শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে আট দিনব্যাপী বিভাগীয় বইমেলা উদ্বোধন 

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:৪৮ পিএম
ময়মনসিংহে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে আট দিনব্যাপী বিভাগীয় বইমেলা উদ্বোধন 

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলা-২০২৪ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকালে নগরীর টাউনহল প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে আট দিনব্যাপী অনুষ্ঠেয় বইমেলার উদ্বোধন করা হয়।

 

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায়, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত বইমেলা ১৫-২২ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

 

বইমেলা-২০২৪ এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর বক্তব্য প্রদানের সূচনা করেন। তিনি বলেন, জ্ঞানের মাধ্যম হচ্ছে বই। অনলাইন সংস্করণ নয়, বরং চোখ দিয়ে যখন বই পড়া হয়, তখন তা হৃদয়ের সাথে, মননশীলতার সাথে একীভূত হয়। কাজেই মুদ্রিত বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। বই মানুষের আত্মাকে পৃথিবীব্যাপী ব্যাপ্ত করতে পারে। বইয়ের মতো অকৃত্রিম বন্ধু আর কেউ হতে পারে না। প্রাণের মেলা, মিলন মেলা, বই মেলা সফল করতে তিনি পাঠকসহ সর্বমহলের সহযোগিতা কামনা করেন।

 

বইমেলার উদ্‌বোধনী দিনে মেলা চত্বরে পুস্তকপ্রেমীদের দেখা মেলে। তারা বিভাগীয় পর্যায়ে বইমেলা আয়োজনের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রতিবছর বইমেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহের, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলা-২০২৪ এ ৮টি সরকারি, ৫৭ টি বেসরকারি ও ৬টি সেবাধর্মী স্টল ও প্রকাশনা সংস্থা অংশগ্রহণ করছে।

 

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) তাহমিনা আক্তার, ময়মনসিংহ রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ শরিফুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাহফুজুল আলম মাসুম, জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুর রব মোশাররফ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ বিভিন্ন স্তরের পাঠক, নগরবাসী উপস্থিত ছিলেন।

 

আট দিনব্যাপী বইমেলা-২০২৪ এর প্রতিদিনের অনুষ্ঠানের শুরুতে ময়মনসিংহ বিভাগে জুলাই-২৪ আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন এবং শহীদদের জীবনী নিয়ে আলোচনা করা হবে।

 

বইমেলার অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, ১৫ নভেম্বর উদ্‌বোধনী পর্ব ও আলোচনা সভা, ১৬ নভেম্বর কচিকাঁচার উৎসব, ১৭ নভেম্বর উপস্থিত বক্তৃতা ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, ১৮ নভেম্বর রচনা প্রতিযোগিতা, ১৯ নভেম্বর সেমিনার, ২০ নভেম্বর কুইজ প্রতিযোগিতা, ২১ নভেম্বর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং ২২ নভেম্বর (শুক্রবার) সমাপনী পর্ব এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বইমেলা চলাকালীন প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে।

‎ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৪ পিএম
‎ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৫

‎ময়মনসিংহে ডিজিএফআই, ওয়ারেন্ট অফিসার, ডিবি পুলিশের এসআই, পুলিশ কর্মকর্তা ও যৌথবাহিনীর সদস্য পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

‎শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলাকালে তাদের আটক করা হয়। কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

‎পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিরা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একপর্যায়ে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলেও প্রাথমিকভাবে অভিযোগ ওঠে।

‎বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়। পরে পাঁচজনকে আটক করা হয়। তাদের ব্যবহৃত পরিচয়, কথিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ের সত্যতা এবং ঘটনাটির প্রকৃত উদ্দেশ্য যাচাই করছে পুলিশ।

‎পুলিশ সূত্র জানায়, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের ডিজিএফআই, ওয়ারেন্ট অফিসার, ডিবি পুলিশের এসআই, পুলিশ কর্মকর্তা ও যৌথবাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়ার বিষয়টি তদন্তে এসেছে। তবে তারা সত্যিই কোনো বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, নাকি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছিলেন তা যাচাই করা হচ্ছে।

‎এ ছাড়া ওই ব্যক্তিকে কেন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, এর পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না এবং আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কার কী ভূমিকা ছিল, সেসব বিষয়েও তদন্ত চলছে।

‎পুলিশ আরও জানায়, আটকদের প্রকৃত পরিচয়, পারস্পরিক সম্পর্ক, ব্যবহৃত পরিচয়ের সত্যতা এবং কথিত অপহরণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে ভুয়া পরিচয় ব্যবহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো সরঞ্জাম বা আলামত উদ্ধার হয়েছে কি না, তাও যাচাই করা হচ্ছে।

‎কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঘটনাটি শনাক্ত করে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

‎পুলিশ সূত্র আরও জানায়, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

‎আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি দেখানো, জোরপূর্বক তুলে নেওয়া বা অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করা হলে তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অষ্টগ্রামে ‘হাওরাঞ্চল গ্রন্থাগার সংযোগ-২০২৬’ নিয়ে মতবিনিময়

মোক্তার হোসেন গোলাপ, হাওর অঞ্চল।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
অষ্টগ্রামে ‘হাওরাঞ্চল গ্রন্থাগার সংযোগ-২০২৬’ নিয়ে মতবিনিময়

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়ন ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘হাওরাঞ্চল গ্রন্থাগার সংযোগ-২০২৬’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় হাওরাঞ্চলে ভাসমান নৌ-পাঠাগার স্থাপন, স্থানীয় পর্যায়ে পাঠক তৈরি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বই ও তথ্য-জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অষ্টগ্রাম জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সহযোগিতা এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সভাপতি মো. রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার বর্মনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপপরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিন সরকার। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোবারক হোসেন।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপগ্রন্থাগারিক রাসেল রানা, অষ্টগ্রামের স্বপ্নীল গণগ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগর, মিঠামইনের হাওর পাবলিক লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা ওমর ফারুকসহ অন্যরা।

সভায় বক্তারা বলেন, হাওরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রন্থাগারগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দুর্গম হাওর এলাকার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছে বই ও তথ্য-জ্ঞান পৌঁছে দিতে ভাসমান নৌ-পাঠাগার চালুর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পাঠক তৈরির উদ্যোগ, বই পড়ার সংস্কৃতি বিস্তৃত করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়েও সভায় আলোচনা করা হয়।

মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে আঘাত ও পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের মুখে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরদিন বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিষয়টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শারীরিকভাবে আঘাত করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় তারা।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ নিয়ে আলোচনা হলেও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কোনো সমাধান হয়নি। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলো হলো—শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক আঘাত বন্ধ করা, বিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।

তবে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিদ্যালয়ের পাশের ব্রিজে গিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। তখন তিনি তাদের ‘শুধু শাসন করেছেন’।

বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার বিষয়ে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।