বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা সাইফুল সহ গ্রেফতার-২০

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৫৮ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের  অভিযানে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও  আওয়ামীলীগ নেতা সাইফুল সহ গ্রেফতার-২০

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে ইং ১৯/০২/২০২৫ তারিখ গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ২০ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

এসআই(নিঃ) ফিরোজ আলী, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। সাইফুল আলম ফেরদৌস (৬০) (সহ সভাপতি ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগ), পিতা- মৃত ফয়েজুল্লাহ, মাতা-মৃত শামছুন্নাহার, সাং- কাটাখালি, জেল রোড, পুলিশ লাইন্স, ২। রেশমা আক্তার (৫০), (আওয়ামীলীগ নেত্রী ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, গফরগাঁও উপজেলা) , পিতা- মৃত আব্দুল মান্নান, স্বামী- আক্তারুজ্জামান, সাং- ২৭/ক আব্দুল মালেক সড়ক, কাচিঝুলি, ৩। মোঃ আব্দুল আল রাসেল (৩৮) (যুবলীগ নেতা), পিতা- মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, সাং- ২৭/ক আব্দুল মালেক সড়ক কাচিঝুলি, ৪। মোঃ রুবেল মিয়া (৩৫), (সিটি কর্পোরেশন ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক), পিতা-মৃত বাবুল মিয়া, মাতা-রোকিয়া বেগম, সাং-থানারঘাট, ৫। মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (৩৮), (ঘাগড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক), পিতা-মোঃ আঃ বারেক, মাতা-মোছাঃ ফরিদা খাতুন, সাং-মাইজহাটি, ৮নং ওয়ার্ড, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের’ কে কোতোয়ালী থানাধীন দাপুনিয়া বাজার এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই (নিঃ) পিন্টু কুমার রায়, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলায় ধৃত আসামী ১। সাগর মিয়া(৩২), পিতা-মৃত রঞ্জু মিয়া, মাতা-শাহিদা বেগম, সাং-পূর্বচনপাড়া, থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়নগঞ্জ, ২। শাহাদাত হোসেন বাবু (৩২), পিতা-জালাল গাজী, মাতা-শাহানা, সাং-চরপাড়া খালপাড়, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন তাজমহল মোড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) খায়রুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩২), (যুবলীগ নেতা), পিতা-মোঃ আঃ বারেক, মাতা-খুদেজা খাতুন, সাং-বাঘাডোবা, ২। মোঃ বিল্লাল হোসেন (৪০), (আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-মৃত আঃ রশিদ, মাতা-জীবনন্নেছা, সাং-বীর বওলা, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন অম্বিকাগঞ্জ বাজার এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) সজীব কোচ, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলার ১। মনিরুল কাইয়ুম হৃদয় (৩৩), পিতা-আব্দুল হাদী, মাতা-ছালমা বেগম, সাং-৯৬/বি/২ নির্মল আবাসন পুরোহিতপাড়া, ২। বিপ্লব (৩০), পিতা-মৃত সুলতান মিয়া, মাতা-মাজেদা খাতুন, সাং-সানকিপাড়া শেষ মোড়, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চরপাড়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) জাহিদুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ডাকাতির চেষ্টা মামলার আসামী ১। নুরুল আমিন নুরু ওরফে লাল চাঁন (৩০), পিতা-সুলতান ওরফে মদন আলী, মাতা-রেজিয়া খাতুন, সাং-কৃষ্টপুর আলীয়া মাদ্রাসা, ২। মোঃ রাজীব (২৯), পিতা-আঃ রহিম, মাতা-ফাতেমা, সাং-কৃষ্টপুর, ৩। রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রিয়াজ (২৯), পিতা-মোঃ ফজলুল হক, সাং-কালীবাড়ী রোড, ৪। সোহেল হাসান ওরফে ধইন্যা (৩১), পিতা-মৃত আঃ বারেক, মাতা-পারভীন আক্তার, সাং-কালীবাড়ী রোড, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের’কে কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এএসআই(নিঃ) নাজমুল হক, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। সুজন (২৫), পিতা-মৃত বাবুল, সাং-চর কালীবাড়ী মিলগেইট বাজার, ২। রুমান (৪২), পিতা-শাহজাদা, সাং-কৃষ্টপুর নায়েবের তিনতলা পাশে, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এএসআই(নিঃ) আনছার আলী, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। সামাদুল মীর (৬৫), পিতা-ইসমাইল মীর, মাতা-আমেনা খাতুন, সাং-রঘুরামপুর সবজিপাড়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

ইহাছাড়াও এএসআই (নিঃ) আয়েছ মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ০২ টি সিআর পরোয়ানাভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেন।

পরোয়ানাভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা-

১। মোঃ ফরিদ আহমেদ (শ্রভ্র) (৩২), পিতা-ফখরুদ্দিন, স্থায়ী: গ্রাম- বিজয়নগর, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা –ময়মনসিংহ

২। মোঃ ফরহাদ হোসেন (শান্ত) (২৪), পিতা-ফখরুদ্দিন, স্থায়ী: গ্রাম- বিজয়নগর, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২:২৫ পিএম
শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

রাজধানীর শ্যামপুর থানা শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানমের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, বই বিতরণ-সংক্রান্ত বরাদ্দে অনিয়ম এবং তদন্ত কার্যক্রমে গাফিলতির অভিযোগ এনে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে শ্যামপুরের দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, তদন্ত কার্যক্রমে অস্বাভাবিক বিলম্বের কারণে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া ধীরগতিতে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন ‘স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ আয়োজনেও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্যকে প্রধান অতিথি হিসেবে রাখার কথা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তিন ব্যক্তির পৃথক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের সুপারিশ করা হলেও পরবর্তী পর্যায়ে কেবল একজনের অভিযোগ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

এ ছাড়া বছরের পর বছর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তারা বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্যামপুর থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানম। তিনি বলেন, “আমি সরকারি বিধি-বিধান মেনেই দায়িত্ব পালন করছি। প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রমে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। সরকারি কোনো নির্দেশনা অমান্য করার প্রশ্নই আসে না।”

এ বিষয়ে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, “শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। আমার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করা বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল শিক্ষা খাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম
ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চক শ্যামরামপুর এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি করে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে প্রশাসন। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ সাব্বির হুসাইনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, কারখানাটি পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। এছাড়া কারখানার কার্যক্রমের কারণে স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছিল।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬(গ) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে মোবাইল কোর্টে দায়ের করা দুটি মামলায় দুই ব্যক্তিকে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ সময় নদীতীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা অস্থায়ী সিসা কারখানাটি উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সিসা গলানোর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও জব্দ করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এ ধরনের অবৈধ শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি জালিয়াতি চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদিরের স্বাক্ষর নকল করে জাল দলিল তৈরি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দলিল নিবন্ধনের সময় নথিপত্র যাচাই করতে গিয়ে বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান জালিয়াতির বিষয়টি শনাক্ত করেন। সন্দেহ হলে তিনি নথি আরও গভীরভাবে পরীক্ষা করেন এবং একপর্যায়ে অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করেন।

পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ব্যক্তিকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে জালিয়াতি চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।

সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, “দলিল নিবন্ধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। কোনো ধরনের জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না।”

তিনি দলিল নিবন্ধনের সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান।