শনিবার, ২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩

দুর্ণীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে কাজ করছেন -ময়মনসিংহের ডিসি মফিদুল আলম

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৫, ৩:৪৭ পিএম
দুর্ণীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়তে কাজ করছেন -ময়মনসিংহের ডিসি মফিদুল আলম

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসনকে একটি দুর্ণীতিমুক্ত,স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রশাসন হিসাবে গড়ার মাধ্যমে একটি জনকল্যাণকর প্রশাসন হিসাবে জনগণকে উপহার দিতে কাজ করে যাচ্ছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম। তিনি ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকেই অবহেলিত ময়মনসিংহ জেলার উন্নয়নে নিরলস কাজ করাসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে জেলার প্রতিটি প্রশাসনিক কার্যালয়কে দালাল, ঘুষ, দূর্নীতি, মাদকমুক্ত করে ময়মনসিংহকে মডেল জেলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে দিনরাত ছুটে চলেছেন।

ময়মনসিংহবাসী পেয়েছেন অক্লান্ত পরিশ্রমী এক অভিভাবককে । অসহায়, দারিদ্র, নিপিড়িত তথা সুবিধা বঞ্চিত লোকজন ময়মনসিংহে মফিদুল আলম এর যোগদানে তাদের আস্থার জায়গা খুঁজে পেয়েছেন। এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ডিসি মফিদুল আলম এ জেলায় গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে যোগদানের পর থেকে তিনি তার দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে সর্বস্তরে সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার যে কোন সমস্যা বা সম্ভাবনার তথ্য পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি সেখানে ছুটে যান খোঁজ নিতে।

বিসিএস ব্যাচ ২৪ এ উত্তীর্ণ প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা এর আগে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের একান্ত সচিব পদে কর্মরত ছিলেন। কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেইন্দা গ্রামের মরহুম মাওলানা রশিদ আহমদ ও মরহুমা লুলু মরজানের জ্যেষ্ঠ পুত্র মুফিদুল আলম কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে মেধা তালিকায় ৪র্থ স্থান অধিকার করে বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি পাস করেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্সসহ এম.বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২৪তম বিসিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগ দেন। চাকরিজীবনে মুফিদুল আলম কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তা, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসাবে সন্দ্বীপ, চন্দনাইশ, আনোয়ারা, পানছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলায় এবং বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের একান্ত সচিব (পিএস), চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত জনপ্রশাসনকে জনকল্যাণে পৌছে দিতে কাজ করে সুনাম অর্জন করেছেন। ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি তিনি নিজেকে মানবসেবায় সর্বদা নিয়োজিত রেখে চলেছেন। জেলার যে কোনো সমস্যার সমাধানে বিদ্যুতের গতিতে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। প্রতিটি এলাকায় শুরু করেছেন উন্নয়নের ছোয়া ও দুস্থ অসহায়দের সহযোগিতা।

এছাড়া যেখানে অনিয়ম দেখছেন সেটাকে তিনি শক্ত হাতে দমন করছেন। নিরপেক্ষ জায়গা হিসাবে সকলে খুজে নিয়েছেন ডিসি মফিদুল আলম কে। ময়মনসিংহকে জলাবদ্ধতা নিরসনে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও যানজট মুক্ত জেলা গড়তে নিয়েছেন জরুরী পদক্ষেপ। ময়মনসিংহ নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ও বিভিন্ন বাজারের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় তিনি সরেজমিনে তদন্ত করে চেম্বার কমার্স ও ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ব্যবস্থা করছেন। পরিবেশ সংরক্ষনের জন্যও সকলকে সচেতন করছেন। দুর্ণীতি ও মাদক নির্মূলে অভিযান করার পাশাপাশি নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন।

সরকারের খাঁস জমি অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে দখলমুক্ত করে সরকারি জিম্মায় আনতে কাজ করছেন। ডিসির নির্দেশে সার্টিফিকেট মামলার কেস নথিগুলো রেগুলার করা হয়েছে। ভিপি আদায় বৃদ্ধির জন্য অচল নথির পুরাতন ইজারাদারকে নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। বিভিন্ন আইনে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কারণে একদিকে স্বভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন সাধারন জনগন। অপরদিকে জরিমানা আদায়ের ফলে সরকারী কোষাগারে অর্থ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের বরাদ্দকৃত ঘর সহ বিভিন্ন কাজ সঠিক ভাবে মনিটরিং করায় কাজের মান নিয়ে জটিলতা দুর হচ্ছে বলে জনসাধারন মনে করছেন।

জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম বলেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা মোতাবেক ময়মনসিংহ জেলাকে শতভাগ দুর্ণীতিমুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছি। ভূমি দস্যু, দূর্ণীতিবাজ, মাদক, সন্ত্রাস দালালদের কোন অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবেনা। তিনি বলেন, সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করে একটি জনকল্যাণমুখী গতিশীল প্রশাসন গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি। সকলের সহযোগিতায় মময়মনসিংহ জেলা থেকে অনিয়ম, দূর্ণীতি দূর করাসহ, মাদকমুক্ত করে জেলাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্নের মডেল জেলায় রূপান্তিত করবো ইনশাল্লাহ।

