শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

খাগড়াছড়িতে চার সাংবাদিকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে “বিএমইউজে” চট্টগ্রাম জেলায় প্রতিবাদ সভা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫, ৯:৪৮ পিএম
খাগড়াছড়িতে চার সাংবাদিকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে “বিএমইউজে” চট্টগ্রাম জেলায় প্রতিবাদ সভা

খাগড়াছড়িতে সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ সহ ৭ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা পাতানো মামলা এবং চারজনকে মিথ্যা  এই মামলায় আটকের প্রতিবাদে

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার ১৭ মার্চ বেলা ১২ ঘটিকায় চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি শহীদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে উক্ত প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ আরেফিন ও কালের প্রতিচ্ছবি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হাসান আল মামুন সহ বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলা শাখার সকল নেতৃবৃন্দ।

সিনিয়র সাংবাদিক নেতা ও কালের প্রতিচ্ছবির সম্পাদক ও প্রকাশক হাসান আল মামুন বলেন মুক্ত গণমাধ্যম আজকে নামধারী কিছু দালাল সাংবাদিক চক্রের কাছে বন্দী, খাগড়াছড়ি অবৈধ ইটভাটা গুলো পরিচালনা করছে সাংবাদিক নামের  এই অপসংবাদিক দালাল গুলো অর্থের বিনিময়ে স্যাটেলাইট চ্যানেলের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে  ইনারা এখন অনেক বড় সাংবাদিক নেতা বনে গেছেন।

তাদের মন মত না হলে প্রশাসনের সঙ্গে  আতাত করে বানিয়ে দিচ্ছেন চাঁদাবাজ সাংবাদিক খাগড়াছড়িতে চার সাংবাদিকের পরিণতি তাই তিনি উল্লেখ করেন এবং অনতিবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি এবং এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানায়।

উক্ত সভায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক নেতা সোহাগ আরেফিন বলেন, ইটভাটার দুর্নীতি তুলে ধরতে যাওয়ায় এই চার সাংবাদিক সহ ঘটনাস্থলে না থাকা তিন সাংবাদিক খাগড়াছড়ি কিছু রাক্ষুসের সাংবাদিকদের করাল গ্রাসের শিকার হয়েছেন,

স্থানীয় প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রেসক্লাবের গুটি কয়েক সাংবাদিক দীঘিনালার মোহনা টেলিভিশন এর প্রতিনিধি ও ইট ভাটার মালিক আলমগীরের যোকসাজসে এ ঘটনা বলে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এই চিত্রটি ফুটে উঠে এছাড়াও খাগড়াছড়িতে দুই ডজনেরও বেশি  সাংবাদিক আজ খাগড়াছড়ি ছাড়া।

সোহাগ আরেফিন আরো বলেন মেহেদী সহ অন্য যে সাংবাদিকদের আজ মিথ্যা  চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া অবশ্যই নিন্দনীয় আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি পাশাপাশি চার সাংবাদিকের কারামুক্তি সহ এই ষড়যন্ত্র মূলক হয়রানি মামলার অবিলম্বে প্রত্যাহার না করলে সারাদেশে সকল সাংবাদিক একযোগে কঠোর আন্দোলনে নেমে আসবে।

সভায় চট্টগ্রাম বিএমইউজে’র নেতা কর্মীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কারাবন্দীদের মুক্তি ও সাজানো এই পাতানো মামলা প্রত্যাহার না হলে আমরা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন এবং জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবো।

সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ হোসেন বিপ্লবের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন,সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রাব্বি,সহ-সংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন সোহেল,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ মাসুদ,কার্যনির্বাহী সদস্য জহিরুল ইসলাম বাবলু, কার্যনির্বাহী সদস্য নাছির উদ্দিন লিটন, কলের প্রতিচ্ছবি পত্রিকার রিপোর্টার মাসুদুল ইসলাম, পিবিআই ৭১ সাংবাদিক আসিফ সহ প্রমুখ।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।