সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

হালুয়াঘাটে এনএসআইয়ের বিশেষ অভিযান, ভারতীয় ছয়টি চোরাই গরু আটক

মাহফুজ আলম, হালুয়াঘাট।। প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৯ পিএম
হালুয়াঘাটে এনএসআইয়ের বিশেষ অভিযান, ভারতীয় ছয়টি চোরাই গরু আটক

ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট উপজেলার উত্তর পলাশতলা এলাকা থেকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ছয়টি চোরাই গরু আটক করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে গরু প্রবেশ ও বাণিজ্য বন্ধে গোয়েন্দা নজরদারির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উত্তর পলাশতলা এলাকা থেকে ভারতীয় ছয়টি গরু আটক করা হয়।

সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের অভিযান অবৈধ পণ্য ও গবাদিপশু পাচার রোধে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, জনস্বার্থে চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ময়মনসিংহে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪ ঘর বিক্রির অভিযোগ

সোহেল মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৭ পিএম
ময়মনসিংহে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪ ঘর বিক্রির অভিযোগ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৩নং বোররচর ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ঘর বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গুচ্ছগ্রামের মোট আটটি ঘরের মধ্যে চারটি ইতিমধ্যে বিক্রি করে দিয়েছেন বরাদ্দ পাওয়া সুবিধাভোগীরা। প্রতিটি ঘর ৯০ হাজার থেকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে অন্যদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভূমিহীন, গৃহহীন ও অসহায় মানুষের আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার এসব ঘর নির্মাণ করে বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু বরাদ্দ পাওয়া কয়েকজন সুবিধাভোগী অন্যত্র চলে গিয়ে তাঁদের নামে বরাদ্দ করা ঘর অন্যদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ঘর বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা। অথচ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাবলম্বী থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ প্রভাব খাটিয়ে এসব ঘর বরাদ্দ নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে সেই ঘর অন্যের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর অসহায় মানুষের স্থায়ী আবাসনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এসব ঘর ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো বিক্রি বা হস্তান্তর করা হলে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হবেন। তাই ঘর বরাদ্দের প্রক্রিয়া, সুবিধাভোগীদের যোগ্যতা এবং ঘর বিক্রির অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

এলাকাবাসী আরও বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি ঘরের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি করা আইনত অপরাধ। যাঁদের নামে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, কেবল তাঁরাই সেখানে বসবাস করতে পারবেন। এসব ঘর বিক্রি বা হস্তান্তরের সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তবে অভিযোগে উল্লিখিত ঘরগুলোর বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তি, বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং লেনদেনের বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

মিঠামইনে সততার দৃষ্টান্ত আব্দুর রউফ, ফেরত দিলেন কুড়িয়ে পাওয়া ৩৮ হাজার টাকা

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন।। প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম
মিঠামইনে সততার দৃষ্টান্ত আব্দুর রউফ, ফেরত দিলেন কুড়িয়ে পাওয়া ৩৮ হাজার টাকা

সততা ও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ। কুড়িয়ে পাওয়া ৩৮ হাজার টাকা আত্মসাৎ না করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন তিনি। তাঁর এমন দায়িত্বশীল আচরণ স্থানীয় মানুষের মধ্যে সততা ও নৈতিকতার ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর সকালে মিঠামইন উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের বাসিন্দা কুদ্দুস মিয়া ৩৮ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তাঁর টাকার বান্ডিলটি হারিয়ে যায়। পরে একটি ঘরে পড়ে থাকা টাকার বান্ডিলটি কুড়িয়ে পান সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ।

টাকা পাওয়ার পর তিনি তা নিজের কাছে রেখে দেওয়ার পরিবর্তে প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেন। একপর্যায়ে টাকার মালিক কুদ্দুস মিয়াকে শনাক্ত করে পুরো ৩৮ হাজার টাকা তাঁর হাতে ফিরিয়ে দেন।

