বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির লালিত জুয়েলের যৌন হয়রানির শিকার এক শিক্ষার্থী

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫, ৪:৪২ পিএম
মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির লালিত জুয়েলের যৌন হয়রানির শিকার এক শিক্ষার্থী

সারাদেশে শিক্ষা অঙ্গনে শিক্ষার্থী যৌন হয়রানি বন্ধের দাবিতে উত্তাল, ঠিক সেই মুহুর্তে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েলের যৌন হয়রানি থেকে রক্ষা পায়নি একই কলেজের এক শিক্ষার্থী।

এমন কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং দ্বায়িত্বশীল শিক্ষক মণ্ডলীর মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষে ও ম্যানেজিং কমিটির লালিত ঐ ডেমোনেস্ট্রেটর বহু নারী কেলেংকারী মাস্টারমাইন্ড আক্তারুজ্জামান জুয়েল রয়েছেন বহাল তবিয়তে।

সুত্র জানায়, যে কোন সময় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল সহ হামলার আশংকা রয়েছে।

মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দ জানান, কলেজটি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুয়াকাটায় বার্ষিক বনভোজন বা পিকনিকের আয়োজন করা হয়। ঐ বনভোজনে অত্র কলেজের ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েল কর্তৃক একই কলেজের এক ছাত্রী যৌন হয়রানি শিকার হন।

পরবর্তীতে ঐ ছাত্রী কলেজ অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগে সন্তোষজনক বিচার না পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কলেজটির ম্যানেজিং কমিটির দ্বায়িত্বে থাকা মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর দ্বারস্থ হয়ে বিচার না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এই অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, যৌন হয়রানির শিকার শিক্ষার্থী মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি জানান, ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েলকে এবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাকে শাসানো হয়েছে। এই প্রতিবেদক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে প্রশ্ন করেন যৌন হয়রানির বিচার কি শুধু শাসানো? তখন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিজেকে মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের সদস্য পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, যৌন হয়রানির শিকার ঐ ছাত্রীর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েলের বিরুদ্ধে নমনীয়তা দেখানো হয়েছে।

এবিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি । অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জেনেছি, ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েল ঐ ছাত্রীকে পা দিয়ে স্পর্শ করেন। এবিষয়ে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন ? প্রতিবেদক এমন প্রশ্ন করলে তিনি কথা শেষ না করেই ফোন কেটে দেন।

ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েল সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, জুয়েল ইতিমধ্যে বহু নারী কেলেংকারীর পাশাপাশি ৩টি বিয়ে করেছেন। জুয়েলের বিরুদ্ধে তার সাবেক স্ত্রী’গন বিভিন্ন সময় মুক্তাগাছার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে বিচার প্রার্থী হয়েছেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জুয়েলকে নির্বিত্ত করতে না পারায় তার স্ত্রী বিজ্ঞ আদালতের নিকট বিচার প্রার্থী হয়েছে।

নারী লোভী দুশ্চরিত্র মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েলের এমন তৎপরতা বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে সামাজিক এবং শিক্ষা-অঙ্গনের ভাবমূর্তি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে জানাযায়, শুধু নারী কেলেংকারীতেই সীমাবদ্ধ নয় তিনি। মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত শেখ মুহাম্মাদ আক্তারুজ্জামান জুয়েল অসংখ্য মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে নিকটাত্মীয়সহ এলাকার প্রায় অর্ধশত পরিবারকে হয়রানি করছে।

অভিযোগ রয়েছে, একজন কম্পিউটার ডেমোনেস্টেটর পদে চাকুরী করলেও মামলার এজাহারে নিজেকে প্রভাষক দাবী করেছেন।

আরো জানাযায়, স্বায়ত্তশাসিত মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ে বছরে ২০দিন ছুটির নিয়ম থাকলেও এতসব মামলার হাজিরা নিয়ে প্রশ্ন দীর্ঘ দিনের। ৫ আগস্টের আগে এসকল তথ্যের জন্য অধ্যক্ষ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র, মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিল্লাল হোসেন সরকারের কাছে গেলে সাংবাদিকদের কোন তথ্য প্রদান করেননি। বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপন করে তাদের লালিত কম্পিউটার ডিমোনেস্টটরকে রেখেছেন বহাল তবিয়তে।

এবিষয়ে অধ্যক্ষের কাছে জানতে চাইলে তিন বলেন, আক্তারুজ্জামান জুয়েল প্রভাষক না, সে যদি এ পরিচয় কোথাও ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আমার কি করার আছে। তবে তাকে প্রভাষক পরিচয় দিতে মৌখিকভাবে না করে দিয়েছি। আমি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমার ক্ষমতা অর্ধেক, তাই আমি চাইলে সব কিছুর ব্যবস্থা নিতে পারিনা বলে অপারগতা প্রকাশ করেন।

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত দুই যুবকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:২৯ পিএম
ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত দুই যুবকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীর ৩২নং ওয়ার্ডের চর কালীবাড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত দুই যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোঃ সাকিব মিয়া (২৪)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মে ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ৩২নং ওয়ার্ডের চর কালিবাড়ী এলাকায় জলিল মুন্সির পুরাতন বাড়ী ভিটার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাকিব মিয়া ও তার বন্ধু মোঃ আরিফুল ইসলাম (২৫) বাড়ি ফেরার পথে একদল ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে উভয়েই আহত হন। এ সময় প্রধান অভিযুক্ত রেজাউল নামে এক ব্যক্তি সাকিব মিয়ার চোখের কাছে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। যাওয়ার সময় তারা পুনরায় হুমকি দিয়ে বলে, মাদক ব্যবসায় বাধা দিলে বা পুলিশে অভিযোগ করলে ভুক্তভোগীদের হত্যা করে লাশ গুম করা হবে।

পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা স্থানীয় মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য হিসেবে এলাকায় মাদক নির্মূলে কাজ করছিলেন। এ কারণে মাদক ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের শিকার হয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা এম.এস.এ আরেফিন।

এম.এস.এ আরেফিনের পিতার নাম মহিউদ্দিন মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৩ নং কুশমাইল ইউনিয়নের কুশমাইল ধামর কাচারি (নায়েব বাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা।

শিক্ষাজীবনে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ২০১৩ সালে ফুলবাড়িয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে ফুলবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি আনন্দমোহন কলেজের গণিত বিভাগ থেকে ২০১৬-১৭ সেশনে বিএসসি (সম্মান) এবং একই বিভাগ থেকে এমএসসি (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এম.এস.এ আরেফিন পূর্বে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি “লাইট অফ ট্রিমস ইউথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি” ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

তার এই নির্বাচনে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এম.এস.এ আরেফিন তার মেধা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবেন।

আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৩২ এম
আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা আছিফুজ্জামান অসীম। সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতায় আছিফুজ্জামান অসীম সবসময়ই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে মহানগর ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, আছিফুজ্জামান অসীম একজন পরিশ্রমী, সাহসী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।