বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মসিকের কাঁচিঝুলি’তে লে-আউট নকসা ও প্লান অমান্য করে বহুতল ১০তলা ফাতিহা ভবন নির্মাণ করায় অপসারণের নির্দেশ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:২২ পিএম
মসিকের কাঁচিঝুলি’তে লে-আউট নকসা ও প্লান অমান্য করে বহুতল ১০তলা ফাতিহা ভবন নির্মাণ করায় অপসারণের নির্দেশ

ময়মনসিংহে কাচিঝুলি গোলাপজান রোডে সিনিয়র সাংবাদিক সাইদুর রহমান বাবুলের বাসার পাশে ডঃ মাহবুবুর রহমান গং শিক্ষক চাকুরিজীবী ব্যাবসায়ীদের সিন্ডিকেট বিল্ডিং কোর্ডের নিয়ম নিতীমালার কোন তোয়াক্কা না করেই অনুমোদিত লে-আউট নকসা ও প্ল্যান অমান্য করে বহুতল ১০ (দশ তলা) ফাতিহা ভবন নির্মাণ করায় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় বর্ধিত অংশ অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন ময়মনসিংহ বি. সি কমিটি ও সিটি কর্পোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ।

 

ময়মনসিংহে অপরিকল্পিত বহুতল ভবন নির্মাণ করার অনেক অভিযোগ রয়েছে ব্যক্তি মালিকানা এবং বিভিন্ন হাউজিং নির্মাণ প্রতিষ্ঠান গুলির বিরুদ্ধে যাদের অনেকেই সিটি কর্পোরেশনের বিল্ডিং কোড নিয়ম নীতিমালা উপেক্ষা করে যে যার মতো অধিক মুনাফা অর্জন করার জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন কতিপয় সিন্ডিকেট করে।

 

যাহার দরুণ ভূমির পরিমান ও ভবনের তলার উচ্চতা অনুসারে অনুমোদিত লে-আউট নকসা ও লে-আউট প্লান অমান্য করে বিল্ডিং কোর্ডের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর হিরিক পরে গেছে।

 

অনুমোদিত নকশার ইনডোর, আউটডোরে ব্যাপক গরমিল করে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করা নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

 

এছাড়াও সরকারের ভিপি সম্পত্তিতে গৌরহরী বহুতল ভবন নির্মাণের অনুমোদনের সফলতা দেখিয়েছেন এই সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্টরা, এ সকল সংবাদ প্রকাশিত হলেও দুর্নীতিগ্রস্তরাই দায়িত্বে থাকায় তদন্তের নামে চিঠি চালাচালি করলেও দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না।

 

রবিবার (১৩ অক্টোবর) ২০২৪ তারিখে নিয়ম বহির্ভূত একটি বহুতল ভবন নির্মাণের ঘটনাস্থলে পরিদর্শন কালে সিনিয়র সাংবাদিক সাইদুর রহমান বাবুল ঐ ভবনের তদন্ত সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র দেখালেন যা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ময়মনসিংহ বি.সি. কমিটি কর্তৃক ডঃ মুহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান গং, ১৩/ক গোলাপজান রোড, কাঁচিঝুলি, সদর, ময়মনসিংহ যার বিআরএস দাগ নং-৪৬৬, ৪৬৮, খতিয়ান নং বিআরএস -৩৪৪০, জেএল নং-৭৪, মৌজা-গোহাইলকান্দি এর নির্মানাধীন ০৯ (নয়) তলা আবাসিক ভবনের লে-আউট নকশা ও প্লান অনুমোদন দেয়া হয়।

 

নির্মাণাধীন বহুতল ভবনটির বিযয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক সভাপতি বিসি কমিটি বরাবরে অভিযোগ করা হলে ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগ এর মাধ্যমে ভবনটি সরেজমিনে পরিদর্শন ও পরিমাপ করা হয়। বি.সি কমিটির তদন্তে দেখা যায় অনুমোদিত লে-আউট নকশা অনুযায়ী উক্ত ভবনের সম্মুখে ছাড়তে হবে ১.৫০ মিটার কিন্তু ছাড়া হয়েছে ০.৩০ মিটার, দুই পাশে ছাড়তে হবে ১.২৫ মিটার করে কিন্তু ছাড়া হয়েছে ০.৩০ মিটার এবং পিছনে ছাড়তে হবে ২.০০ মিটার কিন্তু ছাড়া হয়েছে ০.৩০ মিটার যাহার অনুমোদিত লে-আউট নকশা অনুযায়ী ছাড়া হয়নি। যাহাতে অনুমোদিত লে-আউটের ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে।

 