নিজের এই কাজের বিষয়ে আব্দুর রউফ বলেন, “পরের টাকার ওপর আমার মোটেও লোভ নেই। পৃথিবীতে এসেছি খালি হাতে, আবার পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যাব খালি হাতে। আমি মনে করি, সবার মধ্যেই সততা থাকা প্রয়োজন।”

আব্দুর রউফের এই সততার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রশংসার সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও তাঁর এমন উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাঁদের মতে, হারানো টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার এই ঘটনা সমাজে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধের গুরুত্ব তুলে ধরে।

ঘাগড়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা মনে করেন, বর্তমান সময়ে ব্যক্তিস্বার্থ ও লোভের ঊর্ধ্বে উঠে এমন কাজ নতুন প্রজন্মের জন্য শিক্ষণীয়। কুড়িয়ে পাওয়া অর্থের প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করে তা ফিরিয়ে দেওয়া নিঃসন্দেহে অনুকরণীয় উদ্যোগ।

হারানো কষ্টার্জিত টাকা ফিরে পেয়ে কুদ্দুস মিয়া যেমন স্বস্তি পেয়েছেন, তেমনি আব্দুর রউফের এই উদ্যোগ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও মানবিকতার বার্তা দিয়েছে। তাঁর এই কাজ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের প্রকৃত পরিচয় শুধু সম্পদে নয়, সততা ও নৈতিকতার মধ্যেও নিহিত।

ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৫ পিএম
ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ

ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, পূর্ণাঙ্গ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় ও শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, ঢাকার অদূরে ময়মনসিংহের ত্রিশাল এলাকায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাইয়ে দ্রুত সমীক্ষা চালানো হবে। একই সঙ্গে বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সংসদ সদস্য, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর সারিন্দা সবারি রিসোর্টে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ শীর্ষক এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগকে অবহেলিত হিসেবে দেখতে চান না তিনি। বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। নোয়াখালী, সিলেটসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ যেভাবে নিজেদের এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন, ময়মনসিংহের মানুষকেও সেভাবে উদ্যোগী হতে হবে।

ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের অগ্রগতি বিবেচনায় ত্রিশাল এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে দ্রুত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চালানো হবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব উড়োজাহাজ পর্যায়ক্রমে ২০৩১ সাল থেকে ২০৩৬-৩৭ সালের মধ্যে বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তত দিনে বর্তমান বহরের অধিকাংশ উড়োজাহাজের পরিচালন মেয়াদ শেষ হয়ে আসবে। ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় রেখেই এ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, নিউইয়র্ক, সিডনি, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের মতো গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর সুযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণে এসব বিষয়ে কাজ করতে হবে।

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে চেষ্টা করা হবে। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তিনি নিজে এ বিষয়ে কথা বলবেন।

এ ছাড়া ময়মনসিংহে শিশু পার্ক প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উন্নয়নকাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবে। এ জন্য সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।

পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নেত্রকোনার বিরিশিরিকে জাতীয় পর্যায়ের আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে বৃহত্তর ময়মনসিংহের পর্যটন সম্ভাবনা বাড়বে এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আজকের কৃতী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের সাফল্য দেশের সমৃদ্ধি ও অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে। তবে ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের প্রতিও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি বলেন, দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের মতো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এ জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।

ময়মনসিংহে বেকারত্ব দূরীকরণ ও যুবকদের কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সঙ্গে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম যার যার, দেশ সবার’ এ বিশ্বাস ধারণ করে সবাইকে সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। পূজায় কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের সঠিক পথ বেছে নিয়ে মেধা, যোগ্যতা ও সততার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। ভবিষ্যতে তাদের মধ্য থেকেই চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা উঠে আসবেন।

ময়মনসিংহের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে জেলায় একটি তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে সাংবাদিকদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি আধুনিক সিনেপ্লেক্স ও বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসব সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪টি জেলাতেই তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন। এতে আরও বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ এবং ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার।

এ সময় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, অভিভাবক ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।