সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:২৫ পিএম

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে ইং-২৫/০২/২০২৫ তারিখ গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ১৬ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) মোঃ ফিরোজ আলী, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ বাবুল ইসলাম (৪৫), (আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-মৃত হাজী আব্দুর রশিদ, মাতা-মৃত মোসাম্মদ বেগম, সাং-বন্দওসান ,থানা-দূর্গাপুর, জেলা-নেত্রকোনা, এ/পি সাং-কেওয়াটখালী পাওয়ার হাউজ রোড, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ, ২। মোঃ দুলাল উদ্দিন (৪২), (আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-মৃত আছর আলী, মাতা-মৃত কমলা খাতুন, সাং-চর গৌবিন্দ (কুটিপাড়া), ৩। মোঃ জহিরুল ইসলাম (৪৬) (আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-মৃত নুরুল ইসলাম মন্ডল, মাতা-আনোয়ারা বেগম, সাং-ভাটি দাপুনিয়া, ৪। মোঃ সোহেল রানা (৩৭) (আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-মৃত আব্দুল খালেক, মাতা-জহুরা খাতুন, সাং-উত্তর দাপুনিয়া, ২৯নং ওয়ার্ড, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদেরকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ঢাকা বাইপাস এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

র‌্যাব-১৪, ময়মসিংহ কর্তৃক কোতোয়ালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ ইয়াছিন (২৪), পিতা-মোঃ সাইফুল ইসলাম, মাতা-মোছাঃ শিউলী বেগম, সাং-পূর্ব সমসচূড়া (মধুটিলা), থানা-নালিতাবাড়ী, জেলা-শেরপুরকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শম্ভুগঞ্জ এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন এবং আসামীর নিকট হইতে ২৫৩ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করেন।

 

এসআই(নিঃ) মোঃ হাফিজুর রহমান, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ সিরাজুল ইসলাম (২৬), পিতা-মোঃ হাবিবুর রহমান, মাতা-মোছাঃ শিরিনা খাতুন, সাং-দক্ষিন মাইজ পাড়া, থানা-ধোবাউড়া, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পাটগুদাম ব্রীজ হইতে গ্রেফতার করেন এবং আসামীর নিকট হইতে ২১ (একুশ) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করেন।

 

এসআই(নিঃ) সজীব কোচ, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলার আসামী ১। মোঃ রাকিব মিয়া (২২), পিতা-সাইদুল ইসলাম মাতা-কাজল রেখা, সাং-কিসমত টাওয়ারের মোড়, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন কিসমত বউ বাজার এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) মোঃ সোহেল রানা, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। হৃদয় আল হাসান (২৮), পিতামৃত-খোকন মিয়া, মাতা-ইয়াসমিন আক্তার, সাং-সেহড়া চামড়া গুদাম, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন সেহড়া ধোপাকলা মোড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন এবং আসামীর নিকট হইতে ১৫(পনের) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।

 

এসআই (নিঃ) মোঃ গোলাম রব্বানী, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া দস্যুতা মামলার আসামী ১। মোঃ জিহাদ আহম্মেদ (১৮), পিতা-মোঃ মাহফুজ রহমান, মাতা-লিপি আক্তার, সাং-পুরোহিত পাড়া, ২। মোঃ রাফি (১৮), পিতা-মোঃ আনোয়ার হোসেন, মাতা-রাজিয়া আক্তার, সাং-সেহড়া ধোপাখোলা, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ, ৩। মোঃ তামিম (১৮), পিতা-শাহাবুদ্দিন, মাতা-জাবেদা খাতুন, সাং-পশ্চিম কুতুবপুর, থানা-বাজিতপুর, জেলা-কিশোরগঞ্জ, সাং-সেহড়া ধোপাখোলা মুন্সীবাড়ী, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদেরকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চরপাড়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ডাকাতির চেষ্টা মামলার আসামী ১। মোঃ আপন মিয়া (২০), পিতা-মোঃ আসলাম মিয়া, মাতা-আখি বেগম, সাং-সেহড়া মুন্সিপাড়া, ২। মোঃ মামুন মিয়া (১৯), পিতা-মফিজুল, মাতা-খাদিজা আক্তার, সাং-কামারিয়া পূর্বপাড়া, সেহড়া মুন্সিপাড়া, উভয় থানা-কোতোয়ালী মডেল, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন দিঘারকান্দা বাইপাস এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

ইহাছাড়াও এসআই (নিঃ) মোঃ খায়রুল ইসলাম, এএসআই সুকান্ত দেবনাথ, এএসআই আব্দুল আওয়াল, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করিয়া ০৩ টি পরোয়ানাভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেন।

 

পরোয়ানাভূক্ত আসামীদের নাম ও ঠিকানা-

১। মাহমুদুর রহমান ওরফে মাহমুদুল (), পিতা-সাইদুর রহমান সরকার, স্থায়ী: গ্রাম- চর হাসাদিয়া , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ

২। মোঃ আইনুদ্দিন (৫২), পিতা-মৃতঃ আঃ রশিদ, স্থায়ী : গ্রাম-(গনেশ্যামপুর (মনতলা) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ

৩। মাহমুদুর রহমান ওরফে মাহমুদুল(), পিতা-সাইদুর রহমান সরকার, স্থায়ী: গ্রাম- চর হাসাদিয়া , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে ধীরগতি, ডেঙ্গু ও হামের প্রাদুর্ভাব এবং ফাইলবন্দি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। এ প্রেক্ষাপটে রোববার (২১ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির জুন ২০২৬ মাসের সভা।

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বাস্তবমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি এবং হামের সংক্রমণের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে অন্তত একদিন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মশার লার্ভা ধ্বংসে সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ও কার্যকরভাবে ব্যয় নিশ্চিত করে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রোধে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণে কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক।

সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “উন্নয়ন বা জনসেবার নামে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। মাঠপর্যায়ের কাজের অগ্রগতি শুধু নথিপত্রে নয়, বাস্তবেও দৃশ্যমান হতে হবে।”

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারাকান্দা উপজেলার কৃতি সন্তান এস. এম. মেহেদী হাসান তালুকদার।

তিনি তারাকান্দা উপজেলার ৭ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। মেহেদী হাসান তালুকদার রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর বাবা মোঃ উছমান গনি তালুকদার রামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তাঁর দাদা ছিলেন ওই ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি।

পারিবারিকভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক আদর্শ ও চেতনার পরিবেশে বেড়ে ওঠা মেহেদী হাসান তালুকদার ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলের প্রতি নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

তাঁর এ পদপ্রাপ্তিতে তারাকান্দা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মেহেদী হাসান তালুকদার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।