বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক মাসুমা আর নেই

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৩৩ পিএম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক মাসুমা আর নেই

রাজশাহীতে কর্মরত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এখন টিভির সাংবাদিক মাসুমা আক্তার আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোর সোয়া ৪টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এর আগে দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চারদিন হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন মাসুমা।

মাসুমার গ্রামের বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুরের নারায়ণপুর গ্রামে। তার শ্বশুর বাড়ি কুমিল্লায়। বাবা-মায়ের দুই সন্তানের মধ্যে তিনি একমাত্র মেয়ে। মাসুমা রাজশাহী নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে লেখাপড়া করেছেন। তার সাংবাদিকতা যাত্রা শুরু ২০১৪ সাল থেকে।

এখন টিভির রাজশাহী অফিসের সিনিয়র রিপোর্টার রাকিবুল হাসান রাজিব বলেন, গত শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মাসুমা স্বামীর সঙ্গে কুমিল্লায় শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছিলেন। কুমিল্লায় বাস থেকে নেমে সিএনজির সঙ্গে ভাড়ার বিষয়ে কথা বলছিলেন তারা। এ সময় একটি দ্রুতগামী বাস তাদের ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে তারা দুজনই রাস্তার উপর ছিটকে পড়েন। এতে গুরুতর আহত হন মাসুমা।

স্থানীয়রা আহতাবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা থেকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। পরে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। যেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

রাকিবুল হাসান রাজিব জানান, মাসুমা আক্তার ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর এখন টিভির রাজশাহী ব্যুরো অফিসে ক্যারিয়ার শুরু করেন। তার গ্রামের বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুরে।

রাকিবুল আরও জানান, পড়ালেখা শেষে রাজশাহীর বাংলার জনপদ নামের একটি মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কাজ করেন তিনি। পরে এখন টিভি দিয়ে তার টেলিভিশন ক্যারিয়ারের সূচনা হয়।

তরুণ এই সাংবাদিকের অকালমৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজ, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা শোক জানিয়ে আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

মিঠামইনে সাবেক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
মিঠামইনে সাবেক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় সাবেক ইউপি সদস্য মো. মুক্তার উদ্দিনের (নাম/বয়স) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়নের নতুন চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে মো. মুক্তার উদ্দিন গত ২৫ আগস্ট দিবাগত রাতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে ঘুমাতে যান। ভোররাতে স্বজনরা ঘরের ভেতর তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে তাঁদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে মরদেহটি নিচে নামিয়ে আনেন।

খবর পেয়ে ২৬ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে মিঠামইন থানার এসআই রিয়াজ হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

মুক্তার উদ্দিনের মৃত্যুর কারণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। কেউ কেউ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখলেও একটি পক্ষের দাবি, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে পরে মরদেহ দড়িতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এ দাবির পক্ষে এখনো কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

এ বিষয়ে পুলিশও এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সাবেক এই জনপ্রতিনিধির অস্বাভাবিক মৃত্যুতে গোপদীঘি ইউনিয়নজুড়ে শোক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ময়মনসিংহে কোম্পানির ডাটা হ্যাক করে ১০ হাজার ডলার দাবি, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
ময়মনসিংহে কোম্পানির ডাটা হ্যাক করে ১০ হাজার ডলার দাবি, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত (ডাটা) হ্যাক করে ১০ হাজার মার্কিন ডলার দাবির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নগরীর কাচিঝুলি হামিদ উদ্দিন রোড এলাকা থেকে মো. ইয়ানাছ মাহমুদ পিয়াল (৩০) নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, KMF International Company Ltd.-এর ময়মনসিংহ শাখার গুরুত্বপূর্ণ ডাটা হ্যাক করার পর তা ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে ১০ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করা হয়। এ অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে পরিশোধের জন্য বলা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান শাকিলের দিকনির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরে টানা তিন দিন অভিযান চালিয়ে কাচিঝুলি হামিদ উদ্দিন রোড এলাকা থেকে পিয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, এ সময় কথিত হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ডাটা হ্যাকিংয়ের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বিটিসিএলে চার গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ, এইচআর কর্মকর্তা মালেকের বিরুদ্ধে পদায়ন-বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩০ পিএম
বিটিসিএলে চার গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ, এইচআর কর্মকর্তা মালেকের বিরুদ্ধে পদায়ন-বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) জিএম (মানবসম্পদ-২) মো. আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, পদায়ন ও বদলি-বাণিজ্য এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দায়িত্ব ও সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন।

