বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

কে এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঊর্মি?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪, ১:০৭ এম
কে এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঊর্মি?

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি। তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে গণমাধ্যম, সবখানেই চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। সম্প্রতি তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি পূর্বধলা সদর ইউনিয়নের নসিবপুর গ্রামের মো. ইসমাইল হোসেনের মেয়ে। তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী। সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিনে ঊর্মির বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে ময়মনসিংহে অবস্থান করছেন। মাঝে মধ্যে তারা বাড়িতে আসেন। ঊর্মিদের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিম উদ্দিন জানান, ঊর্মি মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়ালেখা শেষ করে ২০২২ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে ঊর্মি বড়। ছোট ভাই জার্মানির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছেন। বাবা দীর্ঘদিন ময়মনসিংহ আনন্দমোহন সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। তাদের পরিবার কোনোদিন রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ছিল এমনটি জানা নেই।

 

গত শনিবার ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি। সেখানে লিখেছেন, সাংবিধানিক ভিত্তিহীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, রিসেট বাটনে পুশ করা হয়েছে। অতীত মুছে গেছে। রিসেট বাটনে ক্লিক করে দেশের সব অতীত ইতিহাস মুছে ফেলেছেন তিনি। এতই সহজ। কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে আপনার, মহাশয়। এরপর থেকেই সমালোচনায় মুখে পড়েন ঊর্মি। ইতোমধ্যেই তাকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করেছে সরকার।

এ ব্যাপারে ঊর্মি সাংবাদিকদের বলেন, আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছি এটাই তো যথেষ্ট। অনলি মি করেছি, বদলি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এর জন্য যদি আমার চাকরি চলে যায়, সমস্যা নেই। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, এটা মীমাংসিত সত্য। রিসেট বাটন মুছে ফেলে অতীত মুছে ফেলা, এর মানে কি? তাহলে তো আমি মনে করি, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি আমাদের দেশে সরকার হিসেবে আছে। আমার মনে হয়েছে, আমার দায়িত্বশীল জায়গা এটাই। বলা হচ্ছে জুলাই গণহত্যা, এগুলো সবই তদন্ত সাপেক্ষে, মীমাংসিত সত্য না। এখন পর্যন্ত প্রমাণিত হয়নি তো।

 

তাপসী তাবাসসুম ঊর্মির ফেসবুক আইডিতে গিয়ে দেখা গেছে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। তার ফেসবুক আইডিজুড়ে আওয়ামী লীগের পক্ষেও শক্ত অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেখা গেছে। অবশ্য সোমবার দুপুরে তার আইডিতে ঢুকে কোনো কিছুই পাওয়া যায়নি। এর আগেই তিনি সব কিছু সরিয়ে ফেলেছেন।

 

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মানসুর হোসাইন জানান, সহকারী কমিশনার তাপসী তাবাসসুম ঊর্মিকে ওএসডি করার পর, সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

 

একজন সরকারি চাকরিজীবী এমন মন্তব্য করতে পারেন কিনা সে বিষয়ে লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক ড. এ কে এম এনামুল হক বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের ৭৯-এর কন্ডাক্ট রুল অনুযায়ী আচরণ করতে হয়। সেখানে সরকারের এমন সমালোচনা করা যাবে না যেখানে জনগণের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ককে ইফেক্ট করতে পারে, এটা ২৩-এর এ তে আছে।

 

অন্যদিকে আবু সাঈদের বড় ভাই আবু হোসেন বলেন, অনলাইনে জানতে পারি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, যিনি আওয়ামী লীগের দোসর, তিনি সরকারি কর্মকর্তা হয়ে আবু সাঈদকে সন্ত্রাসী বলেছেন। সুশীল সমাজকে মায়া কান্না করতে বলেছেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে এত সাহস পান? আমাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জোর দাবি, এই কর্মকর্তাকে স্থায়ীভাবে তার পদ থেকে বরখাস্ত করা হোক এবং তাকে আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি প্রদান করা হোক।

এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা এম.এস.এ আরেফিন।

এম.এস.এ আরেফিনের পিতার নাম মহিউদ্দিন মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৩ নং কুশমাইল ইউনিয়নের কুশমাইল ধামর কাচারি (নায়েব বাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা।

শিক্ষাজীবনে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ২০১৩ সালে ফুলবাড়িয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে ফুলবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি আনন্দমোহন কলেজের গণিত বিভাগ থেকে ২০১৬-১৭ সেশনে বিএসসি (সম্মান) এবং একই বিভাগ থেকে এমএসসি (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এম.এস.এ আরেফিন পূর্বে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি “লাইট অফ ট্রিমস ইউথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি” ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

তার এই নির্বাচনে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এম.এস.এ আরেফিন তার মেধা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবেন।

আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৩২ এম
আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা আছিফুজ্জামান অসীম। সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতায় আছিফুজ্জামান অসীম সবসময়ই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে মহানগর ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, আছিফুজ্জামান অসীম একজন পরিশ্রমী, সাহসী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

মো: সোহেল মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সরকারি ‘হালট’ (চলাচলের রাস্তা) অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং এর সঠিক সীমানা নির্ধারণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, তারাকান্দা উপজেলার কাকনী মৌজার ১০৪৩ নং দাগে একটি সরকারি হালট বিদ্যমান। এই রাস্তাটি কাকনী ফকির মার্কেটের পেছন থেকে জয়নালের বাড়ি হয়ে কাকনী পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পেছন পর্যন্ত বিস্তৃত। অভিযোগ উঠেছে যে, জনগুরুত্বপূর্ণ এই হালটটির অধিকাংশ অংশই বর্তমানে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে।

হালটটি দখল হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ এবং স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মূল রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় মানুষ নিরুপায় হয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে ঘুরে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে করে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “আগে এই রাস্তা দিয়ে সহজেই বাজার ও স্কুলে যাওয়া যেত। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় আমাদের অনেক দূর ঘুরে যেতে হচ্ছে, বিশেষ করে শিশুদের খুব কষ্ট হচ্ছে।”

আরেক বাসিন্দা রহিমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষ। এই রাস্তা আমাদের একমাত্র ভরসা ছিল। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।”

এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল হান্নান খান স্বাক্ষরিত এই আবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত সরকারি সার্ভেয়ার নিয়োগের মাধ্যমে জমি পরিমাপ করে হালটের সীমানা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। একই সাথে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।