সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

পরিবর্তন: হরিজন পল্লীর জীবনে স্বাবলম্বিতার নতুন ঠিকানা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫, ২:১১ পিএম
পরিবর্তন: হরিজন পল্লীর জীবনে স্বাবলম্বিতার নতুন ঠিকানা

দীর্ঘদিন ধরেই সমাজের একটি অংশ থেকে গেছে সমাজের মূল স্রোতের বাইরে—অবহেলিত, উপেক্ষিত ও বঞ্চিত। এই সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশ হলো হরিজন সম্প্রদায়।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবেই যাদের আমরা চিনি, তারা প্রতিদিন শহরের প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে রাখে পরিচ্ছন্নতা, কিন্তু নিজেদের জীবন জড়িয়ে থাকে অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা এবং সুযোগের অভাবে। এই দীর্ঘদিনের বঞ্চনার চক্র থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যে জন্ম নেয় একটি ব্যতিক্রমধর্মী সামাজিক উদ্যোগ—“পরিবর্তন”।

‘পরিবর্তন’ মানেই সমাজে ইতিবাচক গতিশীলতা আনা

‘পরিবর্তন’ হলো একটি যুব-নেতৃত্বাধীন সামাজিক উদ্যোগ, যার মূল লক্ষ্য হলো হরিজন সম্প্রদায়ের কর্মক্ষম সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলা। এই প্রকল্প শুধুমাত্র দান বা সাহায্যের উপর নির্ভরশীল নয়, বরং আত্মসম্মান ও অধিকারকে ভিত্তি করে একটি স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা তৈরি করতে চায়।

প্রকল্পের সূচনা হয় চাইল্ড কেয়ার ও এল্ডার কেয়ার প্রশিক্ষণ দিয়ে। হরিজন সম্প্রদায়ের কর্মক্ষম নারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কীভাবে শিশু ও প্রবীণদের যত্ন নেওয়া যায় নিরাপদ, মানবিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে। এর ফলে তারা শুধু পরিচ্ছন্নতাকর্মী নয়, বরং একজন প্রশিক্ষিত কেয়ারগিভার হিসেবে বিভিন্ন পরিবারে কাজ করার সুযোগ পায়। আজ বীণা, কানু, রতনরা কেয়ারগিভার হিসেবে কাজ করছে, অর্থ উপার্জন করছে, এবং তাদের সন্তানদের একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

হস্তশিল্প: তাদের হাতে ছিল প্রতিভা, প্রয়োজন ছিল একটি প্ল্যাটফর্ম

প্রকল্পটি যখন আরও গভীরভাবে সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করতে শুরু করে, তখন তারা একটি বড় সত্য আবিষ্কার করে—এই মানুষগুলোর হাতে রয়েছে অসাধারণ হস্তশিল্প দক্ষতা। কেউ কাঠের কাজ জানেন, কেউ জানেন পাট দিয়ে গৃহসজ্জার সামগ্রী বানানো, কেউ দক্ষ কাপড়ের ব্যাগ বানাতে, আবার কেউ অসাধারণ নকশার কাজ জানেন। এই সুপ্ত প্রতিভাগুলোকে বাজারের সঙ্গে যুক্ত করাই হয়ে ওঠে ‘পরিবর্তন’-এর পরবর্তী লক্ষ্য।

‘পরিবর্তন’ একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে, যেখানে এই পণ্যগুলো প্রদর্শন ও বিক্রয় করা হয়। শহরের ক্রেতারা এখন পছন্দ করে হরিজনদের তৈরি ব্যাগ, মেডিসিন বক্স, ম্যাট, শোপিস, কাঠের ফ্রেম। প্রতিটি পণ্যে লুকিয়ে থাকে তাদের সংগ্রামের গল্প, বাঁচার তাগিদ আর শিল্পমানস।

শিল্পী নয়, তারা পরিবর্তনের কারিগর

আজ গোপাল ও হরিদাস পাট দিয়ে তৈরি করছে শাড়ি ও গামছা, নির্মল ও নীলকমল কাঠের ফ্রেম, শোপিস, মেডিসিন বক্স তৈরি করছে, কমলা, ফুলবাসী ও রেবা কাপড়ের ব্যাগ ও নকশার কাজ করছে। একসময় যাদের জীবনে উৎসব মানেই ছিলো আরও একটি সাধারণ দিন, তারা এখন নিজেদের উপার্জনে পরিবারের ঈদ, পূজা বা নতুন বছর উদযাপন করছে সম্মানের সঙ্গে।

অভিযাত্রার অংশীদারিত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

‘পরিবর্তন’ আজ শুধু একটি প্রজেক্ট নয়, এটি একটি আন্দোলন—স্বাবলম্বিতার, সম্মানের, অধিকার প্রতিষ্ঠার। বর্তমানে এই প্রকল্পে রয়েছে একাধিক সংগঠনের সহযোগিতা—Spare প্রশিক্ষণ সহযোগী হিসেবে, Page Lasa হসপিটালিটি সহযোগী হিসেবে এবং The New Matribhandar লজিস্টিক পার্টনার হিসেবে কাজ করছে।

প্রতিষ্ঠাতারা মনে করেন, প্রকৃত পরিবর্তন আসে নিচু তলা থেকে—যখন একজন মা নিজের উপার্জনে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে পারে, কিংবা একজন বাবা নিজের তৈরি পণ্য দেখে গর্ব অনুভব করে। এই প্রকল্প শুধু সহানুভূতির নয়, এটি সমানাধিকারের ভিত্তিতে একটি টেকসই সমাজ গঠনের চেষ্টা।

