শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ ১৪৩২
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ ১৪৩২

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনে এডিএম উম্মে হাবীবা মীরা দায়িত্বশীল সৎ কর্মকান্ডে প্রসংশিত হয়েছেন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪০ পিএম
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনে এডিএম উম্মে হাবীবা মীরা দায়িত্বশীল সৎ কর্মকান্ডে প্রসংশিত হয়েছেন

প্রশাসন ক্যাডারে একজন সৎ, কর্মঠ, নিরহংকার, দক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে ইতিমধ্যে তার সততা ও সাহসীকতায় ময়মনসিংহের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) উম্মে হাবীবা মীরা। ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম এর নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত জনপ্রশাসনকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জেলায় বিচ্ছিন্ন অভিযান টিম পরিচালনা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এসিল্যান্ডদের কর্মকান্ড মনিটরিং এর মাধ্যমে জনসেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জেলাবাসীর যেকোন বিপদ-আপদে প্রশাসনিক সেবার মাধ্যমে পাশে থাকতে সার্বণিক শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন এডিএম উম্মে হাবীবা মীরা। তাঁর সততা, কর্মস্পৃহা, দায়িত্বশীলতা ও জনমানুষের প্রতি আন্তরিকতা তাকে বসিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়েও যে আমজনতার মাঝে মিশে যাওয়া যায়, সেটা তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত তার কর্মদতা, সততা, আন্তরিকতার ছোঁয়ায় ও সাহসিকতায়। তিনি ক্রমশ হয়ে উঠেছেন ময়মনসিংহ জেলাবাসীর আইকন। জনগণের যেকোন মহাদুর্যোগে জেলা শহরসহ ১৩টি উপজেলায় ছুটে বেড়ান মানুষকে সচেতন করতে। অনেক সময় তিনি জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম এর সাথে পরামর্শ করে তার নির্দেশনায় অসচ্ছল মানুষের মাঝে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিয়ে হয়েছেন ব্যাপক সমাদৃত।

বিএমইউজে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান বলেন ময়মনসিংহ জেলা শহরে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দের জন্যও তিনি তার মেধা দিয়ে দিয়ে পাশে থাকেন। সম্প্রতি ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের অধিকার বঞ্চিত সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনেও নিরীহ ও অসহায় বঞ্চিত সাংবাদিকদের পাশে থেকে ময়মনসিংহ প্রেসকাব সংস্কারে সহযোগিতা করেও তিনি সাংবাদিক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়ে উঠেছেন। তিনি জনগণের সেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে জেলা প্রশাসন সম্পর্কে সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের নেতিবাচক ধারণাই পাল্টে দিয়েছেন। দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিসহ সমাজের অসামাজিক কর্মকান্ড প্রতিরোধে, মাদক বিরোধী জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা উপজেলায় জনবহুল স্থানে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ অবহেলিত আর নিগৃহীত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়ে সকলের আস্থা ও বিশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দু হয়েছেন। নিরলস পরিশ্রম ও সততার মাধ্যমে নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন এক অনন্য উচ্চতায়।

সরকারি চাকরির নিয়মই হচ্ছে এক জায়গায় বেশিদিন দায়িত্ব পালন করা যাবে না। চলে যেতে হবে অন্য কোনো কর্মস্থলে। সেবা দিতে হবে সেই অঞ্চলের জনসাধারণের। এই নিয়মের বাইরে নন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। চাকরিজীবনে তাদের বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালন করতে হয়। কিন্তু যার মধ্যে সততা থাকে তাকে জেলাবাসী সারাজীবন মনে রাখে। এমনই একজন সৎ, নির্ভীক, কর্মঠ ও নিরহংকারী মনের অধিকারী মানুষ হচ্ছেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা। এই মানুষটি সম্পর্কে যত ইচ্ছা ততই লেখা যাবে। কেউ যদি মনে করেন ডিসিকে খুশি করার জন্য এই লেখা, তাহলে ভুল। যে মানুষটি ভালো করে তার ভালো আর যে খারাপ করে তার খারাপ দিকটা জনসমক্ষে তুলে ধরাই গণমাধ্যম কর্মীদের দায়িত্ব, আর সেই দায়িত্ববোধ থেকে এই প্রতিবেদন তেরী। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরার সততা ও দক্ষতা তার নেতৃত্বে চলমান এডিএম কোর্ট বিচার প্রার্থীদের কাছে আস্থার স্থল হিসাবে পরিণত হয়েছে বলেও জানা গেছে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদলতে জমিজমার দখল সংক্রান্ত দ্রুত বিচার পাবার জন্য মামলা রুজু করা হয়ে থাকে। একটি মামলা দায়েরের পর সে বিষয়ে দখল সংক্রান্ত প্রতিবেদন, শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য স্থানীয় থানাকে নির্দেশনা প্রদান, বিবাদীর জবাব দান এবং সর্বোপরি এ সকল বিষয়ে আদালতে শুনানি গ্রহণের জন্য একাধিক তারিখে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। বিগত দেড় মাসে নিষ্পত্তিকৃত মামলার সংখ্যা যার অবসান ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যান্য জেলার নিষ্পত্তির হারের মধ্যে বেশ উপরের দিকে।

