রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬, ২৫ ১৪৩২
রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬, ২৫ ১৪৩২

ময়মনসিংহে শম্ভুগঞ্জে প্রতারক চক্রের কবলে ব্যবসায়ী আহসান হাবিব : থানায় মামলা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪, ২:২১ এম
ময়মনসিংহে শম্ভুগঞ্জে প্রতারক চক্রের কবলে ব্যবসায়ী আহসান হাবিব : থানায় মামলা

ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে ব্যবসায়ী আহসান হাবিব নামের এক ব্যবসায়ীর ২৮ লক্ষ টাকার মালামাল লুটে নিয়েছে প্রতারক সানি গংরা।

 

মালামাল লুটের অভিযোগে ব্যবসায়ী আহসান হাবিবের পক্ষে তার স্ত্রী লুৎফুন্নাহার নিপু বাদী হয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা অভিযোগ দায়ের করেছে। কোতোয়ালী থানা মামলা নং ৩২ তাং ১১-১২-২০২৪ ইং।

 

বাদীর অভিযোগে দুইজনকে নামীয় এবং অজ্ঞাত নামা ৫ জন সহ ৭ জনকে আসামী করা হয়। নামীয় আসামীরা হলেন, ১/ বদরুদ্দোহা সানি (৩২), পিতা-মোঃ নুরুল হক, মাতামৃত-বিলকিস আক্তার, সাং- দুয়াইন, খানা ঈশ্বরগঞ্জ, জেলা-মযমনসিংহ, এপি/সাং-গজারিয়া পাড়া, থানা-গাজীপুর সদর, জেলা-গাজীপুর এর নেতৃত্বে ২/ মোছাঃ রিংকী আক্তার (৩০), পিতা-আব্দুল সামাদ, স্বামী মোঃ বদরুদোহা সানি, সাং-সাফরভা উয়াশী পাইকপাড়া, খানা-মির্জাপুর, জেলা-টাংগাইল, এপি/সাং-দুম্বাইল, খানা-ঈশ্বরগঞ্জ, জেলা-ময়মনসিংহ।

 

মামলার বাদী জানান, আমার স্বামী আহসান হাবিব (৪০) একজন ব্যবসায়ী। তিনি ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল খানাধীন শম্ভুগঞ্জ নতুন পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন নিজস্ব বিল্ডিং এ বিভিন্ন কোম্পানীর ডিলারশিপ নিয়া ব্যবসা পরিচালনা করিয়া আসিতেছে। ০১নং বিবাদী বিগত ৩ বছর পূর্বে আমাদের ডিলার পয়েন্টে ম্যানেজার হিসাবে যোগদান করেন এবং আমার স্বামীর ব্যবসায়িক নিয়ম মোতাবেক প্রতিমাসের হিসাব সম্পন্ন করেন। বিবাদীদ্বয় আমাদের ডিলারশিপের একটি রুমে ভাড়ায় বসবাস করেন। আমার স্বামী নভেম্বর মাসের ১ম সপ্তাহে শারীরিক ভাবে অসুস্থ হইয়া হাসপাতালে ভর্তি থাকায় নভেম্বর মাসে ব্যবসার কোন খোজখবর নিতে পারননি।

 

এরই সুযোগে গত ০১/১২/২০১৪ ইং তারিখ রবিবার সকাল অনুমান ০৭.০০ ঘটিকার সময় আমাদের নিজেস্ব বিল্ডিং এর সামনে দিয়া আমার প্রতিবেশী মোঃ আবুল কালাম (৪৫), পিতামৃত-মতি মেম্বার, সাং-রাঘবপুর, থানা-কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ যাওয়ার সময় দেখতে পায় যে, আমাদের ডিলারশিপ পয়েন্টের সামনে ০১নং ও ০২নং বিবাদীদ্বয় অজ্ঞাতনামা বিবাদীদের সহায়তায় ট্রাক গাড়ীতে ডিলারশিপের মালামাল উঠাইতেছে। তখন আমার প্রতিবেশী আবুল কালাম আগাইয়া গেলে ০১নং ও ২নং বিবাদীদ্বয় সহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা জনৈক আবুল কালামকে দেখিয়া ট্রাক গাড়ী সহ মালামাল নিয়া দ্রুত চলিয়া যায়। তখন আমার প্রতিবেশী আবুল কালাম আমার স্বামীকে জানাইলে আমার স্বামী সহ সাক্ষীরা ডিলারশিপ পয়েন্টে যাইয়া দেখে সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তখন আমার স্বামী ডিলারশিদ পয়েন্ট ভাল ভাবে পর্যাবেক্ষন করিয়া দেখে ৭০ কাটুন ওরস্যালাইন, যাহার মূল্য ১,৭৮,৫০০/- (এক লক্ষ আটাত্তর। হাজার পাঁচশ টাকা, ৪০ কার্টুন চকলেট, যাহার মূলা ৭২,০০০/- (বাহাত্তর হাজার) টাকা, ০১টি ফ্রিজ ও ০১টি বক্স খাট, যাহার মূল্য ৮৫,০০০/- (পচাশি হাজার) টাকা এবং নভেম্বর মাসের আমদানীর নগদ ২৫,০০,০০০/ (পঁচিশ লক্ষ) টাকা সহ সর্ব মোট ২৮.৩৫,৫০০/- (আটাশ লক্ষ পয়ত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা নাই। তখন আমার স্বামী ০১নং বিবাদীর মোবাইলে ফোন করিলে তাহার ফোন নম্বরটি বন্ধ পায়। ০১নং বিবাদী আমাদের ডিলারশিপের কর্মচারী হয়েও ০২নং বিবাদী সহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীদের সহায়তায় আমার স্বামীর সরলতা সুযোগ নিয়া অসাধুভাবে সর্ব মোট ২৮,৩৫,৫০০/- (আটাশ লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা আত্মসাৎ করতঃ প্রতারনা করিয়াছে। আমি উল্লেখিত ঘটনার আমার স্বামী সহ পরিবারের লোকজনদের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করেছি।

 

এব্যাপারে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইন-চার্জ জানান, অভিযোগের বিষয়টি প্রাথমিক ভাবে সত্যতা পেয়েছি। এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কোতোয়ালী থানার মামলা নং ৩২ তাং ১১-১২-২০২৪ ইং রুজু করা হয়েছে।

ময়মনসিংহে ৬ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

গৌরীপুর প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ১:০৭ এম
ময়মনসিংহে ৬ হাজার ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নাসিমা আক্তার কনা (৩৬) নামে এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে গৌরীপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে এসআই মো. মহসীন হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে অবস্থান নেয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক নারী দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে সঙ্গীয় নারী কনস্টেবলের সহায়তায় তাকে একটি হলুদ রঙের শপিং ব্যাগসহ আটক করা হয়।

পরে ব্যাগটি তল্লাশি করে ৩০টি সবুজ রঙের জিপার প্যাকেটে রাখা মোট ৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা। গ্রেফতারকৃত নাসিমা আক্তার কনা গৌরীপুর পৌরসভার নতুন বাজার এলাকার আব্দুল আজিজ সরদারের মেয়ে এবং ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানার আকুয়া বাইপাস এলাকার জুলহাস মিয়ার স্ত্রী।

এ ঘটনায় এসআই মো. মহসীন হাসান বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।