বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

সন্তানকে প্রাণোচ্ছল করে তুলতে ১৬৫ বছর আগের এই সুইডিশ রহস্য মেনে চলুন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫, ৩:১৬ পিএম
সন্তানকে প্রাণোচ্ছল করে তুলতে ১৬৫ বছর আগের এই সুইডিশ রহস্য মেনে চলুন

শিশুর ভবিষ্যৎ জীবনের অনেক কিছুই নির্ভর করে তার বেড়ে ওঠার ওপর। এই সময় মা-বাবার আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গি শিশুর ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। সব অভিভাবকেরই ইচ্ছা থাকে তাঁদের সন্তান যেন হাসিখুশি, আত্মবিশ্বাসী ও বুদ্ধিদীপ্ত হয়ে গড়ে ওঠে। সন্তানের সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেন তাঁরা।

বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের তালিকায় শীর্ষে থাকে নর্ডিক দেশগুলো। এর মধ্যে অন্যতম সুইডেন। দেশটিতে ১৬৫ বছর আগে থেকেই একটি বিশেষ জীবনধারার চর্চা আছে, যার মাধ্যমে শিশুকে সহজেই ইতিবাচক মনোভাবসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ধারণাটি ‘ফ্রিলুফৎসলিভ’ বা ‘ওপেন এয়ার লাইফ’ নামে বহুল পরিচিত, যার অর্থ প্রকৃতিকে আপন করে নেওয়া ও বাইরের পরিবেশে সময় কাটানো। প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার এই জীবনদর্শন সুইডিশ সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চলুন জেনে নিই, কীভাবে এই দর্শন আপনার সন্তান পালনে কাজে লাগাতে পারেন।

বাইরে যাওয়ার জন্য সময় নির্ধারণ করুন

বর্তমানে টেলিভিশন, মুঠোফোনসহ নানা প্রযুক্তির ব্যবহারে শিশুরা প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। যার ফলে তাদের মনোযোগেও দেখা দিচ্ছে ঘাটতি। অথচ মানুষ প্রকৃতিরই অংশ। প্রকৃতির মধ্যে সময় কাটালে শিশুর মানসিক বিকাশ হয় ভালোভাবে। তাই মা-বাবার উচিত প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় শিশুদের প্রকৃতির মধ্যে কাটানোর সুযোগ করে দেওয়া। নাগরিক জীবনে অসম্ভব মনে হতে পারে, কিন্তু আগেভাগেই সময় নির্ধারণ করলে তা সহজ হয়ে যায়। সুইডিশ সংস্কৃতিতে সকাল বা সন্ধ্যার হাঁটাকে ‘পবিত্র কাজ’ মনে করা হয়। সন্তানকে নিয়ে প্রতিদিন এ সময় হাঁটার অভ্যাস তৈরি করলে প্রকৃতির কাছাকাছি আসার পাশাপাশি মা-বাবার সঙ্গে শিশুর সম্পর্কও দৃঢ় হয়।

যেখানে আছেন, সেখান থেকেই শুরু করুন

প্রকৃতির সঙ্গে শিশুর সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য যে এখনই বনজঙ্গলে গিয়ে ক্যাম্পিং করতে হবে, এমনটা নয়। প্রথমে শিশুকে আশপাশের প্রকৃতি চেনানো দিয়ে শুরু করুন। গাছপালা, পাখি, ফুল, রঙিন পাতা, প্রজাপতি কিংবা কাঠবিড়ালি চেনান। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে গাছের পাতার নড়াচড়া দেখা কিংবা বৃষ্টির শব্দ শোনার মধ্যেও প্রকৃতির সঙ্গে এক গভীর সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।

আবহাওয়া যেন বাধা না হয়

ঋতু পরিবর্তনে আবহাওয়াও পরিবর্তন হয়। বর্ষার সময় যেমন বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনায় বিঘ্ন ঘটাতে পারে। দূষণ বা অন্য কোনো সমস্যা না থাকলে যেকোনো আবহাওয়ায় শিশুকে প্রকৃতির কাছে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। আবহাওয়া ঠান্ডা হলে গরম জামাকাপড় পরিয়ে দিন, হালকা বৃষ্টিতে রেইনকোট বা ছাতা হাতে বাইরে বের হওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। অনেক সময় বৃষ্টিতে ভেজা, কাদা মাড়িয়ে হাঁটার অনুভূতিই হয়ে ওঠে শিশুর শৈশবের সেরা স্মৃতি।

