শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

নকলায় খেয়াঘাটে খাস আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১২:৫৬ এম
নকলায় খেয়াঘাটে খাস আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ

ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার নকলা উপজেলা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদ পারাপারের নারায়ণখোলা-পিয়ারপুর খেয়াঘাটে খাস আদায়কে কেন্দ্র করে ব্যাপক অনিয়ম, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও সরকারি রাজস্ব লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে খেয়াঘাটে “লুটের রাজত্ব” চলছে।

জানা গেছে, উপজেলার ৮নং চর অষ্টধর ইউনিয়নের নারায়ণখোলা খেয়াঘাটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাস আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নুরুল হককে। তিনি স্থানীয় মাঝিদের মাধ্যমে খাস আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন ঘাট থেকে প্রায় ৫ হাজার টাকা আদায় হলেও ১৫ দিন পর বিভাগীয় কমিশনারের সরকারি হিসাবে জমা দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। ফলে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতে এই খেয়াঘাট ২২ থেকে ২৮ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হতো। তবে বর্তমানে ইজারা না দিয়ে খাস আদায়ের নামে স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছে। ন্যায্য দরদাতারা ইজারার সিডিউল কিনতে গেলে তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সাধারণ যাত্রীরা জানান, মোটরসাইকেল পারাপারের সরকারি নির্ধারিত ভাড়া ২০ টাকা হলেও বর্তমানে চালকসহ আদায় করা হচ্ছে ৩০ টাকা এবং যাত্রীসহ মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নেওয়া হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এছাড়া রিজার্ভে পারাপারের সময় জনপ্রতি ১০ টাকা খাস নেওয়ার পরও নৌকায় গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা পর্যন্ত। রাত ১০টার পর প্রতিটি খেয়ায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০০ টাকা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। ভারী মালামাল পরিবহনেও নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

খেয়া মাঝি হালিম বলেন, “প্রতিদিন নায়েবকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়। এই টাকা আদায় না হলে আমাদের পোষায় না।” এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তিনি লিটন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। তবে ফোন করা হলে ওই ব্যক্তি কল রিসিভ করেননি।

খেয়াঘাটের কয়েকজন মাঝি জানান, গত ৫ আগস্টের পর থেকে ঘাটটির ইজারা হয়নি। পরে স্থানীয় নায়েবের মাধ্যমে ৭ লাখ টাকায় খাস হিসেবে তারা ঘাট পরিচালনা করছেন। তাদের মেয়াদ আগামী কোরবানির ঈদের পাঁচদিন পর শেষ হবে বলেও জানান তারা।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নুরুল হক বলেন, “আগে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে শিডিউল বিক্রির মাধ্যমে ২২ থেকে ২৮ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হতো। কিন্তু বর্তমানে কেউ শিডিউল ক্রয় না করায় বিভাগীয় কমিশনারের পরামর্শে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে খাস আদায়ের দায়িত্ব দিয়েছেন।”

খাস আদায়ের অর্থ কোথায় জমা হয়— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “প্রতি ১৫ দিন পর ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা বিভাগীয় কমিশনারের সরকারি ফান্ডে জমা দেওয়া হয়।” তবে মাঝিদের দাবি অনুযায়ী দৈনিক ৫ হাজার টাকা আদায় হলে ১৫ দিনে ৭৫ হাজার টাকা হওয়ার কথা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্থানীয় লিটনের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ইজারা প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে খাস আদায়ের নামে সরকারি রাজস্ব আত্মসাতের সুযোগ নিচ্ছে। এ কারণেই মাঝি ও ভূমি কর্মকর্তার বক্তব্যে বড় ধরনের অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম এর বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ করলেও উচ্চ শব্দের কারণে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে

মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
মিঠামইনে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে আঘাত ও পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের মুখে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরদিন বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিষয়টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শারীরিকভাবে আঘাত করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় তারা।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ নিয়ে আলোচনা হলেও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে কোনো সমাধান হয়নি। পরে স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়।

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলো হলো—শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক আঘাত বন্ধ করা, বিদ্যালয় পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।

তবে শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিদ্যালয়ের পাশের ব্রিজে গিয়ে ঘোরাফেরা করছিল। তখন তিনি তাদের ‘শুধু শাসন করেছেন’।

বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্থানীয়দের সিদ্ধান্তে দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও ঘটনার বিষয়ে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।

রূপগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বাসায় কৃষকদলের অবৈধ পকেট কমিটির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৯ এম
রূপগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বাসায় কৃষকদলের অবৈধ পকেট কমিটির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের বাসায় উপজেলা কৃষক দলের খসড়া কমিটি ঘোষণার তীব্র প্রতিবাদে এই নেতার বিরুদ্ধেই সংবাদ সম্মেলন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল। গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের হোড়গাঁও বাজারের কৃষক দলের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দলের সভাপতি ডা. শাহিন মিয়া বলেন, কয়েকদিন আগে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের বাসায় কৃষক দলের খসড়া কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, এমন একটি ভিডিও ও সংবাদ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাসুরউদ্দিন বাচ্ছুও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, জেলা কৃষক দল এ বিষয়ে কিছুই জানে না। এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ঘটনায় সুসংগঠিত কৃষক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের কমিটি বর্তমানে বিদ্যমান রয়েছে। আমি জেলা কৃষক দলের সভাপতি এবং উপজেলা কমিটির সভাপতি শাহ আলম বেপারী ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল। সারা বাংলাদেশের মধ্যে রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দল সফল, উজ্জীবিত ও সুসংগঠিত। এটা একটা চক্রান্ত, এরা বিএনপির মঙ্গল চায় না। পূর্বের রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের যে কমিটি ছিল, সেটিই এখনও বহাল রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ বা খসড়া কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সাংগঠনিক বিধিবিধান এবং অভিভাবক কমিটির সম্মতি অপরিহার্য। মূল দলের সভাপতি বা সম্পাদকের বাসভবনে জেলা বা কেন্দ্রীয় অনুমোদন ছাড়া সহযোগী সংগঠনের খসড়া কমিটি ঘোষণার ঘটনা দলের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ কোয়াটার-কোন্দল ও চেইন অব কমান্ড ভঙ্গের স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ। এতে স্থানীয় পর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা তৈরি হতে পারে, যা আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও নির্বাচনী মাঠে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেন বিশেষজ্ঞরা।

‎ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়িতে শিশুসহ নিহত ৬; আহত অন্তত ২০

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
‎ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, হুড়োহুড়িতে শিশুসহ নিহত ৬; আহত অন্তত ২০

‎ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্কে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। দ্রুত ভবন থেকে বের হতে গিয়ে পদদলিত ও ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।

‎সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন আটতলা ভবনের লিফটের কন্ট্রোল রুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের পাশাপাশি কন্ট্রোল রুম থেকে ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়লে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে গেলে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। এ সময় পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

‎নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন নেত্রকোনার পূর্বধলার হাজেরা বেগম (৫০), ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার শাহজাহান (৪০), রমজান (৩৮), জাহানারা (৫০) এবং তারাকান্দার কুলসুমা (৩৫)। নিহত অপরজন এক বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা শিশু।

‎অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল-মামুন ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎তবে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জাকিউল ইসলাম সোমবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আগুনে সরাসরি মৃত্যুর কোনো ঘটনা স্বীকার করেননি। হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা জানান, আগুনের ঘটনায় হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে এবং ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

‎ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, লিফটের কন্ট্রোলার মেশিনের বোর্ডে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট ও অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। কন্ট্রোল রুম থেকে বের হওয়া ধোঁয়া ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

‎খবর পেয়ে ময়মনসিংহ সদর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল ও ঈশ্বরগঞ্জসহ পাঁচটি ফায়ার স্টেশনের ১০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ভবনের বিভিন্ন তলায় তল্লাশি চালিয়ে আগুনের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

‎ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান বলেন, আগুন লাগার কারণ ও সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।