শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

মিঠামইনে কৃষক তালিকা নিয়ে বিতর্ক, তদন্ত চান অভিযুক্ত কর্মকর্তাও

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ)।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:১১ এম
মিঠামইনে কৃষক তালিকা নিয়ে বিতর্ক, তদন্ত চান অভিযুক্ত কর্মকর্তাও

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলামও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গোপদিঘী ইউনিয়নের ৩৬২ জনের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তবে ওই তালিকায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বাদ দিয়ে অ-কৃষক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ৭ জুন ইউনিয়নের শতাধিক কৃষক উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, তালিকায় অনেক প্রকৃত কৃষকের নাম বাদ পড়েছে। অন্যদিকে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত কয়েকজন প্রবাসীর নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তালিকা প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম। তাদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নাম এবং সৌদি আরব ও মালয়েশিয়াপ্রবাসী দুই ব্যক্তির নামও তালিকায় রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “যারা বছরের পর বছর মাঠে কাজ করে ফসল হারিয়েছেন, তাদের নাম তালিকায় নেই। অথচ যারা কখনো কৃষিকাজ করেননি, তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এটি স্পষ্ট অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ।”

বিক্ষোভ শেষে কৃষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাই করে নতুন তালিকা প্রণয়ন, অভিযুক্ত কর্মকর্তার অপসারণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমি এককভাবে তালিকা তৈরি করিনি। আমি মাত্র ২৫টি নাম প্রস্তাব করেছি। বাকি নামগুলো ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা দিয়েছেন। আমার বিরুদ্ধে আনা ঘুষের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটনের স্বার্থে আমিও নিরপেক্ষ তদন্ত চাই।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইউএনও কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র কৃষকদের স্মারকলিপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। খাসাপুর গ্রামের দুদু মিয়া (৬০), মসুরিয়া গ্রামের শাহাদাত হোসেন (৩৭) ও পুরান বগাদিয়া গ্রামের হোসেন আলীসহ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে দাবি করেছেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তাজুল ইসলামকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের ভাষ্য, স্থানীয় বিএনপির একটি গ্রুপ এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় জড়িত রয়েছে।

তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ন্যায্য সহায়তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে আঘাত ও পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের মুখে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরদিন বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিষয়টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শারীরিকভাবে আঘাত করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় তারা।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ নিয়ে আলোচনা হলেও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কোনো সমাধান হয়নি। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলো হলো—শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক আঘাত বন্ধ করা, বিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।

তবে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিদ্যালয়ের পাশের ব্রিজে গিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। তখন তিনি তাদের ‘শুধু শাসন করেছেন’।

বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার বিষয়ে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।

রূপগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বাসায় কৃষকদলের অবৈধ পকেট কমিটির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৯ এম
রূপগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বাসায় কৃষকদলের অবৈধ পকেট কমিটির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের বাসায় উপজেলা কৃষক দলের খসড়া কমিটি ঘোষণার তীব্র প্রতিবাদে এই নেতার বিরুদ্ধেই সংবাদ সম্মেলন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল। গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের হোড়গাঁও বাজারের কৃষক দলের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের সভাপতি ডা. শাহিন মিয়া বলেন, কয়েকদিন আগে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের বাসায় কৃষক দলের খসড়া কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, এমন একটি ভিডিও ও সংবাদ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাসুরউদ্দিন বাচ্ছুও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জেলা কৃষক দল এ বিষয়ে কিছুই জানে না। এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনায় সুসংগঠিত কৃষক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের কমিটি বর্তমানে বিদ্যমান রয়েছে। আমি জেলা কৃষক দলের সভাপতি এবং উপজেলা কমিটির সভাপতি শাহ আলম বেপারী ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল। সারা বাংলাদেশের মধ্যে রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দল সফল, উজ্জীবিত ও সুসংগঠিত। এটা একটা চক্রান্ত, এরা বিএনপির মঙ্গল চায় না। পূর্বের রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের যে কমিটি ছিল, সেটিই এখনও বহাল রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ বা খসড়া কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সাংগঠনিক বিধিবিধান এবং অভিভাবক কমিটির সম্মতি অপরিহার্য। মূল দলের সভাপতি বা সম্পাদকের বাসভবনে জেলা বা কেন্দ্রীয় অনুমোদন ছাড়া সহযোগী সংগঠনের খসড়া কমিটি ঘোষণার ঘটনা দলের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ কোয়াটার-কোন্দল ও চেইন অব কমান্ড ভঙ্গের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। এতে স্থানীয় পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা তৈরি হতে পারে, যা আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও নির্বাচনী মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেন বিশেষজ্ঞরা।

‎ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়িতে শিশুসহ নিহত ৬; আহত অন্তত ২০

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
‎ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়িতে শিশুসহ নিহত ৬; আহত অন্তত ২০

‎ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্কে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। দ্রুত ভবন থেকে বের হতে গিয়ে পদদলিত ও ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।

‎সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনের লিফটের কন্ট্রোল রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের পাশাপাশি কন্ট্রোল রুম থেকে ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়লে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে গেলে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। এ সময় পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

‎নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন নেত্রকোনার পূর্বধলার হাজেরা বেগম (৫০), ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার শাহজাহান (৪০), রমজান (৩৮), জাহানারা (৫০) এবং তারাকান্দার কুলসুমা (৩৫)। নিহত অপরজন এক বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা শিশু।

‎অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল-মামুন ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎তবে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জাকিউল ইসলাম সোমবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আগুনে সরাসরি মৃত্যুর কোনো ঘটনা স্বীকার করেননি। হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা জানান, আগুনের ঘটনায় হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে এবং ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

‎ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, লিফটের কন্ট্রোলার মেশিনের বোর্ডে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট ও অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। কন্ট্রোল রুম থেকে বের হওয়া ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

‎খবর পেয়ে ময়মনসিংহ সদর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল ও ঈশ্বরগঞ্জসহ পাঁচটি ফায়ার স্টেশনের ১০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ভবনের বিভিন্ন তলায় তল্লাশি চালিয়ে আগুনের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

‎ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান বলেন, আগুন লাগার কারণ ও সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।