শেষ কথা

‘পরিবর্তন’ প্রমাণ করেছে যে সুযোগ দিলে, প্রতিটি মানুষই তাদের জীবনের চিত্র পাল্টে দিতে পারে। সমাজের অবহেলিত কোনা থেকে উঠে আসা এই মানুষগুলোর সাফল্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পরিবর্তন মানেই সম্ভাবনা। আজ তাদের গল্প শুধু অনুপ্রেরণার নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের এক অনবদ্য নজির।

ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

মোঃ সাজ্জাদ মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৬ এম
ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীর ৩৩নং ওয়ার্ডের চর গোবদিয়া এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা, মারধর, সম্পদ নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান হিরা, সুরে এবং রশিদ গংদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী মোছাঃ ডলি আক্তার।

লিখিত অভিযোগে মোছা. ডলি আক্তার উল্লেখ করেন, চর ঈশ্বরদিয়া মৌজায় তাঁদের মালিকানাধীন জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদীদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিবাদীরা জমি থেকে তাঁদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি জমিতে প্রবেশে বাধা, জোরপূর্বক ঘরবাড়ি নির্মাণ এবং তাঁদের বিভিন্ন সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বিবাদীরা তাঁদের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে ডলি আক্তার ও তাঁর ছেলে সাকিব (২১) সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করতে বলেন। এ সময় অভিযুক্ত মোখলেসসহ কয়েকজন এবং তাঁদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ডলি আক্তারের দাবি, হামলাকারীরা লোহার রড, এসএস পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর ছেলেকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। এ সময় তাঁর ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা নুরজাহানকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে বিবাদীরা তাঁদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে হত্যার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসেন। এ সময় তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি ভবিষ্যতে জমি নিয়ে কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিলে কিংবা অভিযোগ দায়ের করলে আরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।

ডলি আক্তারের আশঙ্কা, জমি দখলের চেষ্টা ও হামলার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেও তিনি প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত থানার দ্বারস্থ হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

তবে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের বক্তব্য এবং অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আধপাখিয়া গ্রামের মেম্বারের ভাই মোফাজ্জল হোসেন সুদে টাকা লাগিয়ে কম পক্ষে ২০ পরিবারকে পথে বসিয়ে দিয়েছেন। এদের প্রায় সকলেই হয়েছেন টাকা কিংবা সুদের টাকা দিতে নাপারায় নির্যাতনের শিকার।গত ২৯ অক্টোবর সুদের টাকার জন্য শারিরিক নির্যাতনের শিকার হন বিল্লাল মিয়া।এই হতভাগ্য থানায় অভিযোগ করতে পারেনি।পরে যদি এর চেয়ে বড় কিছু করে ফেলে। মোফাজ্জল এতোটাই এলাকায় আতংকের নাম।

আধপাখিয়ার ভ্যান চালক বিল্লাল একই এলাকার মোফাজ্জলের কাছ থেকে বিপদে পড়ে মাসিক বিশ টাকা হাড় সুদে ৫ হাজার টাকা নিয়েছিল।গত প্রায় ২ বছরে বিল্লাল প্রায় বিশ হাজার টাকা সুদ দিয়েছে। সম্প্রতি সুদ দিতে দেরী হওয়ায় মোফাজ্জল চাপ দেয় সুদে আসলে তার টাকা দিয়ে দিতে হবে।টাকা দিতে দেরী হওয়ায় ২৯ অক্টোবর বিল্লালকে স্থানীয় সুমনের দোকানের সামনে বেদরক মারধর করে।নির্যাতন দেখে সহ্য না হওয়ায় দোকানদার সুমন মোফাজ্জলের টাকা দিয়ে দেন।এ সময় তাকে সুদসহ ৬ হাজার টাকাই দিতে হয়।এমন অভিযোগ স্থানীয় এক নারীও করেছেন।

এলাকার অনেকের সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হয়েছে, তারা জানিয়েছেন মোফাজ্জল চড়া সুদে টাকা লাগান। টাকা আদায় করতে গিয়ে অনেকের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তার টাকার সুদ দিতে দিতে অনেকে নিঃশ্ব হয়েছেন।অনেকের ঢাকা শহরে গিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। এলাকার মানুষের সাথে যেন তার পায়কারি হাড়ে বিরোধ। কোন ব্যাক্তি এ সকল ঘটনার প্রতিবাদ করলেই সেও পড়ে তাদের রোষানলে।

মোফাজ্জল জানান, এলাকায় তার সাথে কারো বিরোধ নেই। পাওনা টাকা চাইলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।তিনি তার ভাই মেম্বার এর নাম উল্লেখ করে বলেন আমি খারাপ হলে কি ভাইকে ভোট দিতো? জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে তাদের সাথে অনেকের। সে গুলোও মানুষ সমালোচনা করে।

ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম
ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে অভিযান চালিয়ে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৪)। এ ঘটনায় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা যায়, গত ১ নভেম্বর দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে গৌরীপুর উপজেলার মইলাকান্দা ইউনিয়নের পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির একটি টিনশেড ঘরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিপিএসসি, এসআরবি-১৪, ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দুলাল চন্দ্র বণিক (৫৫) ও মো. হাতিম মিয়া (৪২)। তাঁদের দুজনেরই বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামগঞ্জ বাজার এলাকায় অবস্থানকালে আভিযানিক দল জানতে পারে, পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির দুলাল চন্দ্র বণিকের ঘরে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

পরে উপস্থিত লোকজন ও সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে ছয়টি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তার দুজন পরস্পর যোগসাজশে বিক্রির উদ্দেশ্যে গাঁজাগুলো নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসআরবি-১৪ সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এজাহার দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার করা গাঁজা ও জব্দ করা আলামতসহ তাঁদের গৌরীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।