সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটি মারা গেছে

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫, ২:০৪ পিএম
মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশুটি মারা গেছে

মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার ৮ বছর বয়সী সেই শিশুটি মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে শিশুটি। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটি আজ ১৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে দুপুর ১টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এর সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রয়োগ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শিশুটির আজ সকালে তিনবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে, দুইবার স্থিতিশীল করা গেলেও তৃতীয়বার আর হৃৎস্পন্দন ফিরে আসেনি।

গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) মাগুরা শহরে বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিশুটি। পরের দিন তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে রাতেই পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

এরপর শুক্রবার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। সংকটাপন্ন শিশুটিকে গেল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিআইসিইউ) থেকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরদিন রোববার শিশুটিকে সিএমএইচে পেডিয়াট্রিক আইসিইউতে নেয়া হয়।

তাৎক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার: এস এম হুমায়ূন কবির

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম
তাৎক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার: এস এম হুমায়ূন কবির

ময়মনসিংহ বিভাগে খাদ্যের মান যাচাই ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ করা এ পরীক্ষাগারটি সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবির।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মেট্রোপলিটন কার্যালয়, ময়মনসিংহ।

উদ্বোধনকালে বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবির বলেন, মানুষের জীবন ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে খাদ্যের মান তদারকি করা হলেও এখন থেকে অভিযানের সময়ই ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারে খাদ্যের নমুনা তাৎক্ষণিক পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, এর ফলে ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য শনাক্ত করে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমও আরও জোরদার হবে।

বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, আধুনিক পরীক্ষাগার সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করেছে। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মেসেঞ্জারের ‘মিম’ থেকে মধ্যরাতে দুই হলে সংঘর্ষ

বাকৃবিতে মুখোমুখি দুই আবাসিক হল, ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৪, আতঙ্কে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম
বাকৃবিতে মুখোমুখি দুই আবাসিক হল, ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৪, আতঙ্কে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে দেওয়া ‘মিম’ পোস্টকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটি। সেই বিরোধই শেষ পর্যন্ত গড়াল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) দুটি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে। শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে বলে জানা গেছে।

শুধু দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষই নয়, এ ঘটনায় একটি হলের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অপর হলে গিয়ে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগও উঠেছে। রাতের সংঘর্ষে দুই হল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ঘটনাস্থলে যেতে হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র, প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের (ব্যাচ-৬৫) শিক্ষার্থীদের একটি অফিশিয়াল মেসেঞ্জার গ্রুপে। ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই গ্রুপে একটি ‘মিম’ পোস্ট করা হয়। পোস্টটি নিয়ে আপত্তি তোলেন এক শিক্ষার্থী। গ্রুপে এ ধরনের বার্তা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।

এ নিয়েই শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। প্রথমে বিষয়টি সীমাবদ্ধ ছিল কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সেই কথাকাটাকাটি দ্রুত ব্যক্তিগত বিরোধে রূপ নেয়। পরে একই অনুষদের বিভিন্ন শিক্ষার্থীর মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সেই বিরোধের রেশ গিয়ে পড়ে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হল থেকে বেরিয়ে আসেন। এতে ক্যাম্পাসে তৈরি হয় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, প্রথমে মাওলানা ভাসানী হলের একদল শিক্ষার্থী সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেন। পরে সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধ হয়ে মাওলানা ভাসানী হলে গিয়ে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে দুই হল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকে নিরাপত্তার আশঙ্কায় নিজ নিজ কক্ষে অবস্থান নিতে বাধ্য হন।

সংঘর্ষে আহত চার শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। অন্যদের হাত-পায়ে জখম হয়েছে। আহতদের অধিকাংশই মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আমিনুল মতিন বলেন, আহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা তিন থেকে চারজন। তাঁরা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। কাউকে হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন হয়নি।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হলেও অল্প সময়ের মধ্যে তা দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে রূপ নেয়। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারি ছিল কি না। একই সঙ্গে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা কীভাবে এত দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নিল, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, এক হলের শিক্ষার্থীরা অন্য হলে ভাঙচুর করেছে। তবে পরে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ঘটনার পর রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁদের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষ নিজ নিজ হলে ফিরে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে সংঘর্ষের ঘটনায় কারা জড়িত ছিল, ভাঙচুরের ঘটনায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি মেসেঞ্জার গ্রুপের তুচ্ছ বিতর্ক কীভাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে রূপ নিল, এর পেছনে কারা উত্তেজনা উসকে দিয়েছে এবং সংঘর্ষের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পদক্ষেপ কতটা কার্যকর ছিল এসব বিষয় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সামান্য বিরোধ যেন আবাসিক হলকেন্দ্রিক সংঘাতে রূপ না নেয়, সে বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি

ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদ বিতরণ ৫ আগস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১:১২ পিএম
ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদ বিতরণ ৫ আগস্ট

ময়মনসিংহে কর্মরত শতাধিক পেশাদার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ ও সম্মাননা অনুষ্ঠান আগামী ৫ আগস্ট (বুধবার) অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শহীদ আব্দুল জব্বার হলরুমে বিকেল ৪টায় আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ সুধী সমাবেশের।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) ও ময়মনসিংহ মহানগর প্রেস ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএমইউজে) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান।

আয়োজকরা জানান, গত ১৩ থেকে ১৫ জুন তিন দিনব্যাপী নিবিড় সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা তথ্য অফিস, ময়মনসিংহ (গণযোগাযোগ অধিদপ্তর) এবং আঞ্চলিক তথ্য অফিস, ময়মনসিংহ (তথ্য অধিদপ্তর)-এর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কর্মশালাটি পরিচালিত হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ময়মনসিংহে কর্মরত অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন। এতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, গণমাধ্যমের নীতি ও নৈতিকতা, তথ্য যাচাই এবং আধুনিক সাংবাদিকতার বিভিন্ন কৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আরিফ রেওগী এবং ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব সংস্কার কমিটির মুখ্য সংগঠক জহর লাল দে বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি স্মরণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তারা ময়মনসিংহে কর্মরত সকল গণমাধ্যমকর্মী ও সুধীজনকে নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।