মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২

গফরগাঁওয়ে ২৫টি স্কুল ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাটের অভিযোগ

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫, ৯:৫৩ পিএম
গফরগাঁওয়ে ২৫টি স্কুল ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাটের অভিযোগ

গফরগাঁও উপজেলায় নির্মাণকাজে অনিয়মের কারণে ২৫টি স্কুল ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাট হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরিত্যক্ত ২৫ বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের নামে বরাদ্দ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। এসকল ভবন সংস্কার না করায় ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, গফরগাঁও উপজেলায় ২৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নের ২৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। তবে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এসব বিদ্যালয়ে প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পড়াশোনা করছে। ভয় আর আতঙ্কের কারণে বিদ্যালয়গুলোয় দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

গফরগাঁও উপজেলার ভাতুরী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের দেয়াল ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে। ভাতুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলা ভবনটি ১৯৯৪ সালে নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজে অনিয়মের কারণে নির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ভবনটি। বিদ্যালয় ভবনের দেয়াল ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে। খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। বিমের রডগুলো বেরিয়ে পড়েছে। দরজা-জানালাও ভেঙে গেছে। জরাজীর্ণ ভবনটি যে কোনো সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শিশুদের খোলা মাঠে ক্লাস করতে হচ্ছে। এই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইনা জানায়, স্কুলের ছাদ থেকে ইটের সুরকি খসে পড়ে। মাথায় সুরকি পড়ে অনেকেই ব্যথা পেয়েছে। এখন মাঠে ক্লাস করে তারা।

একই অবস্থা বারবাড়িয়া ইউনিয়নের পাকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। একতলা ভবনটি নির্মাণ করা হয় ১৯৯৩ সালে। নির্মাণকাজের শুরু থেকেই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এর পরও নির্মাণকাজ অব্যাহত থাকায় কাজ শেষ হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বর্তমানে স্কুল ভবনের দেয়াল ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে।

শুধু এ দুই বিদ্যালয় নয়, গফরগাঁও উপজেলায় এ রকম জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত সরকারি স্কুল ভবন রয়েছে ২৫টি। এগুলোতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। শিক্ষকরা বলছেন, এক রকম জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ক্লাসে যেতে হয়। সব সময় উদ্বেগের মধ্যে থাকেন অভিভাবকরা। যত দিন যাচ্ছে, স্কুল থেকে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

প্রতিবছর এসব পরিত্যক্ত ভবন সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা লুটপাট হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

মশাখালী ইউনিয়নের ভাতুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুল হকের ভাষ্য, ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে খোলা মাঠে। আকাশে মেঘ দেখলেই বাজাতে হয় ছুটির ঘণ্টা। অফিস কক্ষে বসে আতঙ্কে থাকেন তারা, কখন যেন ছাদ ধসে পড়ে?

একই কথা জানিয়েছেন বারবাড়িয়া ইউনিয়নের পাকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

হাজেরা আক্তার। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে আসার পর থেকেই আতন্কের মধ্যে থাকতে হয়। তবু পড়াশোনা চলছে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও চিন্তিত।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নূরে আলম ভূঁইয়া বলেন, বিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু ভবন নতুন করে নির্মাণের জন্য চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পরিত্যক্ত ভবন সংস্কারের নামে বরাদ্দ লুটপাটের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। তাছাড়া এর সঙ্গে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকরা জড়িত। আর বরাদ্দের ব্যাপারে বলতে পারবেন তৎকালীন কর্মকর্তারা।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) গফরগাঁও উপজেলা প্রকৌশলী আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থোকে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

ময়মনসিংহে তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, পাঁচ পুলিশসহ আহত অন্তত ১৫

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৩ পিএম
ময়মনসিংহে তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, পাঁচ পুলিশসহ আহত অন্তত ১৫

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় অন্তত ১০ থেকে ১২টি দোকান ভাঙচুর করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুরে মুক্তাগাছা শহরের আটানী বাজারের ছোট মসজিদ মোড়ে ভ্যান ও অটোরিকশা চালকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এরই জেরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও র‍্যাব সাঁজোয়া যান নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।