মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩

ময়মনসিংহে ১১ পত্রিকার ঘোষণা বাতিল: হুবহু সংবাদে আইন লঙ্ঘন প্রমাণিত

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৬ পিএম
ময়মনসিংহে ১১ পত্রিকার ঘোষণা বাতিল: হুবহু সংবাদে আইন লঙ্ঘন প্রমাণিত

ময়মনসিংহে একই প্রতিবেদন হুবহু প্রকাশ ও অনুমোদিত ছাপাখানা ব্যতীত মুদ্রণের অভিযোগে ১১টি দৈনিক পত্রিকার ডিক্লারেশন (ঘোষণা ও নিবন্ধন) বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) উম্মে হাবিবা মীরা।

বাতিল হওয়া পত্রিকাগুলো হলো—

দৈনিক আজকের ময়মনসিংহ (সম্পাদক মো. শামসুল আলম খান),

দেশের খবর (এফ. এম. এ. ছালাম),

বিশ্বের মুখপত্র (এন. বি. এম. ইব্রাহীম খলিল রহিম),

ঈষিকা (মরহুম আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার),

অদম্য বাংলা (নাসির উদ্দিন আহমেদ),

আলোকিত ময়মনসিংহ ও দিগন্ত বাংলা (আ. ন. ম. ফারুক),

দৈনিক জাহান (শেখ মেহেদী হাসান নাদিম),

কিষানের দেশ (ওমর ফারুক),

হৃদয়ে বাংলাদেশ (ফরিদা ইয়াসমীন রত্না)

এবং সাপ্তাহিক পরিধি (বিকাশ রায়)।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসন পত্রিকাগুলোর সম্পাদক ও প্রকাশকদের ডিক্লারেশন বাতিলের চিঠি পাঠায়।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ও ১৩ এপ্রিল ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত উল্লিখিত ১১টি পত্রিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাতায় হুবহু একই সংবাদ ও একই ছবিসহ প্রতিবেদন ছাপা হয়। তদন্তে দেখা যায়, এসব সংখ্যা অনুমোদিত ছাপাখানা থেকেও মুদ্রিত হয়নি।

এ ঘটনায় ১৬ এপ্রিল ১৩টি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২১ এপ্রিল তারা লিখিতভাবে স্বীকার করেন, বিষয়টি ছাপাখানার ত্রুটিজনিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। তবে প্রশাসনের মতে, তাদের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য বা যুক্তিযুক্ত হয়নি।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাতায় হুবহু প্রতিবেদন।

এরপর ১৮ মে জেলা প্রশাসনের এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মাঠ পর্যায়ের তদন্তে প্রমাণিত হয়—১১টি পত্রিকা অনুমোদিত ছাপাখানার বাইরে মুদ্রিত হচ্ছিল। এটি ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৩-এর ৪ ও ৭ ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ফলে একই আইনের ১০ ধারায় তাদের ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা বলেন, “গত ৩০ মার্চ এবং ৭–১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে পত্রিকাগুলোর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাতায় একই ধরনের সংবাদ ছাপা হয়। এটি আইনগতভাবে অনিয়ম, তাই ঘোষণাপত্র বাতিল করা হয়েছে।”

এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা এম.এস.এ আরেফিন।

এম.এস.এ আরেফিনের পিতার নাম মহিউদ্দিন মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৩ নং কুশমাইল ইউনিয়নের কুশমাইল ধামর কাচারি (নায়েব বাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা।

শিক্ষাজীবনে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ২০১৩ সালে ফুলবাড়িয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে ফুলবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি আনন্দমোহন কলেজের গণিত বিভাগ থেকে ২০১৬-১৭ সেশনে বিএসসি (সম্মান) এবং একই বিভাগ থেকে এমএসসি (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এম.এস.এ আরেফিন পূর্বে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি “লাইট অফ ট্রিমস ইউথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি” ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

তার এই নির্বাচনে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এম.এস.এ আরেফিন তার মেধা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবেন।

আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৩২ এম
আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা আছিফুজ্জামান অসীম। সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতায় আছিফুজ্জামান অসীম সবসময়ই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে মহানগর ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, আছিফুজ্জামান অসীম একজন পরিশ্রমী, সাহসী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

মো: সোহেল মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
ময়মনসিংহে সরকারি হালট দখল, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী- ইউএনও বরাবর অভিযোগ

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় সরকারি ‘হালট’ (চলাচলের রাস্তা) অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং এর সঠিক সীমানা নির্ধারণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, তারাকান্দা উপজেলার কাকনী মৌজার ১০৪৩ নং দাগে একটি সরকারি হালট বিদ্যমান। এই রাস্তাটি কাকনী ফকির মার্কেটের পেছন থেকে জয়নালের বাড়ি হয়ে কাকনী পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পেছন পর্যন্ত বিস্তৃত। অভিযোগ উঠেছে যে, জনগুরুত্বপূর্ণ এই হালটটির অধিকাংশ অংশই বর্তমানে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে।

হালটটি দখল হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ এবং স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মূল রাস্তাটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় মানুষ নিরুপায় হয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে ঘুরে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে করে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “আগে এই রাস্তা দিয়ে সহজেই বাজার ও স্কুলে যাওয়া যেত। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় আমাদের অনেক দূর ঘুরে যেতে হচ্ছে, বিশেষ করে শিশুদের খুব কষ্ট হচ্ছে।”

আরেক বাসিন্দা রহিমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা সাধারণ মানুষ। এই রাস্তা আমাদের একমাত্র ভরসা ছিল। এখন দখল হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই।”

এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল হান্নান খান স্বাক্ষরিত এই আবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত সরকারি সার্ভেয়ার নিয়োগের মাধ্যমে জমি পরিমাপ করে হালটের সীমানা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। একই সাথে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।