বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে তরুণদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি হবে:নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৪, ৩:১৫ পিএম
ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হলে তরুণদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি হবে:নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন

তরুণদের প্রত্যাশা কড়ায় গন্ডায় বুঝিয়ে দিয়ে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। নতুন ভুল করবো না। কারণ এই জিনিসগুলো করলে মানুষ ধিক্কার দেবে। আমাদের সেই সুযোগই নেই। আমরা শহীদের রক্তের ওপর দিয়ে দায়িত্ব নিয়েছি। সুতরাং আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করবো না, দেশে সঠিক ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করবো।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) নগরীর নিউ ইস্কাটনে নিজ বাসভবনে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেন নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।

 

দায়িত্ব নিয়ে প্রথমে কোন বিষয়গুলো গুরুত্ব দেবেন?

তরুণদের প্রত্যাশা কড়ায় গন্ডায় বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো। জাতিকে যেন একটা অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ভোটাধিকার উপহার দিতে পারি। সর্বশক্তি দিয়ে এ চেষ্টা করবো। সবার সহযোগিতা নিয়েই আমি নির্বাচনটা করতে চাই। আমি মনে করি নিয়ত যদি সহি থাকে মনের মধ্যে ভেজাল যদি না থাকে তবে এ ধরনের কাজ করা সম্ভব। জাতি প্রমাণ করেছে সঠিক নির্বাচন করা সম্ভব। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে মানুষ কিন্তু তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে। তেমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করবো। সঠিক ভোট আয়োজনের সব সুযোগ আছে। আমরা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। রাজনৈতিক দলগুলো বছরের পর বছর এই একটা দাবিতে লড়াই করেছে। সবাই যেহেতু চাচ্ছে সবাইকে নিয়ে এ কাজটি করবো।

 

বর্তমান সময়কে কীভাবে মূল্যায়ন করছেন?

আমি তো আগে দায়িত্ব নেইনি, সুতরাং আগের কথা বলতে পারবো না। তাদের কী ধরনের চাপ ছিল তাও বলতে পারবো না। তবে আমি বুঝতে পারছি আমার দায়িত্বটা অনেক বেশি হবে। এটা কিন্তু বঞ্চনার ব্যাকগ্রাউন্ড! মানুষ যখন বঞ্চিত থাকে তখন প্রত্যাশা অনেক বেড়ে যায়। তবে চ্যালেঞ্জ নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবো।

 

ইভিএম নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

মেয়র নির্বাচনে একবার ভোটকেন্দ্রে গেলাম সালটা মনে হয় ২০১৮ হবে। তখন এক ভদ্রলোক পাশে এসে বলেছিল স্যার আমাকে একটা ভোট দিয়েন। ইভিএম একটা টেকনিক্যাল বিষয়। এটার ভালো-মন্দ দিক নিয়ে আমি চিন্তা করিনি। কোন দেশে ইভিএম আছে বা নেই এটা নিয়েও আমি কিছু দেখিনি। আগে দায়িত্বটা নেই তারপর বোঝার চেষ্টা করি। তাছাড়া সংস্কার কমিশন কাজ করছে। বদিউল আলম মজুমদার সাহেব ভালো কাজ করছেন। তারা আমাদের অনেক কাজ সহজ করে দিচ্ছেন বা এগিয়ে দিচ্ছেন।

 

আওয়ামী লীগসহ সমমনা দলগুলোর নির্বাচনে আসা না আসা নিয়ে কী বলবেন?

এটা নিয়ে অনেক বিতর্ক হচ্ছে, আপনারা দেখছেন। বিতর্কের আগে ফয়সালা হোক, আপনারাও দেখবেন একটা মীমাংসা তো আসবেই। তবে এই মুহূর্তে আমি এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি না।

ফ্যাসিবাদের দোসরদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হবে, না জনগণকে মূল্যায়নের ভার দেওয়া হবে?

এটা নিয়ে এই মুহূর্তে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এটার একটা ফয়সালা হবে নিশ্চয়। নির্বাচন সামনে, নিশ্চয় একটা সিদ্ধান্ত হবে। তখন আপনারা দেখতে পারবেন। তখন আপনারা দেখবেন আমিও দেখবো।

 

কোন বিষয়গুলোতে আপনি বেশি গুরুত্ব দেবেন?

