরিনত হয়েছে।

এসময় তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠের জায়গা কেটে দখলে নিয়েছে, জায়গাটা ভরাট করে দিবে বলছে কিন্তু এখন পর্যন্ত দেয়নি। আজ আপনাদের ক্যামেরার সামনে কথা বলায় কাল থেকে এই বিদ্যালয়ে চাকুরী করতে পারব কি না আল্লাহ জানেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মুঠোফোন রিসিভ না করলেও গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, আমাদের পরিবেশ আসার কথা, ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট করলে পরিবেশের একটা প্রসিকিউশন লাগে ওনারা আসলেই বিষয়টি আমরা দেখব।

সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম
সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে জেগে উঠেছে সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকার যুবসমাজ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিস্তার, কিশোর-তরুণদের নেশায় জড়িয়ে পড়া এবং সামাজিক অবক্ষয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে একটি মাদক নির্মূল কমিটি। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, যেখানে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকাবাসীর মধ্যে মাদক সংশ্লিষ্ট নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় যুবসমাজ একত্রিত হয়ে একটি সংগঠিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। কমিটির মাধ্যমে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া এবং তরুণদের সচেতন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, এটি মাদকবিরোধী গণস্বাক্ষরের অংশ, যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনেকে স্বাক্ষর করেছেন। স্বাক্ষরকারীদের মতে, মাদকের কারণে পরিবার ভাঙছে, শিক্ষার্থীরা বিপথে যাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে- যা আর মেনে নেওয়া যায় না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। তারা দাবি করেন, এসব অভিযোগ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে এবং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানানো হবে। তবে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।

মাদক নির্মূল কমিটির এক উদ্যোক্তা বলেন, “আমরা কারও বিরুদ্ধে অন্যায় অপবাদ দিতে চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্ত হোক, দোষীরা আইনের আওতায় আসুক, আর আমাদের এলাকা মাদকমুক্ত হোক।”

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, যেকোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর আশা, যুবসমাজের এই ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করবে এবং সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকা ধীরে ধীরে একটি নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে পরিণত হবে।