সূত্র: সিএনবিসি

৫ আগস্ট-পরবর্তী ৯১.৭% সহিংসতার সঙ্গে বিএনপি সম্পৃক্ত, ২০.৭%-এর সঙ্গে আ.লীগ: টিআইবি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১২ পিএম
৫ আগস্ট-পরবর্তী ৯১.৭% সহিংসতার সঙ্গে বিএনপি সম্পৃক্ত, ২০.৭%-এর সঙ্গে আ.লীগ: টিআইবি

এই ১৭ মাসে সারাদেশে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যাতে ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত এবং সাত হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর একটি গবেষণা অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর ঘটা রাজনৈতিক সহিংসতার ৯১.৭ শতাংশ ঘটনার সাথে বিএনপি যুক্ত।

আজ (২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে, ২০.৭ শতাংশ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ৭.৭ শতাংশ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী এবং ১.২ শতাংশ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সম্পৃক্ততা রয়েছে।

‘স্বৈরাচারের পতনের দেড় বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রতিবেদনটির ফলাফল টিআইবি-র সম্মেলন কক্ষে প্রকাশ করা হয়।

টিআইবি জানায়, বিভিন্ন দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং রাজনৈতিক সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত—এই ১৭ মাসে সারাদেশে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যাতে ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত এবং সাত হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন।

এই ঘটনাগুলোর মধ্যে ৫৫০টিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, আর ১২৪টি ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সদস্যরা জড়িত ছিল। এই সময়ে জামায়াত ৪৬টি ঘটনায় জড়িত ছিল বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

টিআইবি-র মতে, সরকার পতনের পর আগে আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রমের দখল নেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবহন টার্মিনাল ও স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, সিলেটের পাথর কোয়ারি ও নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন এবং ব্রিজ, বাজার, ঘাট, বালু মহাল ও জলাশয়ের ইজারা দখলের লড়াই।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনেকাংশেই অকার্যকর ছিল এবং দলগুলো সহিংসতা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত নিজ কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

তফসিলের পর সারাদেশে হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৫ রাজনৈতিক নেতাকর্মী: টিআইবি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
তফসিলের পর সারাদেশে হত্যাকাণ্ডের শিকার ১৫ রাজনৈতিক নেতাকর্মী: টিআইবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সারাদেশে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৭ মাসে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন। এছাড়া ৭ হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৫০টি ঘটনায় (৯১ দশমিক ৭ শতাংশ) বিএনপি, ১২৪টি ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ (২০ দশমিক ৭ শতাংশ) এবং ৪৬টি ঘটনায় (৭ দশমিক ৭ শতাংশ) জামায়াতে ইসলামী সম্পৃক্ত ছিল।

টিআইবি জানায়, তফসিল ঘোষণার পর ৩৬ দিনে সারাদেশে অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে ২০২৫ সালে ৪০১ রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১০২ নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি ১ হাজার ৩৩৩ অস্ত্র নিখোঁজ ছাড়াও ডিপফেক ও ভুল তথ্যের বাড়তি হুমকি, সংখ্যালঘুদের ওপর পঞ্চাশের বেশি হামলার ফলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো মেয়াদেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। খুন, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, আন্দোলন, লুটপাট, অরাজকতা অব্যাহত রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ৬৭ কোটি ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা ৫৫ কোটি ডলারে নেমে আসে। যা ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

ময়মনসিংহে অলিম্পিক ভিলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

নির্বাচনে সেনাসদস্যদের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বজায়ের নির্দেশ সেনাপ্রধানের

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
নির্বাচনে সেনাসদস্যদের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বজায়ের নির্দেশ সেনাপ্রধানের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও ধৈর্য বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ময়মনসিংহ সফরকালে তিনি বলেন, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের আস্থা অটুট থাকে।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সেনাপ্রধান নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। সভায় ময়মনসিংহ বিভাগের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তিনি নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এর আগে ও পরে সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি হিসেবে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ত্রিশালে প্রস্তাবিত ‘অলিম্পিক ভিলেজ’ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।

সেনাপ্রধান আশা প্রকাশ করেন, অলিম্পিক ভিলেজ আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে বিশ্বমঞ্চে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাবে।