বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৯ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৯ ১৪৩২

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে মাদক মামলার আসামিসহ গ্রেফতার-০৭

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫, ৮:৩৮ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে মাদক মামলার আসামিসহ গ্রেফতার-০৭

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ০৭ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

এসআই (নিঃ) মাসুদ জামালী সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। জাহাঙ্গীর আলম (৩২), পিতামৃত-মফিজুল ইসলাম, মাতা-মোছাঃ আম্বিয়া খাতুন, সাং-রঘুরামপুর সবজিপাড়া, শম্ভুগঞ্জ আজাহারের বাড়ীর পাশে, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ’কে কোতোয়ালী থানাধীন রঘুরামপুর এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই (নিঃ) সোহেল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ রাকিব হোসেন (২৮), পিতা-রুবেল হোসেন, মাতা-আছমা বেগম, সাং-আকুয়া লিচু বাগান, হাসেম মিয়ার বাড়ী, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন সারদা ঘোষ রোডস্থ ওয়ালটন সু-রুমের সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন এবং তাহার নিকট হইতে ১৫ পিস ইনজেকশন উদ্ধার করেন।

র‌্যাব-১৪ এর অফিসার সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া দস্যুতা মামলার আসামী ১। মোঃ সজিব ওরফে আফজাল (২৬), পিতা- মোঃ হালিম মিয়া, মাতা-মোয়ঃ রাজিয়া ও ফাতেমা, সাং-বাগমারা মেডিকেল গেট, ১৮ নং ওয়ার্ড, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহকে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানাধীন ময়মনসিং জেলা বালু ব্যবাসায়ী মালিক সমিতি কাচারী যাট শাখা অফিসের সামনে ইটের সলিং রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন এবং তাহার নিকট হইতে একটি চাকু উদ্ধার করেন।

ইহাছাড়াও এএসআই (নিঃ) ওমর ফারুক, আনছার আলী প্রত্যেকে থানা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করিয়া ০৪টি পরোয়ানাভুক্ত আসামীদের গ্রেফতার করেন।

পরোয়ানাভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা

১। নেকবর আলী , পিতা-মৃত: আবুল হোসেন, স্থায়ী: গ্রাম- চক ছত্রাপুর, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা –ময়মনসিংহ

২। জনি মিয়া , পিতা-মৃত: আঃ রহমান, স্থায়ী: গ্রাম- চক ছত্রাপুর, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা –ময়মনসিংহ

৩। নাজনীন , পিতা-/স্বামী: দেলোয়ার হোসেন, স্থায়ী: গ্রাম- পাটগুদাম রোড (রেলির মোড় (আদমজী মিলের পার্শ্বে)) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা –ময়মনসিংহ

৪। মোঃ মোরশেদ আলম , পিতা-মৃত: মুনসুর আলী, স্থায়ী : গ্রাম- সানকি পাড়া (নর্থ), উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা –ময়মনসিংহ

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

ময়মনসিংহের দাপুনিয়া ভূমি অফিসে ঘুষের রাজত্ব, সেবাগ্রহীতাদের চরম ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম
ময়মনসিংহের দাপুনিয়া ভূমি অফিসে ঘুষের রাজত্ব, সেবাগ্রহীতাদের চরম ভোগান্তি

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জমির খাজনা পরিশোধ থেকে শুরু করে নামজারি পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি দাপ্তরিক কাজেই ঘুষ দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অনলাইনে নামজারি (মিউটেশন) প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এই দপ্তরে দালালদের মধ্যস্থতা ছাড়া কোনো কাজই এগোয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিটি ফাইলের ওপর দালালদের সঙ্গে করা চুক্তির বিশেষ ‘সাংকেতিক চিহ্ন’ না থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নানা অজুহাতে আবেদন বাতিল করে দেন। ফলে সাধারণ মানুষকে একদিকে যেমন অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, অন্যদিকে পোহাতে হচ্ছে দীর্ঘ ভোগান্তি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, অনলাইনে আবেদন করার পর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। নির্দিষ্ট দালাল না থাকলে অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি আবেদনকারীর সঙ্গেও অর্থের চুক্তি করা হয়। চুক্তি সম্পন্ন হলে ফাইলের ওপর বিশেষ চিহ্ন দেওয়া হয়, যা দেখে পরবর্তী ধাপের কর্মকর্তারা ফাইলটি দ্রুত অগ্রসর করেন।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিদিন অফিস সময় শেষে বিশেষ চিহ্নযুক্ত ফাইলের হিসাব অনুযায়ী ঘুষের টাকা লেনদেন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, চূড়ান্ত অনুমোদনের ক্ষেত্রেও ভূমি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সরাসরি এই চুক্তিতে জড়িত থাকেন। যারা এই অনৈতিক চুক্তিতে রাজি হন না, তাদের আবেদন নানা ত্রুটি দেখিয়ে বাতিল করে দেওয়া হয়।

অনুসন্ধানে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে এই দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

ইউনিয়নের কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, নামজারি করাতে তাদের ভূমি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন, “আমি জমির নামজারি করতে সব কাগজপত্র ঠিকঠাক দিয়েছি। কিন্তু টাকা না দিলে কোনো কাজ এগোয় না। কয়েক মাস ধরে ঘুরছি, এখনো ফাইল এগোয়নি।”

অভিযোগ রয়েছে, অফিস টাইম শেষে নির্দিষ্ট দালালদের নিয়ে রাত পর্যন্ত চলে অবৈধ লেনদেনের হিসাব-নিকাশ। দালাল সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে সেবা নিতে চাইলে সেবাগ্রহীতাদের নানা হয়রানির শিকার হতে হয়। এমনকি চাহিদামতো ঘুষ না দিলে দীর্ঘদিনেও ফাইল টেবিল থেকে নড়ে না বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, প্রতিটি নামজারি খারিজের নথির পেছনে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এছাড়া মিসকেস, ১৪৪ ধারাসহ বিভিন্ন মামলার প্রতিবেদনের ক্ষেত্রেও ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, খাজনা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও অনিয়ম করা হচ্ছে। নায়েব শফিকুল ইসলাম ইচ্ছামতো বেশি খাজনা নির্ধারণ করলেও পরে অতিরিক্ত টাকা দিলে তা কমিয়ে দেওয়া হয়। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

ভুক্তভোগীদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একটি মিউটেশনের সরকারি ফি প্রায় ১,১৭০ টাকা হলেও দাপুনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে মিউটেশনের জন্য ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসিল্যান্ডের নাম ভাঙিয়ে এই টাকা আদায় করা হয়।

স্থানীয় সেবাপ্রত্যাশীরা জানান, জমির নামজারি, খতিয়ান দেখা, তদন্ত প্রতিবেদন কিংবা খাজনা আদায় প্রতিটি ধাপেই অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কোনো কাজ হয় না। ফলে প্রতিদিন অনেক মানুষকে অফিসের বারান্দায় ঘুরতে হচ্ছে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে দাপুনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হলে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

স্থানীয়দের দাবি, দাপুনিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এই দুর্নীতি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৫ এম
ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ময়মনসিংহ জেলা শাখার আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) নগরীর গ্রীন পার্ক রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন। রমজানের পবিত্রতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা, সমাজের কল্যাণ ও দেশ-জাতির উন্নতির জন্য একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি আসাদুজ্জামান জুয়েল আকন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজচিন্তক ড. ইদ্রিস খান। প্রধান অতিথি হিসেবে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ৩ ইন্সপেক্টরসহ তাজুল ইসলাম।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাপ্তি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোর্শেদ কামাল মিজান।

প্রধান আলোচক ড. ইদ্রিস খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, পবিত্র রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাস আমাদেরকে ধৈর্য, সহনশীলতা ও পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনের আহ্বান জানায়। তিনি বলেন, সাংবাদিক সমাজ জাতির বিবেক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়িয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইইউজে)’র সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান বলেন, দেশের তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকদের পেশার মানউন্নয়ন এবং অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, মফস্বল সাংবাদিকরা অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারষ্পরিক সম্পর্ক জোরধার করার আহবান জানিয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং মানুষ সঠিক তথ্য জানতে পারে। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে এবং পেশাগত উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন। এ ধরনের ইফতার মাহফিল সাংবাদিকদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্য বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশ বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য গড়ে তোলা বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি বলেন, সাংবাদিক সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে সংগঠনটি সবসময় কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সংগঠনটি আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা পবিত্র রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন। তারা সমাজে ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্বও তুলে ধরেন।

ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, জনকণ্ঠ প্রতিনিধি, আলমগীর কবির উজ্জ্বল, আমার সংবাদ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল আমিন, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি তাসলিমা রত্না সহ ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ ময়মনসিংহের কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। পরে উপস্থিত সকলের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়। আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

ময়মনসিংহে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের স্থান নিয়ে বিতর্ক!

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
ময়মনসিংহে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের স্থান নিয়ে বিতর্ক!

ময়মনসিংহ নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ওয়ার্ডবাসীর অভিযোগ, প্রস্তাবিত স্থানটি অধিকাংশ মানুষের জন্য দূরবর্তী হওয়ায় নাগরিক সেবা গ্রহণে ভোগান্তি বাড়তে পারে।

স্থানীয় নাগরিকদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, Mymensingh City Corporation-এর ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিসের জন্য নির্ধারিত বর্তমান স্থানটি ওয়ার্ডের অনেক বাসিন্দার জন্য সুবিধাজনক নয়। এতে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার মানুষকে নাগরিক সেবা গ্রহণের জন্য দুই থেকে তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হতে পারে।

নাগরিকদের মতে, বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, নারী ও সাধারণ মানুষের জন্য এত দূরত্ব অতিক্রম করা কষ্টসাধ্য হবে। এতে সরকারের ঘোষিত নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার মূল লক্ষ্যও ব্যাহত হতে পারে।

আবেদনকারীরা উল্লেখ করেছেন, Constitution of Bangladesh-এর অনুচ্ছেদ ২৭ (আইনের দৃষ্টিতে সমতা) এবং অনুচ্ছেদ ৩১ (আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার) অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক সমানভাবে প্রশাসনিক সেবা পাওয়ার অধিকারী।

এছাড়া Local Government (City Corporation) Act, 2009 অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম দায়িত্ব হলো নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য, স্বচ্ছ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা।

সরকারের Digital Bangladesh ও Smart Bangladesh বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নাগরিক সেবা সহজলভ্য করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে Local Government Division এবং a2i Programme-এর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

নাগরিকদের মতে, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডেও আধুনিক নাগরিক সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হলে মানুষ দ্রুত ও সহজে সরকারি সেবা পেতে পারবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের জন্য যে জমি নির্বাচন করা হয়েছে সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ে বা বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের মালিকানাধীন হতে পারে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এসব জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করলে ভবিষ্যতে আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে সচেতন নাগরিকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ওয়ার্ডবাসীর দাবি, নাগরিকদের মতামত বিবেচনা করে অধিকাংশ মানুষের জন্য সহজে যাতায়াতযোগ্য চায়না মোড় এলাকায় ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপন করা হলে হাজারো মানুষ উপকৃত হবে।

ওয়ার্ডবাসীর পক্ষে উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তা বিপ্লব নিভ বলেন, “নাগরিকদের সুবিধা বিবেচনা করেই ওয়ার্ড অফিসের স্থান নির্ধারণ করা উচিত। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে এমন স্থানে অফিস স্থাপন করুক, যেখানে অধিকাংশ মানুষ সহজে সেবা নিতে পারে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।