রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

গফরগাঁওয়ে ২৫টি স্কুল ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাটের অভিযোগ

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৫৩ পিএম
গফরগাঁওয়ে ২৫টি স্কুল ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাটের অভিযোগ

গফরগাঁও উপজেলায় নির্মাণকাজে অনিয়মের কারণে ২৫টি স্কুল ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাট হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরিত্যক্ত ২৫ বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের নামে বরাদ্দ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। এসকল ভবন সংস্কার না করায় ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, গফরগাঁও উপজেলায় ২৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নের ২৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। তবে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এসব বিদ্যালয়ে প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পড়াশোনা করছে। ভয় আর আতঙ্কের কারণে বিদ্যালয়গুলোয় দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

গফরগাঁও উপজেলার ভাতুরী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের দেয়াল ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে। ভাতুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলা ভবনটি ১৯৯৪ সালে নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজে অনিয়মের কারণে নির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ভবনটি। বিদ্যালয় ভবনের দেয়াল ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে। খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। বিমের রডগুলো বেরিয়ে পড়েছে। দরজা-জানালাও ভেঙে গেছে। জরাজীর্ণ ভবনটি যে কোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শিশুদের খোলা মাঠে ক্লাস করতে হচ্ছে। এই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইনা জানায়, স্কুলের ছাদ থেকে ইটের সুরকি খসে পড়ে। মাথায় সুরকি পড়ে অনেকেই ব্যথা পেয়েছে। এখন মাঠে ক্লাস করে তারা।

একই অবস্থা বারবাড়িয়া ইউনিয়নের পাকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। একতলা ভবনটি নির্মাণ করা হয় ১৯৯৩ সালে। নির্মাণকাজের শুরু থেকেই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এর পরও নির্মাণকাজ অব্যাহত থাকায় কাজ শেষ হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বর্তমানে স্কুল ভবনের দেয়াল ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে।

শুধু এ দুই বিদ্যালয় নয়, গফরগাঁও উপজেলায় এ রকম জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত সরকারি স্কুল ভবন রয়েছে ২৫টি। এগুলোতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। শিক্ষকরা বলছেন, এক রকম জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ক্লাসে যেতে হয়। সব সময় উদ্বেগের মধ্যে থাকেন অভিভাবকরা। যত দিন যাচ্ছে, স্কুল থেকে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

প্রতিবছর এসব পরিত্যক্ত ভবন সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাট হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

মশাখালী ইউনিয়নের ভাতুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুল হকের ভাষ্য, ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে খোলা মাঠে। আকাশে মেঘ দেখলেই বাজাতে হয় ছুটির ঘণ্টা। অফিস কক্ষে বসে আতঙ্কে থাকেন তারা, কখন যেন ছাদ ধসে পড়ে?

একই কথা জানিয়েছেন বারবাড়িয়া ইউনিয়নের পাকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

হাজেরা আক্তার। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে আসার পর থেকেই আতন্কের মধ্যে থাকতে হয়। তবু পড়াশোনা চলছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও চিন্তিত।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নূরে আলম ভূঁইয়া বলেন, বিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু ভবন নতুন করে নির্মাণের জন্য চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পরিত্যক্ত ভবন সংস্কারের নামে বরাদ্দ লুটপাটের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। তাছাড়া এর সঙ্গে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকরা জড়িত। আর বরাদ্দের ব্যাপারে বলতে পারবেন তৎকালীন কর্মকর্তারা।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) গফরগাঁও উপজেলা প্রকৌশলী আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থোকে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।

বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) ফেনী জেলা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকালে ফেনী শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আনোয়ার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন – সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান ও মো. গাজিউল হক; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী নুরুল আলম নিলু ও মো. আতিকুর রহমান রোজেন; সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর হৃদয়; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নিমাই চন্দ্র মজুমদার; কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান পলাশ; সহ-কোষাধ্যক্ষ মহি উদ্দিন মিয়াজী সেজু; দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম তোতা; সহ-দপ্তর সম্পাদক ফখরুল ইসলাম জুয়েল।

এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার সম্পাদক হিসেবে আরাফাত হোসেন এবং ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মিলন নির্বাচিত হন।

নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, মোহাম্মদ শেখ কামাল, মো. ওবায়দুল হক, জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আফতাব হোসেন মমিন ভূঁইয়া ও আলাউদ্দিন সবুজ।

সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আমির হোসেন তানভীর, জিয়া উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, জাফর ইমাম রতন এবং জহিরুল ইসলাম খান।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

শিবলী সাদিক খান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪০ পিএম
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি পরিবারের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। একই দিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ময়মনসিংহ জেলা সার্কেলের যৌথ আয়োজনে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আজকের এই আয়োজন মানবিক হলেও এটি আনন্দের নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হলেও তাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলেও বাংলাদেশে এর হার উদ্বেগজনক। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও জনগণের সচেতনতার বিকল্প নেই। রাস্তা পারাপারে সতর্কতা অবলম্বন, ফুটপাত ও মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখা এবং সড়ক আইন মেনে চলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সড়ক আইন সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও সড়ক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। যানবাহন চালকদের ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হবে এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে করতে গাড়ি চালানো কিংবা রাস্তা পার হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধি, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রধান অতিথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী সরকারের ঘোষিত “পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি”-এর অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ জেলা লেডিস ক্লাব প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।