সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

জাল দলিল করে ২ একর ১৯ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ এমপি বাচ্চুর বিরুদ্ধে!

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
জাল দলিল করে ২ একর ১৯ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ এমপি বাচ্চুর বিরুদ্ধে!

জাল দলিল ও ভুয়া ওয়ারিশান সনদ তৈরির মাধ্যমে ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ একর ১৯ শতাংশ জমি জবরদখল এবং ওই জমি বন্ধক রেখে ব্যাংকঋণ নেওয়ার পাঁয়তারা করার অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার ও জমি উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভালুকা উপজেলার ৬ নম্বর ভালুকা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাশিল গ্রামের মৃত ছফির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মান্নান, জাকির হোসেন, সাকির হোসেন ও আলম হোসেন এবং ছফির উদ্দিনের নাতি ওয়াহাব মিয়া।

লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, ভালুকা উপজেলার বাশিল মৌজার এসএ ২০ নম্বর খতিয়ানের মালিক ছিলেন তাদের দাদা মৃত মদন শেখ। তাঁর মৃত্যুর পর ছফির উদ্দিনের নামে ৩৩৯ নম্বর বিএস/বিআরএস খতিয়ান লিপিবদ্ধ হয়। ওই খতিয়ানে আটটি দাগে মোট ২ একর ৯৬ শতাংশ জমি রয়েছে। ছফির উদ্দিন মৃত্যুকালে দুই স্ত্রী, ছয় ছেলে ও চার মেয়েসহ ১২ জন ওয়ারিশ রেখে যান।

ভুক্তভোগীদের দাবি, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ওই জমি তারা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। এমনকি ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও ছফির উদ্দিনের নামে ৩৩৯ নম্বর খতিয়ানের ২ একর ১৯ শতাংশ জমির খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, গত ৮ আগস্ট হঠাৎ স্যুট-টাই পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি ওই জমি পরিদর্শনে আসেন। পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের প্রিমিয়ার ব্যাংকের বনানী শাখার কর্মকর্তা বলে জানান। ব্যাংক কর্মকর্তারা তাদের জানান, ওই জমি বন্ধক রেখে এমপি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু শত কোটি টাকা ঋণের আবেদন করেছেন এবং ঋণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জমি পরিদর্শনে এসেছেন তারা।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, বিষয়টি জানতে পেরে জমির প্রকৃত ওয়ারিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাংক কর্মকর্তাদের জমি পরিদর্শনে বাধা দেন। পরে স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে তারা সেখান থেকে চলে যান।

এরপর ইউনিয়ন ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে এবং বিভিন্ন দলিলপত্র সংগ্রহ করে তারা কথিত জালিয়াতির বিষয়টি জানতে পারেন বলে দাবি করেন।

তাদের অভিযোগ, ছফির উদ্দিনের ৩৩৯ নম্বর খতিয়ানের ভুয়া মালিকানা ও ওয়ারিশান সনদ তৈরি করে বাশিল মৌজার মদন শেখের এসএ খতিয়ান-২০ এবং ছফির উদ্দিনের নামে থাকা বিআরএস খতিয়ানের ২৩৬, ২৩৭, ২৩৯, ২৪১, ২৪৮ ও ২৫১ নম্বর দাগ উল্লেখ করে একটি দলিল তৈরি করা হয়েছে। তাদের দাবি, দলিলটির নম্বর ৭৩৫৫ এবং তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০২৪।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ওই দলিলের মাধ্যমে ২ একর ১৯ শতাংশ জমি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ভাওয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের নামে নামজারি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের পর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভালুকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও জমি দখলের চেষ্টা চলছে। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের জমিসহ বন বিভাগ ও সাধারণ মানুষের জমিও দখলের অভিযোগ রয়েছে এমপি বাচ্চু ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবির বাইরে স্বাধীন কোনো নথি বা তদন্তের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, কথিত জাল দলিল তৈরিতে এমপি বাচ্চুর সহযোগী হিসেবে দলিলের শনাক্তকারী জিয়াদ হোসেন শাকিল ঢালী, দলিল লেখক সাইফুল আলম খান (সনদ নম্বর ৫২৩২) এবং সাক্ষী কায়সার ও হেলাল উদ্দিন জড়িত ছিলেন।

বাপ-দাদার সম্পত্তি রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে ভুক্তভোগীরা অভিযোগের তদন্ত, কথিত জাল দলিল বাতিল এবং জমি উদ্ধারের দাবি জানান।

এমপি বাচ্চুর বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “২০২৪ সালে এই জমি ক্রয় করে আমি খাজনা-খারিজ করেছি। দীর্ঘ সময়ে তাদের দাবিকৃত ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে আইন-আদালতের আশ্রয় না নিয়ে আমার মানহানি করার জন্য প্রতিপক্ষের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে। তাদের অতিরঞ্জিত বক্তব্যের অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

