শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

লঙ্কার ঝাঁজে পুড়ছে নগরী

ময়মনসিংহে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে বিপাকে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩৭ এম
ময়মনসিংহে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে বিপাকে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ

রবিবার (৫ অক্টোবর) ময়মনসিংহে সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া কাঁচামরিচের দাম ২২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। বাজারে নিত্যপণ্যের এমন ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষুব্ধ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা। সকালে সরেজমিনে শহরের ঐতিহ্যবাহী মেছুয়া বাজার ঘুরে এই তথ্য জানা যায়।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত সপ্তাহ সিম ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। অথচ এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। কাঁচামরিচ ২২০ টাকা থেকে বেড়ে ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ধুন্দল, টমেটো ও মোটা গোল বেগুনের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। বর্তমানে ধুন্দল ৬০, টমেটো ১২০ ও মোটা গোল বেগুন ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চায়না গাজর ১১০, কাঁকরোল ৭০, পটোল ৬০, চিচিঙ্গা ৭০, ঝিঙে ৭০, চিকন বেগুন ১২০, করলা ৬০, ঢেঁড়স ৭০, শসা ৩০, কচুরমুখি ৩০, কাঁচা পেঁপে ২০, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি, লাউ ৬০ টাকা পিস, কাঁচা কলা ৪০ টাকা হালি ও লেবু ২০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে।

একই বাজারে মাছের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে শোল ৬১০-৮৯০, ট্যাংরা ৫৫০-৮৭০, টাকি ৪৩০-৫৮০, কাতলা ৩৬০-৪২০, পাঙাশ ২২০-২৫০, রুই ৪৪০-৪৮০, কালবাউশ ৩৪০-৪০০, মৃগেল ২৯০-৩৪০, শিং ৩৫০-৬৪০, কৈ ২৬০-৩৫০, পাবদা ৩৯০-৫১০, সিলভার কার্প ২৩০-২৯০ ও তেলাপিয়া ২২০-৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

স্থিতিশীল অবস্থায় বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি, কক মুরগি, গরুর মাংস, খাসির মাংস, ফার্মের মুরগির ডিম, দেশি মুরগির ডিম ও হাঁসের ডিম। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগির ১৬০, কক মুরগি ৩০০, গরুর মাংস ৮০০, খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে, ফার্মের মুরগির ডিম ৪০ টাকা হালিতে, দেশি মুরগির ডিম ও হাঁসের ডিম ৭০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে সবজি কিনতে এসে আরিফুল ইসলাম বলেন, সবজির দামে উত্তাপ বেড়েছে। ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা বিপাকে পড়েছেন। বাজারে এসে আমি নিজেও চাহিদার তুলনায় কম সবজি কিনছি।

মাছ কিনছিলেন মফিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাজারে প্রচুর পরিমাণ মাছ রয়েছে। তবুও বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। বাজার মনিটরিং দুর্বল থাকায় বিক্রেতারা ইচ্ছামত দামে বিক্রি করতে পারছেন।

দাম বাড়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে সবজি বিক্রেতা সিদ্দি মিয়া বলেন, ক্রেতাদের চাহিদার তুলনায় বাজারে সবজির সরবরাহ কম। তাই দামও বেড়েছে।

মাছ বিক্রেতা জামাল উদ্দিন বলেন, আড়তে মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। এতে ক্রেতারা ক্ষুব্ধ হলেও আমাদের কিছুই করার নেই।

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মো: আব্দুস ছালাম বলেন, অসাধু বিক্রেতারা ইচ্ছে করেই মনমতো দামে বিক্রি করছেন কিনা খোঁজ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বাজারে অভিযান চালানো হবে।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।