বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী পুলিশের অভিযানে পৃথক অপরাধে ১৬ জন গ্রেপ্তার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৩২ পিএম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী পুলিশের অভিযানে পৃথক অপরাধে ১৬ জন গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে গেলো ২৪ ঘন্টায় পৃথক অপরাধের সাথে জরুরি থাকার দায়ে নগরী ও সদর উপজেলা ভিন্ন ভিন্ন এলাকা থেকে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইন-চার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম খান জানান, সাধারন মানুষের জীবনমান নিরাপদ রাখতে এবং অপরাধী চক্রকে দমন করতে পুলিশের কয়েকটি টিম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

কোতোয়ালী পুলিশ জানান, অফিসার ইন-চার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম খান এর নির্দেশে এসআই আল আমীন সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অন্যান্য মামলার আসামী মো. সাকিব মিয়া (২১), পিতা- মো. আব্দুল মতিন, মাতা- মোছা. নার্গিস বেগম, সাং- চরপাড়া, থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা-ময়মনসিংহ’কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চরপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেন।

এসআই আল আমীন, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক মামলার আসামী মোঃ রিয়াদুল ইসলাম ওরফে রিয়াদ (২৬), পিতা-মোঃ মিলন ইসলাম, মাতা- মোছা. ময়না খাতুন, সাং-খাগডহর মধ্যপাড়া, থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা-ময়মনসিংহ’কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চরপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেন।

এসআই কুমোদলাল দাস সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাই মামলার আসামী ১। মো. রিফাত ইসলাম (২৮), পিতা মৃত-তাজুল ইসলাম, সাং- আলিয়া মাদ্রাসা আকুর মসজিদ সংলগ্ন বলাশপুর, ২/ মো. কাউসার মিয়া (১৯), পিতা-নুরুল ইসলাম, ৩/ মো. রাজিব মিয়া (১৯), পিতা মৃত-হযরত আলী, উভয় সাং- বয়ড়া সুপারী বাগান, থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা-ময়মনসিংহ’কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বলাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেন।

এসআই মোঃ খলিলুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চুরি মামলার আসামী মো. শাহিন মিয়া (২৮), পিতা-মোঃ নুরু মিয়া (ফরিদ), সাং-মালগুদাম, থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা-ময়মনসিংহ’কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন আকুয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেন ।

এছাড়াও এসআই কুমোদলাল দাস, এসআই মো. সাইফুল ইসলাম, এসআই গোলাম রব্বানী, এএসআই ফরহাদ উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, এএসআই আহসান হাবিব ফকির এবং এএসআই আয়েছ মিঞা সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভূক্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেন। পরোয়ানাভূক্ত আসামীরা হলেন, ১/ মো. সুলতান হোসেন, পিতা-মৃত নাজিম উদ্দিন, সাং- কিসমত মধ্যপাড়া, থানা- কোতোয়ালী মডেল, ২/ নজরুল ইসলাম (৪০), পিতা-মৃত নবী হোসেন, সাং- চুরখাই জামতলা, থানা- কোতোয়ালী মডেল, ৩/ দিপু মিয়া, পিতা- আঃ সোবহান, সাং- পাটগুদাম রোড, থানা- কোতোয়ালী মডেল, ৪/ মো. মতি মিয়া (৪৫), পিতা- মনির উদ্দিন, সাং- নওমহল, থানা- কোতোয়ালী মডেল, ৫/ কানিজ ফাতেমা মুন্টি, স্বামী-লিয়াকত আলী ওরফে রিপন মিয়া, সাং- চর ঈশ্বরদিয়া শিমুলতলা মোড়, থানা- ময়মনসিংহ সদর, ৬/ মোছাঃ রোবাইয়া ইয়াছমিন রুবি, পিতা-মোঃ আব্দুল মান্নান, গ্রাম- গোহাইল কান্দি পুর্ব, থানা- কোতোয়ালী মডেল, ৭/ উত্তম ঘোষ, পিতা-সুবিযল ঘোষ, সাং- ১৮ নং মৃত্যুঞ্জয় রোড, থানা- কোতোয়ালী মডেল, ৮/ শাহরিয়ার আহাম্মেদ মামুন, পিতা-জালাল উদ্দিন, সাং-১২ কংগ্রেস জুবলীঘাট, থানা- কোতোয়ালী মডেল, ৯/ মোঃ সুলতান হোসেন, পিতা-মৃত নাজিম উদ্দিন, সাং-কিসমত মধ্যপাড়া, থানা- কোতোয়ালী মডেল, ১০/ শ্রী মতি রিনা রবিদাস (৩৯), স্বামী-ভুটনা রবিদাস, সাং-চর ভবানীপুর,থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ।

কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নুর মোহাম্মদ জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামীকে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।

কোচিং বাণিজ্য ও জোর করে স্টাম্পে স্বাক্ষরের পাল্টাপাল্টি দাবি

গফরগাঁওয়ে সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রবাসীকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ

রাকিবুল হাসান আহাদ।। প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০১ পিএম
গফরগাঁওয়ে সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রবাসীকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক সৌদি প্রবাসীকে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি এবং ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষক আহসান উল্লাহ উপজেলার দীঘাপুলিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত।

ভুক্তভোগী সৌদি প্রবাসী বেলাল হোসেনের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ৬ জুন সকালে নিজ জমিতে চারা রোপণ করতে গেলে শিক্ষক আহসান উল্লাহর নেতৃত্বে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি আহত হয়ে ১০ জুন পর্যন্ত গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

এ ঘটনায় বেলাল হোসেন গফরগাঁও থানায় মামলা করেছেন। মামলাটির নম্বর ৭, তারিখ ১০ জুন ২০২৬। পরে তিনি জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ দেন।

বেলাল হোসেনের দাবি, অভিযোগ দেওয়ার পরও তাঁকে জোর করে ধরে নিয়ে ১০০ টাকা মূল্যের তিনটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষক আহসান উল্লাহ শিক্ষকতার পাশাপাশি জমি দালালি ও কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত এবং নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না।

বেলাল হোসেন বলেন, “জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আমাকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পরে আমাকে জোর করে ধরে নিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাও শিক্ষক আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে অনিয়মিত উপস্থিতি ও কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো নথি বা তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ অস্বীকার করে দীঘাপুলিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মার্জিয়া খাতুন বলেন, “আহসান উল্লাহ মাস্টার নিয়মিত স্কুলে আসেন। তিনি খুবই ভালো ও দায়িত্বশীল একজন শিক্ষক।”

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক আহসান উল্লাহর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার এক ভাই ইউএনও অফিসে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।” ফাঁকা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করে বলেন, “সব মিথ্যা কথা।” এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে প্রবাসী বেলাল হোসেন ও তাঁর পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগী পরিবারের।

মিঠামইনে সাবেক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
মিঠামইনে সাবেক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় সাবেক ইউপি সদস্য মো. মুক্তার উদ্দিনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়নের নতুন চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে মো. মুক্তার উদ্দিন গত ২৫ আগস্ট দিবাগত রাতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে ঘুমাতে যান। ভোররাতে স্বজনরা ঘরের ভেতর তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে তাঁদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মরদেহটি নিচে নামিয়ে আনেন।

খবর পেয়ে ২৬ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন থানার এসআই রিয়াজ হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

মুক্তার উদ্দিনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। কেউ কেউ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখলেও একটি পক্ষের দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে পরে মরদেহ দড়িতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ দাবির পক্ষে এখনো কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

এ বিষয়ে পুলিশও এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সাবেক এই জনপ্রতিনিধির অস্বাভাবিক মৃত্যুতে গোপদীঘি ইউনিয়নজুড়ে শোক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ময়মনসিংহে কোম্পানির ডাটা হ্যাক করে ১০ হাজার ডলার দাবি, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
ময়মনসিংহে কোম্পানির ডাটা হ্যাক করে ১০ হাজার ডলার দাবি, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত (ডাটা) হ্যাক করে ১০ হাজার মার্কিন ডলার দাবির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নগরীর কাচিঝুলি হামিদ উদ্দিন রোড এলাকা থেকে মো. ইয়ানাছ মাহমুদ পিয়াল (৩০) নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, KMF International Company Ltd.-এর ময়মনসিংহ শাখার গুরুত্বপূর্ণ ডাটা হ্যাক করার পর তা ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে ১০ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করা হয়। এ অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে পরিশোধের জন্য বলা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান শাকিলের দিকনির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরে টানা তিন দিন অভিযান চালিয়ে কাচিঝুলি হামিদ উদ্দিন রোড এলাকা থেকে পিয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, এ সময় কথিত হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ডাটা হ্যাকিংয়ের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।