রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

নির্বাচন কমিশনসহ ৩ কর্মকর্তার পদত্যাগ

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে চরম অচল অবস্থা সহিংস ঘটনার আশংকা

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:৫৮ পিএম
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে চরম অচল অবস্থা সহিংস ঘটনার আশংকা

ময়মনসিংহ নগরীর গাঙ্গিনাপাড়ে অবস্থিত ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব। সম্প্রতি ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২৫ এর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হতে একযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ৩ জন কর্মকর্তা একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

 

তিনজন কর্মকর্তা হলেন রিটার্নিং অফিসার এডভোকেট এ.এইচ.এম খালেকুজ্জামান,ডা.কে.আর. ইসলাম ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো.আ.সামাদ আজাদী। গত (২৩ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক বরাবর তাঁদের স্বাক্ষরিত এ পদত্যাগ পত্র পাঠান।

 

পদত্যাগপত্রে তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদ এর নির্বাচন পরিচালনা করিয়া আসিতেছি। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের কোন নির্বাচন প্রার্থী কিংবা সদস্য নির্বাচন পরিচালনার বিষয়ে এবং আমাদের কার্যক্রমের নিরপেক্ষতা নিয়ে কেহ কোন সময়ই প্রশ্ন তুলে নাই। কিন্তু এবার ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদ নির্বাচন/২০২৫ এর একটি প্যানেলের প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী আমাদের কার্যক্রমের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বলেছেন যে, আমরা নিরপেক্ষ নই। ইতিমধ্যে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তাকে ফোনে তিনি হুমকি দিচ্ছেন যে, প্রেসক্লাবে সে যেন আর না যায়। এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্বাচন পরিচালনা কর্মকর্তা ইতিমধ্যেই ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারন ডাইরী (জিডি) করেছেন। ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের প্রার্থীদের নমিনেশন পেপার দাখিলের দিন এক পক্ষের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী তাদের নমিনেশন দাখিল করে সেই কক্ষেই তালা দিয়ে কিছু বহিরাগত লোক নিয়ে অন্য কেহ যেন কোন নমিনেশন পেপার দাখিল করতে না পারে তার বাধার সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার স্বয়ং প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে প্রেসক্লাবের চলমান সাধারণ সম্পাদক অমিত রায়ের উপস্থিতিতে অপর পক্ষের নমিনেশন পেপারে স্বাক্ষর ও তারিখ দিয়ে তা গ্রহণ করেন। এসময় প্রেসক্লাবের হিসাব রক্ষকের কক্ষে যাওয়ার চেষ্টা করলে ওই সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর মাধ্যমে বাধাগ্রস্থ হন। উল্লিখিত পরিস্থিতিতে আমরা নির্বাচন পরিচালনা কার্যক্রম করতে নিরাপদবোধ করছিনা। বিধায় আমরা নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হইতে একযোগে ০৩ (তিন) জন কর্মকর্তা পদত্যাগ করিলাম।

 

এ ঘটনায় সৃষ্ট উত্তেজনা সংঘর্ষে গড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

তথ্য মতে, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের লক্ষ্যে ২৭ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

 

এদিকে,৫ই আগষ্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সারাদেশের সকল প্রেসক্লাব ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্ত হলেও ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে এখনো সেই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাত থেকে রক্ষা পায়নি।প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদাধিকার বলে সভাপতি জেলা প্রশাসক। তবে স্থানীয় সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনে বর্তমান ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক এ প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন। এবং ময়মনসিংহে যোগদানের পর নতুন জেলা প্রশাসক এখন পর্যন্ত প্রেসক্লাবের কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেননি বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

 

সূত্র জানায়, বিভাগীয় নগরী হওয়ায় ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের সংখ্যাও ব্যাপক হারে বাড়ছে। তবে পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অ-সাংবাদিক (আইনজীবী, ব্যবসায়ী, সরকারি চাকরিজীবি) থাকায় গঠনতন্ত্র সংশোধনসহ পেশাদার সাংবাদিকদের প্রেসক্লাবে অন্তর্ভূক্তসহ এ প্রেসক্লাবটি সংস্কারের জন্য স্থানীয় বঞ্চিত সাংবাদিকরা বিভিন্ন দাবি জানিয়েছেন।

 

এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কারে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ শামসুল আলম খান ও সদস্য সচিব আজগর হোসেন রবিনের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক সাংবাদিক ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অবস্থান করে ক্লাবের নির্বাহী কমিটির সঙ্গে এক মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকদের ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অন্তর্ভূক্ত করা এবং প্রেসক্লাব সংস্কার শেষে সকল সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আহ্বান জানান।

 

কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম খান বলেন, প্রেসক্লাবে নির্বাচনের ঘটনায় বিভিন্ন হুমকির অভিযোগ এনে সাংবাদিক বাবুল হোসেন একটি জিডি করেছেন। আমরা তদন্ত করছি। এসআই সোলাইমান এর দায়িত্বে আছেন।

পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০১ পিএম
পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

পরিবেশ সংরক্ষণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের উদ্যোগে এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় পরিবেশ সচেতনতামূলক পথনাটক ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমনা আল মজীদ (উপসচিব), মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান, জেলা কালচারাল অফিসার আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন, সিরাক বাংলাদেশের প্রতিনিধি কামরান মিয়া, ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্য এবং সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পথনাটকে অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলার ক্ষতিকর প্রভাব এবং পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিক দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ সময় প্রতিপাদ্য ছিল, “শহর যদি হয় পরিষ্কার, সুস্থ থাকবে পরিবার।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

পথনাটকটি রচনা করেন যুব কাউন্সিলর মো. সজিব হাসান (সানি)। নির্দেশনায় ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম রবিন। এতে অভিনয় করেন মো. রবিন মিয়া, মিনহাজুল ইসলামসহ ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যরা।

গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

মাহমুদ হাসান আলিফ, গৌরিপুর।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

গৌরীপুরের লঙ্কার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সোহাগ মিয়ার দোকানটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে নিত্যপণ্য সংগ্রহের অন্যতম আস্থার স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দোকানটিতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যা স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

দোকান মালিক সোহাগ মিয়া জানান, স্থানীয় গ্রাহকদের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি পণ্যের গুণগত মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেতনতা অবলম্বন করছেন। দোকানের সব পণ্যের প্যাকেজিং ও মেয়াদ নিয়মিত যাচাই করা হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করতে পারেন।

ডিজিটাল সেবার এই যুগে সোহাগ মিয়া তার দোকানে বিকাশ এজেন্টসহ আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করেছেন। এতে স্থানীয় মানুষ খুব সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন, যা এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও কষ্ট দুটোই সাশ্রয় করছে।

এলাকাবাসী জানান, সোহাগ মিয়ার দোকানে সব সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে এবং দোকানের পরিবেশ বেশ গোছানো।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক সুজিত দাস বলেন, বাজারের মাঝামাঝি সময়ে এমন একটি দোকান থাকা আমাদের জন্য খুবই সুবিধাজনক। সোহাগ মিয়ার এই ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও গ্রাহকসেবার মানসিকতা স্থানীয় ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দিনেও তিনি তার এই সেবার মান ধরে রেখে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উদ্যোগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের মাঝে মোট ৪০০টি বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বি এম ইউসুফ আলী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী, ঊর্ধ্বতন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (আল-আমিন বীমা প্রকল্প) মো. আবু তাহের, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (জনপ্রিয় বীমা প্রকল্প) মো. কামাল হোসেন মহসিন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইসলামী ডিপিএস প্রকল্প) মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সিকদার।

এ সময় বক্তব্য দেন আল-বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কে এম বিল্লাল হোসেন, পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির বিভিন্ন প্রকল্পের ইনচার্জরা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মহাব্যবস্থাপক (সমন্বয়কারী, ময়মনসিংহ) সাকিল মাহমুদ।

বক্তারা বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সেবার মান অক্ষুণ্ন রেখে দ্রুততম সময়ে বীমা দাবি পরিশোধে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং বীমা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা গ্রাহকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০০টি বীমা দাবির চেক তুলে দেন।