অভিযোগের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো একই কর্মকর্তা একসঙ্গে চারটি রাষ্ট্রীয় গাড়ি ব্যবহার করছেন। বিটিসিএল-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ঢাকা মেট্রো-চ-৫৬-১৪২১ নম্বরের একটি হাইস মাইক্রোবাস এবং তিনটি পাজেরো জিপ তার ব্যবহারে রয়েছে। এসব গাড়ির ব্যবহার ও বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত বিধি ও প্রটোকল যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

পদায়ন ও বদলি নিয়ে প্রশ্ন

বিটিসিএলের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পদায়নের কথা থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি পদায়ন নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

সূত্রের দাবি, কিছুদিন আগে সাদিয়া সাম্মাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ডিজিএম (সুইচ) এবং মো. বিপুল হোসেনকে কনিষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক পদে পদায়ন করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিপুল হোসেনকে আরও কয়েকটি অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ায় ডিটিআর দক্ষিণের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, মানবসম্পদ বিভাগের দায়িত্বে থাকার সুযোগে বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ১২তম গ্রেডের বিলোপযোগ্য পদে থাকা কয়েকজন বিতর্কিত নেতাকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।

১৫ বছর ধরে একই এলাকায় প্রভাব?

অভিযোগকারীদের দাবি, গত প্রায় ১৫ বছর ধরে ঘুরেফিরে গেন্ডারিয়া, চকবাজার ও গুলিস্তান এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অবস্থান ধরে রেখেছেন আব্দুল মালেক। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের মধ্যেও একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের সহায়তায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ একাধিক দায়িত্বে প্রভাব ধরে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর সম্পত্তি ও ইমারত শাখার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে দায়িত্ব পরিবর্তনের পরও তার প্রভাব কমেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া পূর্বে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনকালে মেইনটেন্যান্স ও সংস্কারকাজের নামে ভুয়া বিল প্রস্তুত এবং কাজ না করেই অর্থ উত্তোলনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও আর্থিক হিসাবের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিপুল সম্পদের অভিযোগ

আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। ঢাকার গ্রিন রোডের ১৪ গ্রিন স্কয়ার উদয়ন গ্রীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রায় ১ হাজার ৮০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা বলে দাবি করা হলেও সম্পত্তিটির মালিকানা, ক্রয়মূল্য ও অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো স্বাধীন নথি এ প্রতিবেদকের হাতে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তার আয়কর নথি, সম্পদ বিবরণী, ব্যাংক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দলিল পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১,৪৫৫ জনের পদায়ন নিয়েও অভিযোগ

বিটিসিএলের অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্গানোগ্রাম অনুসারে ১ হাজার ৪৫৫ জনকে পদায়নের কথা থাকলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন ডিএমডি হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে যোগসাজশ করে শূন্য পদে পদায়নের পরিবর্তে প্রায় ৫০০ কর্মচারীকে ঢাকায় সংযুক্ত রাখা হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, এ সময় প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে উৎকোচ নেওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য আর্থিক নথি বা স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ছাড়া পদায়নের আগে প্রস্তুত করা একটি খসড়া তালিকা প্রায় এক মাস স্বাক্ষরবিহীন অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ওই তালিকার অনলাইন কপি এখনও সংরক্ষিত রয়েছে।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

বিটিসিএলের মতো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এতগুলো গুরুতর অভিযোগ ওঠায় বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পদায়ন ও বদলির নথি, গাড়ি বরাদ্দ ও ব্যবহারসংক্রান্ত রেকর্ড, আর্থিক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির তথ্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে বিটিসিএলের জিএম (মানবসম্পদ-২) মো. আব্দুল মালেকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের সত্যতা থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।