এছাড়াও ০৯ (নয়) তলা আবাসিক ভবনের লে-আউট প্লান অনুমোদন নিয়ে ডঃ মুহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান গং, ১০ (দশ তলা) নির্মাণ করেছেন। অনুমোদন বহির্ভূত নির্মিত ১০ (দশ তলা) অপসারণ এবং অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যানের সেট-ব্যাগ অনুযায়ী বর্ধিত অংশ অপসারণ করার জন্য জেলা প্রশাসক কাগজপত্র পর্যালোচনা করেছেন এবং তদন্তে সন্তোষ প্রকাশ পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা ‘কে অনুরোধ ক্রমে নির্দেশ দেন।

 

সিটি কর্পোরেশন নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাস ও গণপূর্ত বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ জিলুর রহমান সিদ্দিকী সদস্য সচিব বি.সি কমিটি ময়মনসিংহ সংশ্লিষ্টদের পত্র প্রেরণের মাধ্যমে একাধিক বার আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রকৃয়া অব্যাহত থাকলেও সাবেক মেয়র ইকরামুল হক টিটু এই অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে বাদী ‘কে অজ্ঞাত কারণে ৩ মাস অপেক্ষা করতে সময় নেওয়ার পরেও অজ্ঞাত কারণে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় জনমনে বিভিন্ন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

 

অবশেষে এই বিষয়ে বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বরাবরে উপরোক্ত সমস্ত কাগজ পত্র দাখিল করলে তিনি এই ফাতিহা ভবনটি নির্মাণে বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং মানস বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক পত্রে মাহবুবুর রহমান গং বিবাদী পক্ষ’কে উক্ত ফাতিহা ভবন এর সকল বর্ধিত অংশ ১৫ দিনের মধ্যে ভেঙ্গে অপসারণ করে সিটি কর্পোরেশন’কে অবহিত করা সহ ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ ক্রমে নির্দেশ দিয়েছেন ।

 

এছাড়াও সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহের দুর্নীতিগ্রস্থদের চিহ্নিত করা সহ অভিলম্ভে অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যান নকশা অনুযায়ি বর্ধিত অংশ অপসারণ ও বিল্ডিং কোর্ড আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নগরবাসী কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২:২৫ পিএম
শ্যামপুরে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

রাজধানীর শ্যামপুর থানা শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানমের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, বই বিতরণ-সংক্রান্ত বরাদ্দে অনিয়ম এবং তদন্ত কার্যক্রমে গাফিলতির অভিযোগ এনে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে জেলা শিক্ষা অফিস থেকে শ্যামপুরের দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিলেও এখন পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, তদন্ত কার্যক্রমে অস্বাভাবিক বিলম্বের কারণে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া ধীরগতিতে পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন ‘স্টার্ট-আপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ আয়োজনেও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্যকে প্রধান অতিথি হিসেবে রাখার কথা থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তিন ব্যক্তির পৃথক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের সুপারিশ করা হলেও পরবর্তী পর্যায়ে কেবল একজনের অভিযোগ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

এ ছাড়া বছরের পর বছর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। তারা বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্যামপুর থানা শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা খানম। তিনি বলেন, “আমি সরকারি বিধি-বিধান মেনেই দায়িত্ব পালন করছি। প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে দোলাইরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রমে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। সরকারি কোনো নির্দেশনা অমান্য করার প্রশ্নই আসে না।”

এ বিষয়ে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, “শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। আমার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করা বা সরকারি অর্থের অপব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল শিক্ষা খাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৪:৩০ পিএম
ময়মনসিংহে অবৈধ সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কারখানা উচ্ছেদ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চক শ্যামরামপুর এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি করে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি সিসা কারখানার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে প্রশাসন। ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ সাব্বির হুসাইনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে দেখা যায়, কারখানাটি পরিবেশগত ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। এছাড়া কারখানার কার্যক্রমের কারণে স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছিল।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬(গ) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে মোবাইল কোর্টে দায়ের করা দুটি মামলায় দুই ব্যক্তিকে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ সময় নদীতীরবর্তী এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা অস্থায়ী সিসা কারখানাটি উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সিসা গলানোর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও জব্দ করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এ ধরনের অবৈধ শিল্পকারখানার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে স্বাক্ষর জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক

ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি জালিয়াতি চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার আব্দুল কাদিরের স্বাক্ষর নকল করে জাল দলিল তৈরি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দলিল নিবন্ধনের সময় নথিপত্র যাচাই করতে গিয়ে বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান জালিয়াতির বিষয়টি শনাক্ত করেন। সন্দেহ হলে তিনি নথি আরও গভীরভাবে পরীক্ষা করেন এবং একপর্যায়ে অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করেন।

পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক ব্যক্তিকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে জালিয়াতি চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।

সাব-রেজিস্ট্রার জাহিদ হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, “দলিল নিবন্ধন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। কোনো ধরনের জালিয়াতি বরদাশত করা হবে না।”

তিনি দলিল নিবন্ধনের সময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান।