সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ ১৪৩২
সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ ১৪৩২

নির্বাচন কমিশনসহ ৩ কর্মকর্তার পদত্যাগ

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে চরম অচল অবস্থা সহিংস ঘটনার আশংকা

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:৫৮ পিএম
ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে চরম অচল অবস্থা সহিংস ঘটনার আশংকা

ময়মনসিংহ নগরীর গাঙ্গিনাপাড়ে অবস্থিত ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব। সম্প্রতি ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২৫ এর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হতে একযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ৩ জন কর্মকর্তা একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

 

তিনজন কর্মকর্তা হলেন রিটার্নিং অফিসার এডভোকেট এ.এইচ.এম খালেকুজ্জামান,ডা.কে.আর. ইসলাম ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো.আ.সামাদ আজাদী। গত (২৩ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক বরাবর তাঁদের স্বাক্ষরিত এ পদত্যাগ পত্র পাঠান।

 

পদত্যাগপত্রে তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদ এর নির্বাচন পরিচালনা করিয়া আসিতেছি। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের কোন নির্বাচন প্রার্থী কিংবা সদস্য নির্বাচন পরিচালনার বিষয়ে এবং আমাদের কার্যক্রমের নিরপেক্ষতা নিয়ে কেহ কোন সময়ই প্রশ্ন তুলে নাই। কিন্তু এবার ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদ নির্বাচন/২০২৫ এর একটি প্যানেলের প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী আমাদের কার্যক্রমের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বলেছেন যে, আমরা নিরপেক্ষ নই। ইতিমধ্যে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তাকে ফোনে তিনি হুমকি দিচ্ছেন যে, প্রেসক্লাবে সে যেন আর না যায়। এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্বাচন পরিচালনা কর্মকর্তা ইতিমধ্যেই ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারন ডাইরী (জিডি) করেছেন। ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের প্রার্থীদের নমিনেশন পেপার দাখিলের দিন এক পক্ষের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী তাদের নমিনেশন দাখিল করে সেই কক্ষেই তালা দিয়ে কিছু বহিরাগত লোক নিয়ে অন্য কেহ যেন কোন নমিনেশন পেপার দাখিল করতে না পারে তার বাধার সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার স্বয়ং প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে প্রেসক্লাবের চলমান সাধারণ সম্পাদক অমিত রায়ের উপস্থিতিতে অপর পক্ষের নমিনেশন পেপারে স্বাক্ষর ও তারিখ দিয়ে তা গ্রহণ করেন। এসময় প্রেসক্লাবের হিসাব রক্ষকের কক্ষে যাওয়ার চেষ্টা করলে ওই সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর মাধ্যমে বাধাগ্রস্থ হন। উল্লিখিত পরিস্থিতিতে আমরা নির্বাচন পরিচালনা কার্যক্রম করতে নিরাপদবোধ করছিনা। বিধায় আমরা নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হইতে একযোগে ০৩ (তিন) জন কর্মকর্তা পদত্যাগ করিলাম।

 

এ ঘটনায় সৃষ্ট উত্তেজনা সংঘর্ষে গড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

তথ্য মতে, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের লক্ষ্যে ২৭ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

 

এদিকে,৫ই আগষ্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর জাতীয় প্রেসক্লাবসহ সারাদেশের সকল প্রেসক্লাব ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্ত হলেও ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে এখনো সেই ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাত থেকে রক্ষা পায়নি।প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদাধিকার বলে সভাপতি জেলা প্রশাসক। তবে স্থানীয় সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনে বর্তমান ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক এ প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন। এবং ময়মনসিংহে যোগদানের পর নতুন জেলা প্রশাসক এখন পর্যন্ত প্রেসক্লাবের কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেননি বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

 

সূত্র জানায়, বিভাগীয় নগরী হওয়ায় ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের সংখ্যাও ব্যাপক হারে বাড়ছে। তবে পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অ-সাংবাদিক (আইনজীবী, ব্যবসায়ী, সরকারি চাকরিজীবি) থাকায় গঠনতন্ত্র সংশোধনসহ পেশাদার সাংবাদিকদের প্রেসক্লাবে অন্তর্ভূক্তসহ এ প্রেসক্লাবটি সংস্কারের জন্য স্থানীয় বঞ্চিত সাংবাদিকরা বিভিন্ন দাবি জানিয়েছেন।

 

এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব সংস্কারে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ শামসুল আলম খান ও সদস্য সচিব আজগর হোসেন রবিনের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক সাংবাদিক ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অবস্থান করে ক্লাবের নির্বাহী কমিটির সঙ্গে এক মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকদের ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে অন্তর্ভূক্ত করা এবং প্রেসক্লাব সংস্কার শেষে সকল সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আহ্বান জানান।

 

কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম খান বলেন, প্রেসক্লাবে নির্বাচনের ঘটনায় বিভিন্ন হুমকির অভিযোগ এনে সাংবাদিক বাবুল হোসেন একটি জিডি করেছেন। আমরা তদন্ত করছি। এসআই সোলাইমান এর দায়িত্বে আছেন।

ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ পিএম
ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে প্রকাশ্য জনসমাগমের মধ্যেই দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন নজরুল ইসলাম (৪৬)।

নিহত নজরুল ইসলামের রামসিংহপুর এলাকার হাজী মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট ধোবাউড়া আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের কর্মী বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সংঘবদ্ধ কয়েকজন দুর্বৃত্ত হঠাৎ নজরুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এরশাদ বাজার ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নির্বাচনকে ঘিরে প্রকাশ্য স্থানে এমন সহিংসতায় জনমনে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনী পরিবেশকে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রভাবিত করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় ডৌহাখলা ইউনিয়নের গাজীপুরে সাব্দুল সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুক চিড়ে গড়ে উঠেছে অনুমোদনহীন অবৈধ ইকো ব্রিকস নামক ইটভাটা। ভোগান্তিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা, নিরব প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা যায়, অনুমোদনহীন অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়া, কয়লার গুড়া ও ধুলোবালিসহ ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দের মিশ্রনে বিদ্যালয়ের কোমোলমতি শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষে বসে লেখাপড়া করাটাই দায় হয়ে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ইটভাটা মালিক চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের সাবেক প্রভাবশালী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফারুকুল ইসলাম রতন পেশি শক্তিবলে বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ অবৈধ দখলে নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার সুযোগটুকুও কেড়ে নিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন এরা কি আসলেই চেয়ারম্যানরুপী সেবক ছিলেন? নাকি সেবক নামের জানোয়ার! সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কি খোঁজ রাখেন না? নাকি ঘুষের ঘোরে অন্ধ?

স্কুল পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জানায়, ইটভাটার কালো ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে ক্লাসে বসে থাকতে পারিনা, স্কুল ড্রেস একদিনের বেশি পড়তে পারিনা। আমাদের অনেক কষ্ট হয়, শ্বাস কষ্ট হয়, সর্দি-কাশি হয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফুর তাঁর বক্তব্য বলেন, আমরা শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীদের কি ক্লাস করাব, যেখানে আমরাই ঠিকে থাকতে পারিনা সেক্ষেত্রে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এগুলো কিভাবে সহ্য করবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের কিছু বলতে হবে না, আপনারা দয়া করে একটু বসুন তাহলেই অনুভব করতে পারবেন ইটভাটার ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে বিদ্যালয়টি যেন নরকে পরিনত হয়েছে।

এসময় তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠের জায়গা কেটে দখলে নিয়েছে, জায়গাটা ভরাট করে দিবে বলছে কিন্তু এখন পর্যন্ত দেয়নি। আজ আপনাদের ক্যামেরার সামনে কথা বলায় কাল থেকে এই বিদ্যালয়ে চাকুরী করতে পারব কি না আল্লাহ জানেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মুঠোফোন রিসিভ না করলেও গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, আমাদের পরিবেশ আসার কথা, ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট করলে পরিবেশের একটা প্রসিকিউশন লাগে ওনারা আসলেই বিষয়টি আমরা দেখব।

সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম
সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে জেগে উঠেছে সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকার যুবসমাজ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিস্তার, কিশোর-তরুণদের নেশায় জড়িয়ে পড়া এবং সামাজিক অবক্ষয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে একটি মাদক নির্মূল কমিটি। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, যেখানে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকাবাসীর মধ্যে মাদক সংশ্লিষ্ট নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় যুবসমাজ একত্রিত হয়ে একটি সংগঠিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। কমিটির মাধ্যমে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া এবং তরুণদের সচেতন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, এটি মাদকবিরোধী গণস্বাক্ষরের অংশ, যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনেকে স্বাক্ষর করেছেন। স্বাক্ষরকারীদের মতে, মাদকের কারণে পরিবার ভাঙছে, শিক্ষার্থীরা বিপথে যাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে- যা আর মেনে নেওয়া যায় না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। তারা দাবি করেন, এসব অভিযোগ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে এবং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানানো হবে। তবে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।

মাদক নির্মূল কমিটির এক উদ্যোক্তা বলেন, “আমরা কারও বিরুদ্ধে অন্যায় অপবাদ দিতে চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্ত হোক, দোষীরা আইনের আওতায় আসুক, আর আমাদের এলাকা মাদকমুক্ত হোক।”

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, যেকোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর আশা, যুবসমাজের এই ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করবে এবং সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকা ধীরে ধীরে একটি নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে পরিণত হবে।