ময়মনসিংহ মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম
ময়মনসিংহ মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

ময়মনসিংহ মহিলা (ডিগ্রি) কলেজে সরকারি বিধিমালা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক ফারহানা পারভীনকে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পছন্দের প্রার্থীকে এই পদে বসানোর ফলে স্থানীয় সচেতন মহল এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক একেএম শফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে নিয়োগ বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠতম শিক্ষককে দায়িত্ব না দিয়ে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তুলনামূলক কনিষ্ঠ শিক্ষক ফারহানা পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অধ্যক্ষের পদ শূন্য হলে প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠতম শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে সেই নীতিমালার কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সুত্রে জানা আরও যায়, কলেজে অনার্স না থাকলেও শিক্ষকদের অনার্সের নিয়োগপত্র দেখিয়ে অপ্রয়োজনীয় খন্ডকালীন ১৮ সাল থেকে অদ্যবধি বেতন উত্তোলন করছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আতাত করে অডিট হওয়া এবং না হওয়ার বিষয়ে পায়তারা চলছে, বিষয়টি বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও আর কোন কলেজে অনার্স বিষয় খোলার সরকারি সিদ্ধান্ত নেই।

এদিকে পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক মাসুমা আক্তার ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক শাহ আজিজুর রহমান (রাসেল) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের প্রতিনিধি হয়ে অন্য শিক্ষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কলেজে আধিপত্য বিস্তার করে রামরাজত্ব কায়েম করছে।

একাধিক শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফারহানা পারভীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে আসলে তার ছত্রছায়ায় খন্ডকালীন শিক্ষকদের চাকুরীচ্যুত করার ভয়ে কেও মুখ খুলতে চায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, এই অনিয়মতান্ত্রিক নিয়োগের ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক চেইন অফ কমান্ড ভেঙে পড়েছে। জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের ডিঙ্গিয়ে কনিষ্ঠ কাউকে দায়িত্ব দেওয়ায় শিক্ষার পরিবেশ ও দাপ্তরিক কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষাঅনুরাগী ও অভিভাবকরা জানান, প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং শিক্ষার মান সমুন্নত রাখতে দ্রুত এই বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে বিধি মোতাবেক যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায়, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা রক্ষায় তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করবেন।

পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক মাসুমা আক্তার ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক শাহ আজিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, এসকল অভিযোগের কোন সত্যতা নেই।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফারহানা পারভীনের কাছে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, অভিযোগগুলো আমার কাছে খুবই হাস্যকর। আপনি এ ব্যাপারে ডিডি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ কলেজের কর্মচারীদের সাথেও কথা বলে বিষয়টি জানতে পারেন।

ময়মনসিংহ মহিলা (ডিগ্রি) কলেজের দাতা সদস্য মির্জা ফারজানা রহমান হোসনা জানান, এডহক কমিটি থেকে শুরু করে পুর্নাঙ্গ কমিটি হয়ে আসার পর থেকে প্রত্যেকটি সভায় আইন এবং বিধির বিপরীত যেন না হয় সে ব্যাপারে সদস্যমন্ডলীকে অবহিত করেছি, কিন্তু অন্যদের সম্মতি থাকলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের পরিপন্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেফারেন্সে এবং স্থানীয় প্রভাব দেখিয়ে জোরপূর্বক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদে ফারহানা পারভীনকে বহাল রাখার জন্য একপর্যায়ে মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী তার কথা বহাল রাখে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমি অসম্মতি জানিয়ে সভা বয়কট করে চলে আসি এবং সাংবাদিকসহ বিভিন্ন দ্বায়িত্বশীল মহলকে বিষয়টি অবগত করি। বর্তমানে গভর্নিং বডি’র একজন দাতা সদস্য হিসেবে সকলের সহযোগিতা কামনা করিছি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎশাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী জানান, আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। এটি একমাত্র গভর্নিং বডির পক্ষে চেয়ারম্যান সাহেবই বিস্তারিত বলতে পারবেন।

মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক একেএম শফিকুল ইসলাম জানান, এর আগে দেওয়া একটি নিয়োগ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বাতিল করেছিলেন। প্রথমে যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তিনি জ্যেষ্ঠ না হওয়ায় সেটি বাতিল হয়ে যায়। পরে গভর্নিং বডির সভাপতির অসুস্থতার কারণে বিষয়টি কিছুটা বিলম্বিত হয়। সভাপতি সুস্থ হয়ে ফিরে আসার পর সা¤প্রতিক বৈঠকে নতুন করে আলোচনা হয়।

তিনি আরও জানান, আপাতত একজনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই এনটিআরসিএ- এর মাধ্যমে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমান কমিটির সেই ক্ষমতা নেই। অযথা জটিলতা সৃষ্টি না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি একেএম আজহারুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।