বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ময়মনসিংহে পুলিশ কনষ্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া চলবে ১-৩ নভেম্বর পর্যন্ত: পুলিশ সুপার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪, ৩:৩৪ পিএম
ময়মনসিংহে পুলিশ কনষ্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া চলবে ১-৩ নভেম্বর পর্যন্ত: পুলিশ সুপার

ময়মনসিংহে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে ১ হতে ৩ নভেম্বর পুলিশ লাইন মাঠে নিয়োগ করা হবে।

 

ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার আজিজুল ইসলামের বরাত দিয়ে সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো হয় যে, ময়মনসিংহ জেলায় আগামী ১ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখ হতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এ নিয়োগ প্রক্রিয়া চলবে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত।

 

প্রাথীতা বাছাই শেষে প্রার্থী নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্তির লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করবেন। আগামী ১ থেকে ৩ নভেম্বর ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে শারীরিক যোগ্যতা যাচাই অর্থাৎ Physical Endurance Test (PET) অনুষ্ঠিত হবে।

 

শারীরিকভাবে যোগ্য প্রার্থীগণ আগামী ২২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ আগামী ২৯ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন।

 

এই সমগ্র নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচনের বিষয়ে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

 

তাই ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল প্রকার প্রতারক, দালাল কিংবা তাদের কোনো এজেন্ট কর্তৃক কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন বা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি হতে সাবধান থাকার জন্য সর্ব-সাধারণকে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

 

টিআরসি নিয়োগের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন ও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ব্যতীত অন্য কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন কিংবা মিথ্যা প্রতিশ্রুতির সাথে বাংলাদেশ পুলিশের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই।

 

সুতরাং, এ ধরনের কোনো প্রতারণামূলক ব্যক্তি বা চক্র থেকে সতর্ক থাকার জন্য সকলকে বিনীত অনুরোধ জ্ঞাপন করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই নিয়োগের যে কোনো পর্যায়ে এ ধরনের আর্থিক লেনদেন, প্রলোভন কিংবা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া মাত্রই তৎক্ষণাৎ নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার জন্য অথবা সরাসরি জেলা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ফোন নাম্বার ০১৩২০-১০৪০৯৮-এ অবহিত করার জন্য সর্ব-সাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।

 

সম্পূর্ণ যোগ্যতার ভিত্তিতে সৎ, সাহসী ও উপযুক্ত প্রার্থীকে টিআরসি পদে নিয়োগ প্রদানের স্বার্থে ‘সেবার ব্রতে চাকরি-শীর্ষক এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও সার্থক করার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণের জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা যাচ্ছে।

 

বিশেষ দ্রষ্টব্য : নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে কোন ব্যাগ, ইলেকট্রনিক ডিভাইস জাতীয় কোন কিছু নিয়ে প্রবেশ করা যাবেনা।

এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা এম.এস.এ আরেফিন।

এম.এস.এ আরেফিনের পিতার নাম মহিউদ্দিন মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৩ নং কুশমাইল ইউনিয়নের কুশমাইল ধামর কাচারি (নায়েব বাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা।

শিক্ষাজীবনে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ২০১৩ সালে ফুলবাড়িয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে ফুলবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি আনন্দমোহন কলেজের গণিত বিভাগ থেকে ২০১৬-১৭ সেশনে বিএসসি (সম্মান) এবং একই বিভাগ থেকে এমএসসি (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এম.এস.এ আরেফিন পূর্বে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি “লাইট অফ ট্রিমস ইউথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি” ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

তার এই নির্বাচনে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এম.এস.এ আরেফিন তার মেধা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবেন।

আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৩২ এম
আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা আছিফুজ্জামান অসীম। সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতায় আছিফুজ্জামান অসীম সবসময়ই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে মহানগর ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, আছিফুজ্জামান অসীম একজন পরিশ্রমী, সাহসী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

মো: সোহেল মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সরকারি ‘হালট’ (চলাচলের রাস্তা) অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং এর সঠিক সীমানা নির্ধারণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, তারাকান্দা উপজেলার কাকনী মৌজার ১০৪৩ নং দাগে একটি সরকারি হালট বিদ্যমান। এই রাস্তাটি কাকনী ফকির মার্কেটের পেছন থেকে জয়নালের বাড়ি হয়ে কাকনী পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পেছন পর্যন্ত বিস্তৃত। অভিযোগ উঠেছে যে, জনগুরুত্বপূর্ণ এই হালটটির অধিকাংশ অংশই বর্তমানে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে।

হালটটি দখল হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ এবং স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মূল রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় মানুষ নিরুপায় হয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে ঘুরে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে করে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “আগে এই রাস্তা দিয়ে সহজেই বাজার ও স্কুলে যাওয়া যেত। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় আমাদের অনেক দূর ঘুরে যেতে হচ্ছে, বিশেষ করে শিশুদের খুব কষ্ট হচ্ছে।”

আরেক বাসিন্দা রহিমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষ। এই রাস্তা আমাদের একমাত্র ভরসা ছিল। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।”

এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল হান্নান খান স্বাক্ষরিত এই আবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত সরকারি সার্ভেয়ার নিয়োগের মাধ্যমে জমি পরিমাপ করে হালটের সীমানা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। একই সাথে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।