মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা গর্বিত : প্রধান উপদেষ্টা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৪, ২:৩৬ পিএম
সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা গর্বিত : প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি’র চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসস্থ সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেছেন।

 

গত এক যুগের মধ্যে এই প্রথম ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’র সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি অংশ নিলেন। এর আগে বেগম খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১২ সালের সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন।

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধাানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে কুশল বিনিময় করেছেন। বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও ড. আবদুল মঈন খানসহ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

বেগম খালেদা জিয়া সেনাকুঞ্জে পৌঁছে তাঁর আসন গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা সেখানে আসেন এবং কুশল বিনিময় করেন।

 

এর আগে বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে তাঁর গুলশানের বাসভবন ‘ফিরেজা’ থেকে রওনা দেন এবং বিকেল প্রায় পৌনে ৪ টার দিকে সেনাকুঞ্জে পৌঁছেন।

 

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেনাকুঞ্জে পৌঁছলে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

 

এদিকে, বিএনপি’র মিডিয়া সেল চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিবের বরাত দিয়ে গত মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর-’২৪) গণমাধ্যমকে জানান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দসহ বিএনপি’র মোট ২৬ জন নেতাকে আমন্ত্রন জানায়।

 

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে এ দাওয়াত পত্র পৌঁছে দেওয়া হয়। চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এ দাওয়াত পত্র গ্রহণ করেন।

তাৎক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার: এস এম হুমায়ূন কবির

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম
তাৎক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার: এস এম হুমায়ূন কবির

ময়মনসিংহ বিভাগে খাদ্যের মান যাচাই ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ করা এ পরীক্ষাগারটি সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবির।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মেট্রোপলিটন কার্যালয়, ময়মনসিংহ।

উদ্বোধনকালে বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবির বলেন, মানুষের জীবন ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে খাদ্যের মান তদারকি করা হলেও এখন থেকে অভিযানের সময়ই ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারে খাদ্যের নমুনা তাৎক্ষণিক পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, এর ফলে ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য শনাক্ত করে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমও আরও জোরদার হবে।

বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, আধুনিক পরীক্ষাগার সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করেছে। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মেসেঞ্জারের ‘মিম’ থেকে মধ্যরাতে দুই হলে সংঘর্ষ

বাকৃবিতে মুখোমুখি দুই আবাসিক হল, ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৪, আতঙ্কে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম
বাকৃবিতে মুখোমুখি দুই আবাসিক হল, ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৪, আতঙ্কে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে দেওয়া ‘মিম’ পোস্টকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটি। সেই বিরোধই শেষ পর্যন্ত গড়াল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) দুটি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে। শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাতে মাওলানা ভাসানী হল ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে বলে জানা গেছে।

শুধু দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষই নয়, এ ঘটনায় একটি হলের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অপর হলে গিয়ে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগও উঠেছে। রাতের সংঘর্ষে দুই হল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ঘটনাস্থলে যেতে হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র, প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের (ব্যাচ-৬৫) শিক্ষার্থীদের একটি অফিশিয়াল মেসেঞ্জার গ্রুপে। ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ (সিআর) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই গ্রুপে একটি ‘মিম’ পোস্ট করা হয়। পোস্টটি নিয়ে আপত্তি তোলেন এক শিক্ষার্থী। গ্রুপে এ ধরনের বার্তা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।

এ নিয়েই শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। প্রথমে বিষয়টি সীমাবদ্ধ ছিল কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সেই কথাকাটাকাটি দ্রুত ব্যক্তিগত বিরোধে রূপ নেয়। পরে একই অনুষদের বিভিন্ন শিক্ষার্থীর মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সেই বিরোধের রেশ গিয়ে পড়ে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হল থেকে বেরিয়ে আসেন। এতে ক্যাম্পাসে তৈরি হয় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, প্রথমে মাওলানা ভাসানী হলের একদল শিক্ষার্থী সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেন। পরে সোহরাওয়ার্দী হলের শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধ হয়ে মাওলানা ভাসানী হলে গিয়ে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে দুই হল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকে নিরাপত্তার আশঙ্কায় নিজ নিজ কক্ষে অবস্থান নিতে বাধ্য হন।

সংঘর্ষে আহত চার শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। অন্যদের হাত-পায়ে জখম হয়েছে। আহতদের অধিকাংশই মাওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আমিনুল মতিন বলেন, আহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা তিন থেকে চারজন। তাঁরা সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। কাউকে হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন হয়নি।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হলেও অল্প সময়ের মধ্যে তা দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে রূপ নেয়। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারি ছিল কি না। একই সঙ্গে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা কীভাবে এত দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নিল, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহবুবুল প্রতীক সিদ্দিক বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, এক হলের শিক্ষার্থীরা অন্য হলে ভাঙচুর করেছে। তবে পরে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ঘটনার পর রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাঁদের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষ নিজ নিজ হলে ফিরে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে সংঘর্ষের ঘটনায় কারা জড়িত ছিল, ভাঙচুরের ঘটনায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি মেসেঞ্জার গ্রুপের তুচ্ছ বিতর্ক কীভাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দুই আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে রূপ নিল, এর পেছনে কারা উত্তেজনা উসকে দিয়েছে এবং সংঘর্ষের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পদক্ষেপ কতটা কার্যকর ছিল এসব বিষয় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সামান্য বিরোধ যেন আবাসিক হলকেন্দ্রিক সংঘাতে রূপ না নেয়, সে বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি

ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদ বিতরণ ৫ আগস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১:১২ পিএম
ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদ বিতরণ ৫ আগস্ট

ময়মনসিংহে কর্মরত শতাধিক পেশাদার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ ও সম্মাননা অনুষ্ঠান আগামী ৫ আগস্ট (বুধবার) অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শহীদ আব্দুল জব্বার হলরুমে বিকেল ৪টায় আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ সুধী সমাবেশের।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) ও ময়মনসিংহ মহানগর প্রেস ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএমইউজে) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান।

আয়োজকরা জানান, গত ১৩ থেকে ১৫ জুন তিন দিনব্যাপী নিবিড় সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা তথ্য অফিস, ময়মনসিংহ (গণযোগাযোগ অধিদপ্তর) এবং আঞ্চলিক তথ্য অফিস, ময়মনসিংহ (তথ্য অধিদপ্তর)-এর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কর্মশালাটি পরিচালিত হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ময়মনসিংহে কর্মরত অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন। এতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, গণমাধ্যমের নীতি ও নৈতিকতা, তথ্য যাচাই এবং আধুনিক সাংবাদিকতার বিভিন্ন কৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আরিফ রেওগী এবং ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব সংস্কার কমিটির মুখ্য সংগঠক জহর লাল দে বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি স্মরণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তারা ময়মনসিংহে কর্মরত সকল গণমাধ্যমকর্মী ও সুধীজনকে নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।