রবিবার, ৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
রবিবার, ৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত সালমানকে বাঁচতে চায়, সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:২৫ পিএম
ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত সালমানকে বাঁচতে চায়, সহযোগিতায় এগিয়ে আসুন

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার খিলগাতী গ্রামের এক দরিদ্র রিক্সাচালকের একমাত্র পুত্র (৭)সালমান ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ওয়ার্ড নং:২১০,সিট নং:১২) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। শিশুটির জীবন বাঁচাতে নিরলস সংগ্রাম করে যাচ্ছেন তার বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রিপা সুলতানা মিলি।

অভাব-অনটনের মধ্যেও রিপা সুলতানা নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু ব্যয় করছেন সালমানের চিকিৎসায়।

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মানুষের সহানুভূতি ও সহযোগিতা কামনা করছেন তিনি। ইতোমধ্যে তিনি সালমানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।

সালমানের সঙ্গে হাসপাতালে রয়েছেন তার বৃদ্ধা দাদি ও রিক্সাচালক পিতা। তাদের খাদ্য, ওষুধ, থাকা খাওয়াসহ সব ব্যয়ের ভার কাঁধে তুলে নিয়েছেন এই ত্যাগী শিক্ষিকা।

রিপা সুলতানা মিলি বলেন, “সালমান আমার ছাত্র, আমার সন্তানের মতো। ওর ছোট্ট জীবনের হাসিটা আমি নিভে যেতে দিতে পারি না। আমি আমার সাধ্যের সবটুকু দিচ্ছি, কিন্তু এখন মানুষের সাহায্য ছাড়া ওর চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।”

চিকিৎসকদের মতে, সালমানকে নিয়মিত কেমোথেরাপি দিতে হবে। এর ব্যয় মাসে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্ত গড়ে ওঠে, যা তার দরিদ্র পরিবার কোনোভাবেই বহন করতে পারছে না।

একটি ছোট্ট প্রাণকে বাঁচানোর এই লড়াইয়ে এখন প্রয়োজন সমাজের সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সহানুভূতি ও সহযোগিতা।

রিপা সুলতানা আরও বলেন, “মানুষ মানুষের জন্য এই বিশ্বাস থেকেই আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। হয়তো আপনাদের অল্প কিছু সহায়তাই সালমানের জীবনে আলো ফিরিয়ে আনতে পারে।”

যারা সালমানের পাশে দাঁড়াতে চান, তারা রিপা সুলতানা মিলি অথবা সালমানের বাবার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারেন।

যোগাযোগ: রিপা সুলতানা মিলি, সহকারী শিক্ষক, খিলগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ।

বিকাশ (পার্সোনাল) নম্বর:

01775859037-01771473061

ময়মনসিংহ মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম
ময়মনসিংহ মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

ময়মনসিংহ মহিলা (ডিগ্রি) কলেজে সরকারি বিধিমালা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক ফারহানা পারভীনকে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পছন্দের প্রার্থীকে এই পদে বসানোর ফলে স্থানীয় সচেতন মহল এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক একেএম শফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে নিয়োগ বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠতম শিক্ষককে দায়িত্ব না দিয়ে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তুলনামূলক কনিষ্ঠ শিক্ষক ফারহানা পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অধ্যক্ষের পদ শূন্য হলে প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠতম শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে সেই নীতিমালার কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সুত্রে জানা আরও যায়, কলেজে অনার্স না থাকলেও শিক্ষকদের অনার্সের নিয়োগপত্র দেখিয়ে অপ্রয়োজনীয় খন্ডকালীন ১৮ সাল থেকে অদ্যবধি বেতন উত্তোলন করছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আতাত করে অডিট হওয়া এবং না হওয়ার বিষয়ে পায়তারা চলছে, বিষয়টি বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও আর কোন কলেজে অনার্স বিষয় খোলার সরকারি সিদ্ধান্ত নেই।

এদিকে পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক মাসুমা আক্তার ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক শাহ আজিজুর রহমান (রাসেল) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের প্রতিনিধি হয়ে অন্য শিক্ষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কলেজে আধিপত্য বিস্তার করে রামরাজত্ব কায়েম করছে।

একাধিক শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফারহানা পারভীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে আসলে তার ছত্রছায়ায় খন্ডকালীন শিক্ষকদের চাকুরীচ্যুত করার ভয়ে কেও মুখ খুলতে চায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, এই অনিয়মতান্ত্রিক নিয়োগের ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক চেইন অফ কমান্ড ভেঙে পড়েছে। জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের ডিঙ্গিয়ে কনিষ্ঠ কাউকে দায়িত্ব দেওয়ায় শিক্ষার পরিবেশ ও দাপ্তরিক কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষাঅনুরাগী ও অভিভাবকরা জানান, প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং শিক্ষার মান সমুন্নত রাখতে দ্রুত এই বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে বিধি মোতাবেক যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায়, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা রক্ষায় তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করবেন।

পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক মাসুমা আক্তার ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক শাহ আজিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, এসকল অভিযোগের কোন সত্যতা নেই।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফারহানা পারভীনের কাছে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, অভিযোগগুলো আমার কাছে খুবই হাস্যকর। আপনি এ ব্যাপারে ডিডি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ কলেজের কর্মচারীদের সাথেও কথা বলে বিষয়টি জানতে পারেন।

ময়মনসিংহ মহিলা (ডিগ্রি) কলেজের দাতা সদস্য মির্জা ফারজানা রহমান হোসনা জানান, এডহক কমিটি থেকে শুরু করে পুর্নাঙ্গ কমিটি হয়ে আসার পর থেকে প্রত্যেকটি সভায় আইন এবং বিধির বিপরীত যেন না হয় সে ব্যাপারে সদস্যমন্ডলীকে অবহিত করেছি, কিন্তু অন্যদের সম্মতি থাকলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের পরিপন্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেফারেন্সে এবং স্থানীয় প্রভাব দেখিয়ে জোরপূর্বক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদে ফারহানা পারভীনকে বহাল রাখার জন্য একপর্যায়ে মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী তার কথা বহাল রাখে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমি অসম্মতি জানিয়ে সভা বয়কট করে চলে আসি এবং সাংবাদিকসহ বিভিন্ন দ্বায়িত্বশীল মহলকে বিষয়টি অবগত করি। বর্তমানে গভর্নিং বডি’র একজন দাতা সদস্য হিসেবে সকলের সহযোগিতা কামনা করিছি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎশাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী জানান, আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। এটি একমাত্র গভর্নিং বডির পক্ষে চেয়ারম্যান সাহেবই বিস্তারিত বলতে পারবেন।

মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক একেএম শফিকুল ইসলাম জানান, এর আগে দেওয়া একটি নিয়োগ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বাতিল করেছিলেন। প্রথমে যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তিনি জ্যেষ্ঠ না হওয়ায় সেটি বাতিল হয়ে যায়। পরে গভর্নিং বডির সভাপতির অসুস্থতার কারণে বিষয়টি কিছুটা বিলম্বিত হয়। সভাপতি সুস্থ হয়ে ফিরে আসার পর সা¤প্রতিক বৈঠকে নতুন করে আলোচনা হয়।

তিনি আরও জানান, আপাতত একজনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই এনটিআরসিএ- এর মাধ্যমে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমান কমিটির সেই ক্ষমতা নেই। অযথা জটিলতা সৃষ্টি না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি একেএম আজহারুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।