আগে দায়িত্ব বুঝে নেই, তারপর দেখি। স্থানীয় নির্বাচন করতে গেলেও একই প্রস্তুতি লাগবে। সঠিক ভোটার তালিকা নিয়ে কাজ করতে হয়। পাঁচ থেকে ছয়টা ভোটার তালিকা করতে হয়, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, মেয়র থেকে শুরু করে নানা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে।

 

রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন নিয়ে আপনার ভাবনা কী?

পত্র-পত্রিকায় যা দেখছি রাজনৈতিক দলগুলো তাড়াতাড়ি নির্বাচন চাচ্ছে বলে আমার মনে হয়। মনে হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় নির্বাচন আগে চায়।নির্বাচনের কাজটা ইসি একা পারে না। ভোটের সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত। ভোটার তালিকা করার একটা ব্যাপার আছে। জেন-জি আন্দোলন করলো, তাদের ভোটার করতে হবে ইত্যাদি নানা ধরনের কাজ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের জন্য রেডি করার চেষ্টা করবো। প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে তিনি যাবেন না।

আমি তিনটি মন্ত্রণালয় চালিয়েছি। সবাই একদলের সমর্থক না। কেউ এই দলে দিয়েছে কেউ ওই দলে দিয়েছে। আমি আগে বুঝে নিই তারপর দেখবো। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাদের আছে।

 

নতুন যারা নির্বাচন কমিশনার হয়েছেন তাদের আপনি কতটা জানেন?

তাদের আমি চিনি না। আমি আপনাদের মতোই মিডিয়ায় দেখেছি। সবার সঙ্গে পরিচয় হবো। আমরা মিটিংয়ে বসবো। কাজ শুরু করলে বুঝতে পারবো কী কী সুবিধা-অসুবিধা আছে, কোথায় কোথায় গ্যাপ আছে। ধীরে ধীরে দিন যত যাবে ততই অভিজ্ঞতা হবে। আমার একটা বিশাল সুবিধা আছে সেটা হলো নির্বাচন সংস্কার কমিশন অনেক কাজ এগিয়ে দিয়েছে। ওনারাই সব কিছু রেডি করছেন আমাদের কোথায় কোথায় কাজ করতে হবে। কোথায় কোথায় গলদ আছে আমার আর গবেষণা করার দরকার হবে না।

 

নতুন এ দায়িত্ব কী চ্যালেঞ্জ আছে বলে মনে করছেন?

এদেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই বড় চ্যালেঞ্জ। একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে চাই। সাম্প্রতিককালে অনেক মানুষ শহীদ হয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ পঙ্গু হয়েছেন। কারও চোখ চলে গেছে, কারও হাত কারও পা চলে গেছে। গত ১৫-১৬ বছরে কত লোক জান দিয়েছেন তা আমরা দেখেছি। অনেক মানুষ খুন হয়েছে, গুম হয়েছে, আমরা সবাই জানি। অনেকগুলো দাবির মধ্যে একটা মূল দাবি ছিল মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। মানুষ মুক্ত পরিবেশে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চেয়েছে।

 

২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে মানুষ ভোটের অধিকার থেকে দূরে ছিল। যাদের বয়স ২০১৪ সালে ১৮ বছর ছিল তাদের বয়স এখন ২৮ বছর হয়ে গেছে। তারা কিন্তু ভোট দেওয়ার সুযোগটা পায়নি। আমাদের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিরাট একটা ক্ষোভ আছে। তরুণ প্রজন্মের আত্মত্যাগের অন্যতম লক্ষ্য কিন্তু ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের দায়িত্বটা অনেক বেশি। মানুষ অনেক রক্ত দিয়েছে। আমরা যদি ব্যর্থ হই তরুণদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হবে। এদের রক্তের সঙ্গে মোনাফেকি করা হবে। এই বেইমানি আমরা করতে পারবো না। এই বয়সে এসে এই বেইমানি করার মতো মন-মানসিকতা আমাদের নেই।

 

আপনার সিইসি হওয়ার প্রস্তাবটা বিএনপি দিয়েছে এমন কথা শোনা যাচ্ছে?

কে প্রস্তাব দিয়েছে বা দেয়নি এটা আমার জানা নেই। এমনকি আমার কবে শপথ তাও জানি না। শুধু মিডিয়ায় দেখলাম খবরটি।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।