এ আদালতের বিচারপ্রার্থী এক ব্যক্তি সাথে কথা হলে তিনি বলেন, সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য মামলা দায়ের করেছিলাম। তখন থেকে বার বার তারিখ নির্ধারণ করা হলেও তিনি চূড়ান্ত রায় পাননি। বর্তমান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে অত্যন্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে দেন। তিনি বর্তমানে বিবাদী পক্ষের অপশক্তির হাত থেকে মুক্ত বলে জানান।

তিনি ময়মনসিংহে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে গত ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর যোগদানের পর থেকে ময়মনসিংহের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ রাতদিন সেবা পাচ্ছেন। তার মতো অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রত্যেক জেলায় দায়িত্ব পালন করত তাহলে দেশের চেহারাটা মুহূর্তের মধ্যেই বদলে যেত। এমন প্রশংসনীয় কারণে তিনি ময়মনসিংহ জেলাবাসীর কাছে দেড় মাসে সর্বস্থরের মানুষের মুখে মুখে তার প্রসংশা। তিনি বর্তমানে এ জেলার সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা মীরা বলেন, আমার ওপর অর্পিত রাষ্ট্রের সকল আদেশ আমি সততা, স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করে যাচ্ছি। হতদরিদ্র, অসচ্ছল, অসহায় মানুষের জন্য সরকারের বরাদ্ধ যথাযথভাবে স্বচ্ছ তালিকার মাধ্যমে বণ্টন করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনায় সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে যাতে কোনো প্রকার অনিয়ম না হয় সেদিকে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি এখানে কিছু দিতে এসেছি, নিতে নয়। সকলে চাইলেই একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি সরকারের গৃহীত সকল মহতী কাজে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

গৌরীপুর থানায় ডিউটি অফিসার এএসআই আরমানের দায়িত্ব অবহেলা

গৌরীপুর প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৮ পিএম
গৌরীপুর থানায় ডিউটি অফিসার এএসআই আরমানের দায়িত্ব অবহেলা

থানা হলো সাধারণ মানুষের শেষ ভরসাস্থল। কিন্তু ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানায় গেলে দেখা মেলে ভিন্ন এক চিত্রের। খোদ ডিউটি অফিসারের চেয়ারই খালি! জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে কর্মস্থলে খুঁজে পাওয়া যায়নি এএসআই আরমানকে। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেলে ‘দৈনিক জনবাণী’র স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আনোয়ার হোসেনের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে থানার এমন লেজেগোবরে দশা। বিষয়টি নিয়ে খোদ ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) কামরুল হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

জানা যায়, বিকেল আনুমানিক ৫টা। একটি বিকাশ প্রতারক চক্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গৌরীপুর থানায় প্রবেশ করেন সাংবাদিক মোঃ আনোয়ার হোসেন। কিন্তু থানার মূল প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ‘ডিউটি অফিসার’-এর ডেস্কে গিয়ে দেখা যায় সেটি জনশূন্য। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও দেখা মেলেনি দায়িত্বরত কর্মকর্তা এএসআই আরমানের। একজন সংবাদকর্মী তথ্য সংগ্রহে গিয়ে যদি এমন পরিস্থিতির শিকার হন, তবে সাধারণ সেবাপ্রার্থীদের কী দশা হয়, তা নিয়ে এলাকায় চলছে আলোচনা সমালোচনা।

থানার ভেতরে এমন দায়িত্ব অবহেলা দেখে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন বিষয়টি সরাসরি মোবাইল ফোনে অবহিত করেন ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার কামরুল হাসানকে। পুলিশ সুপার বিষয়টি শোনার পর তাৎক্ষণিকভাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, জনগণের সেবায় নিয়োজিত থেকে ডিউটি চলাকালীন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে আইনজ্ঞরা বলছেন, ডিউটি অফিসারে দায়িত্বে থেকে অবহেলা করলে পুলিশ আইনের ৭ ধারা এবং পিআরবি-এর ৮৮০ বিধি অনুযায়ী দায়িত্ব অবহেলার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, পুলিশ জনগণের বন্ধু, এই স্লোগান যেন শুধু দেয়ালের লেখা হয়েই আছে। ডিউটি অফিসারের অনুপস্থিতিতে জিডি বা অভিযোগ দিতে আসা ভুক্তভোগীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে বাধ্য হন। এএসআই আরমানের এই দায়িত্ব অবহেলা কি ব্যক্তিগত ইচ্ছা নাকি থানার প্রশাসনের কোনো গাফিলতি, তা নিয়ে এখন এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ সুপারের এই কঠোর বার্তায় গৌরীপুর থানার কর্মকর্তাদের মধ্যে কিছুটা চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলেও, সাধারণ মানুষের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, বাস্তবে যেন এই অনিয়মের অবসান ঘটে।

এবিষয়ে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, ডিউটি অফিসারের থানার বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। এবিষয়ে অনুসন্ধান সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তারাকান্দাবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুর রশীদ

স্টাফ রিপোর্টার।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৫ পিএম
তারাকান্দাবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুর রশীদ

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে তারাকান্দা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক তারাকান্দা উপজেলা বিএনপির সদস্য, অনন্তপুর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশীদ।

ঈদ উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উৎসব। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ আমাদের জীবনে নিয়ে আসে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বার্তা। এই দিনে ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে সবাই একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়।

তিনি আরও বলেন, ঈদের প্রকৃত শিক্ষা হলো মানবতার কল্যাণে কাজ করা, সমাজে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করা এবং অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো। ঈদের এই পবিত্র মুহূর্তে তিনি সকলকে ভেদাভেদ ভুলে ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

মোঃ আব্দুর রশীদ তার শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, “আমি তারাকান্দা উপজেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রিয় তারাকান্দাবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানাই। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি দান করেন।”

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ঈদের আনন্দ সবার জীবনে বয়ে আনবে নতুন আশা ও সম্ভাবনা, আর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে শান্তি, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে।

সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা – ঈদ মোবারক।

মাদক দমনে মাদকসেবী! ফুলপুরে ‘বিড়ালের কাছে মাংসের পাহারা’ বিতর্কে তোলপাড়

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪২ পিএম
মাদক দমনে মাদকসেবী! ফুলপুরে ‘বিড়ালের কাছে মাংসের পাহারা’ বিতর্কে তোলপাড়

মাদকবিরোধী কার্যক্রমে এক কথিত মাদকসেবীর সম্পৃক্ততা ঘিরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বালিয়া বাজার এলাকায়। স্থানীয়দের ভাষায়, “এ যেন বিড়ালের কাছে মাংসের পাহারা দেওয়ার মতোই অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য ঘটনা।”

অভিযোগ রয়েছে, শান্ত (প্রায় ২৫), যিনি স্থানীয়ভাবে ওলামা লীগের একজন পদধারী নেতা হিসেবে পরিচিত, তিনি নিজেই দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত। এলাকাবাসীর দাবি, নিজের ঘর ও মহল্লায় তিনি মাদকসেবী হিসেবেই বেশি পরিচিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মা আছমা খাতুন, এক প্রবীণ সাংবাদিক চাচা এবং প্রবাসী এক ফুফুর বিরুদ্ধেও একাধিকবার আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

এমন একজন ব্যক্তির মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি এই কার্যক্রম ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হলে শান্ত মারধরের শিকার হন বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে।

কিছু মহল এটিকে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও স্থানীয়দের একটি অংশ বলছে, “এটি মূলত মাদকসংক্রান্ত আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, একে সাংবাদিক নির্যাতন হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। সচেতন মহল বলছে, মাদকবিরোধী কার্যক্রমে প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত না হলে এমন বিতর্ক ও অবিশ্বাস আরও বাড়বে।