জমির মালিকানা, দলিলের বৈধতা এবং ব্যাংকঋণের আবেদনের বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগটির প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আধপাখিয়া গ্রামের মেম্বারের ভাই মোফাজ্জল হোসেন সুদে টাকা লাগিয়ে কম পক্ষে ২০ পরিবারকে পথে বসিয়ে দিয়েছেন। এদের প্রায় সকলেই হয়েছেন টাকা কিংবা সুদের টাকা দিতে নাপারায় নির্যাতনের শিকার।গত ২৯ অক্টোবর সুদের টাকার জন্য শারিরিক নির্যাতনের শিকার হন বিল্লাল মিয়া।এই হতভাগ্য থানায় অভিযোগ করতে পারেনি।পরে যদি এর চেয়ে বড় কিছু করে ফেলে। মোফাজ্জল এতোটাই এলাকায় আতংকের নাম।

আধপাখিয়ার ভ্যান চালক বিল্লাল একই এলাকার মোফাজ্জলের কাছ থেকে বিপদে পড়ে মাসিক বিশ টাকা হাড় সুদে ৫ হাজার টাকা নিয়েছিল।গত প্রায় ২ বছরে বিল্লাল প্রায় বিশ হাজার টাকা সুদ দিয়েছে। সম্প্রতি সুদ দিতে দেরী হওয়ায় মোফাজ্জল চাপ দেয় সুদে আসলে তার টাকা দিয়ে দিতে হবে।টাকা দিতে দেরী হওয়ায় ২৯ অক্টোবর বিল্লালকে স্থানীয় সুমনের দোকানের সামনে বেদরক মারধর করে।নির্যাতন দেখে সহ্য না হওয়ায় দোকানদার সুমন মোফাজ্জলের টাকা দিয়ে দেন।এ সময় তাকে সুদসহ ৬ হাজার টাকাই দিতে হয়।এমন অভিযোগ স্থানীয় এক নারীও করেছেন।

এলাকার অনেকের সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হয়েছে, তারা জানিয়েছেন মোফাজ্জল চড়া সুদে টাকা লাগান। টাকা আদায় করতে গিয়ে অনেকের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তার টাকার সুদ দিতে দিতে অনেকে নিঃশ্ব হয়েছেন।অনেকের ঢাকা শহরে গিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। এলাকার মানুষের সাথে যেন তার পায়কারি হাড়ে বিরোধ। কোন ব্যাক্তি এ সকল ঘটনার প্রতিবাদ করলেই সেও পড়ে তাদের রোষানলে।

মোফাজ্জল জানান, এলাকায় তার সাথে কারো বিরোধ নেই। পাওনা টাকা চাইলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।তিনি তার ভাই মেম্বার এর নাম উল্লেখ করে বলেন আমি খারাপ হলে কি ভাইকে ভোট দিতো? জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে তাদের সাথে অনেকের। সে গুলোও মানুষ সমালোচনা করে।

ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:২৪ পিএম
ময়মনসিংহে এসআরবি-১৪-এর অভিযান, ১০৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে অভিযান চালিয়ে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৪)। এ ঘটনায় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা যায়, গত ১ নভেম্বর দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে গৌরীপুর উপজেলার মইলাকান্দা ইউনিয়নের পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির একটি টিনশেড ঘরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিপিএসসি, এসআরবি-১৪, ময়মনসিংহের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দুলাল চন্দ্র বণিক (৫৫) ও মো. হাতিম মিয়া (৪২)। তাঁদের দুজনেরই বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামগঞ্জ বাজার এলাকায় অবস্থানকালে আভিযানিক দল জানতে পারে, পোদ্দারপাড়া বণিক বাড়ির দুলাল চন্দ্র বণিকের ঘরে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য কেনাবেচা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

পরে উপস্থিত লোকজন ও সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে ছয়টি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ১০৩ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তার দুজন পরস্পর যোগসাজশে বিক্রির উদ্দেশ্যে গাঁজাগুলো নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসআরবি-১৪ সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এজাহার দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধার করা গাঁজা ও জব্দ করা আলামতসহ তাঁদের গৌরীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

মিঠামইনে ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্যান্টিন উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

মোক্তার হোসেন গোলাপ, হাওরাঞ্চল।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
মিঠামইনে ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্যান্টিন উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে নতুন ক্যান্টিনের উদ্বোধন এবং সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে ক্যান্টিনের উদ্বোধন করেন মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউএনও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই বিদ্যালয়ে ক্যান্টিন চালু করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী না খেয়ে ক্ষুধার্ত অবস্থায় সারাদিন ক্লাস করে। আবার বিদ্যালয় থেকে বাজারে যেতে সময় লাগে। এসব অসুবিধা দূর করতেই বিদ্যালয়ের ভেতরে ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এর আগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অতিথিরা। এ সময় বিদ্যালয়ের আঙিনায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়।

পরে বিদ্যালয়ের হলরুমে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট কাসারুল আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম মিয়া, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শামসুজ্জামান ভূঁইয়া রিটু ও ওমর ফারুক ভূঁইয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, অভিভাবক সদস্য ধন মিয়া, অ্যাডভোকেট এরশাদুল হক, উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত চন্দ্র বিশ্বাস। এ ছাড়া শিক্ষার্থী অর্পিতা সূত্রধরসহ শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সভায় অংশ নেন।

বক্তারা বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পুষ্টিকর খাবার এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয়ে ক্যান্টিন চালু ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বিদ্যালয়ের ক্যান্টিন পরিদর্শন করেন।