সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

পরিবর্তন: হরিজন পল্লীর জীবনে স্বাবলম্বিতার নতুন ঠিকানা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫, ২:১১ পিএম
পরিবর্তন: হরিজন পল্লীর জীবনে স্বাবলম্বিতার নতুন ঠিকানা

দীর্ঘদিন ধরেই সমাজের একটি অংশ থেকে গেছে সমাজের মূল স্রোতের বাইরে—অবহেলিত, উপেক্ষিত ও বঞ্চিত। এই সম্প্রদায়ের একটি বড় অংশ হলো হরিজন সম্প্রদায়।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবেই যাদের আমরা চিনি, তারা প্রতিদিন শহরের প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে রাখে পরিচ্ছন্নতা, কিন্তু নিজেদের জীবন জড়িয়ে থাকে অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা এবং সুযোগের অভাবে। এই দীর্ঘদিনের বঞ্চনার চক্র থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যে জন্ম নেয় একটি ব্যতিক্রমধর্মী সামাজিক উদ্যোগ—“পরিবর্তন”।

‘পরিবর্তন’ মানেই সমাজে ইতিবাচক গতিশীলতা আনা

‘পরিবর্তন’ হলো একটি যুব-নেতৃত্বাধীন সামাজিক উদ্যোগ, যার মূল লক্ষ্য হলো হরিজন সম্প্রদায়ের কর্মক্ষম সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলা। এই প্রকল্প শুধুমাত্র দান বা সাহায্যের উপর নির্ভরশীল নয়, বরং আত্মসম্মান ও অধিকারকে ভিত্তি করে একটি স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা তৈরি করতে চায়।

প্রকল্পের সূচনা হয় চাইল্ড কেয়ার ও এল্ডার কেয়ার প্রশিক্ষণ দিয়ে। হরিজন সম্প্রদায়ের কর্মক্ষম নারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কীভাবে শিশু ও প্রবীণদের যত্ন নেওয়া যায় নিরাপদ, মানবিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে। এর ফলে তারা শুধু পরিচ্ছন্নতাকর্মী নয়, বরং একজন প্রশিক্ষিত কেয়ারগিভার হিসেবে বিভিন্ন পরিবারে কাজ করার সুযোগ পায়। আজ বীণা, কানু, রতনরা কেয়ারগিভার হিসেবে কাজ করছে, অর্থ উপার্জন করছে, এবং তাদের সন্তানদের একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

হস্তশিল্প: তাদের হাতে ছিল প্রতিভা, প্রয়োজন ছিল একটি প্ল্যাটফর্ম

প্রকল্পটি যখন আরও গভীরভাবে সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করতে শুরু করে, তখন তারা একটি বড় সত্য আবিষ্কার করে—এই মানুষগুলোর হাতে রয়েছে অসাধারণ হস্তশিল্প দক্ষতা। কেউ কাঠের কাজ জানেন, কেউ জানেন পাট দিয়ে গৃহসজ্জার সামগ্রী বানানো, কেউ দক্ষ কাপড়ের ব্যাগ বানাতে, আবার কেউ অসাধারণ নকশার কাজ জানেন। এই সুপ্ত প্রতিভাগুলোকে বাজারের সঙ্গে যুক্ত করাই হয়ে ওঠে ‘পরিবর্তন’-এর পরবর্তী লক্ষ্য।

‘পরিবর্তন’ একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে, যেখানে এই পণ্যগুলো প্রদর্শন ও বিক্রয় করা হয়। শহরের ক্রেতারা এখন পছন্দ করে হরিজনদের তৈরি ব্যাগ, মেডিসিন বক্স, ম্যাট, শোপিস, কাঠের ফ্রেম। প্রতিটি পণ্যে লুকিয়ে থাকে তাদের সংগ্রামের গল্প, বাঁচার তাগিদ আর শিল্পমানস।

শিল্পী নয়, তারা পরিবর্তনের কারিগর

আজ গোপাল ও হরিদাস পাট দিয়ে তৈরি করছে শাড়ি ও গামছা, নির্মল ও নীলকমল কাঠের ফ্রেম, শোপিস, মেডিসিন বক্স তৈরি করছে, কমলা, ফুলবাসী ও রেবা কাপড়ের ব্যাগ ও নকশার কাজ করছে। একসময় যাদের জীবনে উৎসব মানেই ছিলো আরও একটি সাধারণ দিন, তারা এখন নিজেদের উপার্জনে পরিবারের ঈদ, পূজা বা নতুন বছর উদযাপন করছে সম্মানের সঙ্গে।

অভিযাত্রার অংশীদারিত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

‘পরিবর্তন’ আজ শুধু একটি প্রজেক্ট নয়, এটি একটি আন্দোলন—স্বাবলম্বিতার, সম্মানের, অধিকার প্রতিষ্ঠার। বর্তমানে এই প্রকল্পে রয়েছে একাধিক সংগঠনের সহযোগিতা—Spare প্রশিক্ষণ সহযোগী হিসেবে, Page Lasa হসপিটালিটি সহযোগী হিসেবে এবং The New Matribhandar লজিস্টিক পার্টনার হিসেবে কাজ করছে।

প্রতিষ্ঠাতারা মনে করেন, প্রকৃত পরিবর্তন আসে নিচু তলা থেকে—যখন একজন মা নিজের উপার্জনে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে পারে, কিংবা একজন বাবা নিজের তৈরি পণ্য দেখে গর্ব অনুভব করে। এই প্রকল্প শুধু সহানুভূতির নয়, এটি সমানাধিকারের ভিত্তিতে একটি টেকসই সমাজ গঠনের চেষ্টা।

শেষ কথা

‘পরিবর্তন’ প্রমাণ করেছে যে সুযোগ দিলে, প্রতিটি মানুষই তাদের জীবনের চিত্র পাল্টে দিতে পারে। সমাজের অবহেলিত কোনা থেকে উঠে আসা এই মানুষগুলোর সাফল্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পরিবর্তন মানেই সম্ভাবনা। আজ তাদের গল্প শুধু অনুপ্রেরণার নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের এক অনবদ্য নজির।

শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে ধীরগতি, ডেঙ্গু ও হামের প্রাদুর্ভাব এবং ফাইলবন্দি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। এ প্রেক্ষাপটে রোববার (২১ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির জুন ২০২৬ মাসের সভা।

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বাস্তবমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি এবং হামের সংক্রমণের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে অন্তত একদিন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মশার লার্ভা ধ্বংসে সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ও কার্যকরভাবে ব্যয় নিশ্চিত করে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রোধে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণে কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক।

সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “উন্নয়ন বা জনসেবার নামে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। মাঠপর্যায়ের কাজের অগ্রগতি শুধু নথিপত্রে নয়, বাস্তবেও দৃশ্যমান হতে হবে।”

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারাকান্দা উপজেলার কৃতি সন্তান এস. এম. মেহেদী হাসান তালুকদার।

তিনি তারাকান্দা উপজেলার ৭ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। মেহেদী হাসান তালুকদার রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর বাবা মোঃ উছমান গনি তালুকদার রামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তাঁর দাদা ছিলেন ওই ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি।

পারিবারিকভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক আদর্শ ও চেতনার পরিবেশে বেড়ে ওঠা মেহেদী হাসান তালুকদার ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলের প্রতি নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

তাঁর এ পদপ্রাপ্তিতে তারাকান্দা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মেহেদী হাসান তালুকদার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।