মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ফুফু রহিমার ষড়যন্ত্রে পিতৃপরিচয় থেকে বঞ্চিত স্কুল শিক্ষার্থী দ্বীনমনি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৪ এম
ফুফু রহিমার ষড়যন্ত্রে পিতৃপরিচয় থেকে বঞ্চিত স্কুল শিক্ষার্থী দ্বীনমনি

অধিকার বঞ্চিত অনেক নারীরা তাদের সন্তানের পিতৃ- পরিচয়ের দাবীতে মানুষের দ্বারে-দ্বারে ঘুরেন এটা প্রায়ই দেখা যায়। তবে এবার সন্তান তার মায়ের অধিকার ও নিজের পিতৃ পরিচয় পেতে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসন ও সাংবাদিকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। জনপ্রতিনিধি থেকে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের হাতে পায়ে ধরছেন শুধু বাবার পরিচয়টার জন্য। যেনো মানুষকে পরিচয় দিতে পারে। বাবার নামটা যেনো বলতে পারে। আর বাবার নামের জন্য স্কুলে লেখা পড়া, জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয় পত্রসহ কোন কিছুতে সফল হতে পারছেনা ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার কানিহারী ইউনিয়নের বালিদিয়া গ্রামের আক্কাছ আলী আদর্শ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী দ্বীন মনি নূর (১৭)।

নবম শ্রেণিতে থাকাবস্থায় রেজিষ্ট্রেশনের সময় তার জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন হলেও সেটা দিতে ব্যর্থ হয় দ্বিন মনি নূর। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মানবিকতায় রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম কোনভাবে সম্পন্ন করলেও সামনে এসএসসির ফরম পূরণ। সেখানে কি লিখবে পিতার স্থানে, ফরম পূরণ হবে কিনা তা নিয়েও সঙ্কায় রয়েছে দ্বীন মনি নূর। স্কুল শিক্ষিকা ফুফু রহিমার ষড়যন্ত্রে পিতৃপরিচয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তার।

দ্বীন মনি নূর জানায়, তার মাতা-মোছাঃ বকুল এর সাথে বালিদিয়া গ্রামের মোনতা মৌলভীর পুত্র আনোয়ার হোসেনের সাথে প্রায় ১৯ বছর পূর্বে প্রেম গঠিত সম্পর্কের ভিত্তিতে উভয়ের পরিবারের অজান্তে (কাবিন রেজিষ্ট্রি ব্যাতিরেকে) ইসলামী শরিয়া মোতাবেক মৌলভী দ্বারা বিবাহ হয়। তাদের ঔরস জাত সন্তান হিসাবে তার জন্ম হয়। তার মাকে মৌলভী পরিবার পুত্র বধু হিসাবে মেনে না নেওয়ায় দ্বীন মনি তার জন্মের পর থেকে এতিমখানায় বড় হয়। যখন সে বুঝতে পারে, তখন জানতে পারে মায়ের গর্ভে থাকাবস্থায় তার মা বকুল দ্বীনমনির পিতৃ পরিচয় স্বীকৃতি দাবী করলে বাবা আনোয়ার সহ তার পরিবারের সবাই অস্বীকার করে। সে পিতৃ পরিচয়ের দাবীতে এলাকার বিভিন্ন গন্যমান্য লোকজনের দ্বারস্থ হলেও তার ফুফু রহিমা খাতুন বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় এবং এর আগে মা বকুল সন্তানের পরিচয় চাওয়ায় তার বাবা আনোয়ার হোসেনকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয় ফুফু রহিমা। যেন আমি পিতৃ পরিচয় ও মা স্বামীর অধিকার নিয়ে কখনো বাবার সামনে দাঁড়াতে না পারে।

দ্বীন মনি নূর আরো অভিযোগ করে বলে, বাবা বিদেশ থাকার কারণে আমি তার সাথে অদ্যাবধি পর্যন্ত যোগাযোগ করতে পারি নাই। আমাকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি আমার বাবার ফোন নাম্বারটিও আমাকে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে আমি স্থানীয় আক্কাছ আলী আদর্শ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী। আমার এস.এস.সি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন, জন্মনিবন্ধন, ভোটার নিবন্ধনসহ বিভিন্ন কাজে পিতৃ পরিচয় আবশ্যকিয় বিধায় এসকল কাজ করতে পারছি না। এস.এস.সি পরীক্ষাসহ সামনের দিনগুলিতে আমার ভবিষ্যত জীবন অচল হয়ে পড়ার সম্মুখিন হয়ে পড়েছে। পিতৃ পরিচয় ছাড়া আমাকে অনেকের কথা শুনতে হয়। সমাজ আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করছে, বিভিন্ন কুটুক্তি করছে এমতাবস্থায় পিতৃ পরিচয় না পেলে সামনের দিনগুলিতে আমার জন্য বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়াই ভাল। তাই প্রশাসন ও মানবাধিকার পরিষদের কাছে আইনি সহায়তা চাইছেন দ্বীন মনি নূর।

দাবি করছেন তার নিজের ও মায়ের অধিকার। বর্তমানে দ্বীন মনি নূর নিজেকে অসহায় দাবি করে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলেও জানান। সে তার মা’সহ নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনের সহায়তা চাচ্ছেন।

ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

মোঃ সাজ্জাদ মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৬ এম
ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীর ৩৩নং ওয়ার্ডের চর গোবদিয়া এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা, মারধর, সম্পদ নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান হিরা, সুরে এবং রশিদ গংদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী মোছাঃ ডলি আক্তার।

লিখিত অভিযোগে মোছা. ডলি আক্তার উল্লেখ করেন, চর ঈশ্বরদিয়া মৌজায় তাঁদের মালিকানাধীন জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদীদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিবাদীরা জমি থেকে তাঁদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি জমিতে প্রবেশে বাধা, জোরপূর্বক ঘরবাড়ি নির্মাণ এবং তাঁদের বিভিন্ন সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বিবাদীরা তাঁদের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে ডলি আক্তার ও তাঁর ছেলে সাকিব (২১) সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করতে বলেন। এ সময় অভিযুক্ত মোখলেসসহ কয়েকজন এবং তাঁদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ডলি আক্তারের দাবি, হামলাকারীরা লোহার রড, এসএস পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর ছেলেকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। এ সময় তাঁর ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা নুরজাহানকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে বিবাদীরা তাঁদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে হত্যার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসেন। এ সময় তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি ভবিষ্যতে জমি নিয়ে কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিলে কিংবা অভিযোগ দায়ের করলে আরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।

ডলি আক্তারের আশঙ্কা, জমি দখলের চেষ্টা ও হামলার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেও তিনি প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত থানার দ্বারস্থ হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

তবে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের বক্তব্য এবং অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আধপাখিয়া গ্রামের মেম্বারের ভাই মোফাজ্জল হোসেন সুদে টাকা লাগিয়ে কম পক্ষে ২০ পরিবারকে পথে বসিয়ে দিয়েছেন। এদের প্রায় সকলেই হয়েছেন টাকা কিংবা সুদের টাকা দিতে নাপারায় নির্যাতনের শিকার।গত ২৯ অক্টোবর সুদের টাকার জন্য শারিরিক নির্যাতনের শিকার হন বিল্লাল মিয়া।এই হতভাগ্য থানায় অভিযোগ করতে পারেনি।পরে যদি এর চেয়ে বড় কিছু করে ফেলে। মোফাজ্জল এতোটাই এলাকায় আতংকের নাম।

আধপাখিয়ার ভ্যান চালক বিল্লাল একই এলাকার মোফাজ্জলের কাছ থেকে বিপদে পড়ে মাসিক বিশ টাকা হাড় সুদে ৫ হাজার টাকা নিয়েছিল।গত প্রায় ২ বছরে বিল্লাল প্রায় বিশ হাজার টাকা সুদ দিয়েছে। সম্প্রতি সুদ দিতে দেরী হওয়ায় মোফাজ্জল চাপ দেয় সুদে আসলে তার টাকা দিয়ে দিতে হবে।টাকা দিতে দেরী হওয়ায় ২৯ অক্টোবর বিল্লালকে স্থানীয় সুমনের দোকানের সামনে বেদরক মারধর করে।নির্যাতন দেখে সহ্য না হওয়ায় দোকানদার সুমন মোফাজ্জলের টাকা দিয়ে দেন।এ সময় তাকে সুদসহ ৬ হাজার টাকাই দিতে হয়।এমন অভিযোগ স্থানীয় এক নারীও করেছেন।

এলাকার অনেকের সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হয়েছে, তারা জানিয়েছেন মোফাজ্জল চড়া সুদে টাকা লাগান। টাকা আদায় করতে গিয়ে অনেকের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তার টাকার সুদ দিতে দিতে অনেকে নিঃশ্ব হয়েছেন।অনেকের ঢাকা শহরে গিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। এলাকার মানুষের সাথে যেন তার পায়কারি হাড়ে বিরোধ। কোন ব্যাক্তি এ সকল ঘটনার প্রতিবাদ করলেই সেও পড়ে তাদের রোষানলে।

মোফাজ্জল জানান, এলাকায় তার সাথে কারো বিরোধ নেই। পাওনা টাকা চাইলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।তিনি তার ভাই মেম্বার এর নাম উল্লেখ করে বলেন আমি খারাপ হলে কি ভাইকে ভোট দিতো? জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে তাদের সাথে অনেকের। সে গুলোও মানুষ সমালোচনা করে।

ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম
ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে অভিযান চালিয়ে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৪)। এ ঘটনায় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা যায়, গত ১ নভেম্বর দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে গৌরীপুর উপজেলার মইলাকান্দা ইউনিয়নের পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির একটি টিনশেড ঘরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিপিএসসি, এসআরবি-১৪, ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দুলাল চন্দ্র বণিক (৫৫) ও মো. হাতিম মিয়া (৪২)। তাঁদের দুজনেরই বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামগঞ্জ বাজার এলাকায় অবস্থানকালে আভিযানিক দল জানতে পারে, পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির দুলাল চন্দ্র বণিকের ঘরে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

পরে উপস্থিত লোকজন ও সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে ছয়টি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তার দুজন পরস্পর যোগসাজশে বিক্রির উদ্দেশ্যে গাঁজাগুলো নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসআরবি-১৪ সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এজাহার দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার করা গাঁজা ও জব্দ করা আলামতসহ তাঁদের গৌরীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।