শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ময়মনসিংহে বিএনপি নেতা কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধা সংসদে তালা, মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছনার অভিযোগ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫, ৭:০৩ পিএম
ময়মনসিংহে বিএনপি নেতা কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধা সংসদে তালা, মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছনার অভিযোগ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম হারুন-অর রশিদ এর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল কবীর রেনু, নূরুল হক ও শামস উদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাগরিবের নামাজ শেষে মুক্তিযোদ্ধাগণ এশার নামাজের জন্য মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন।

এসময় মৃত আব্দুল খালেক ওরফে কালু মিয়ার পুত্র বিএনপি নেতা ও পৌর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি একেএম হারুন-অর রশিদ কয়েকজন সহযোগী নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হুমকি দিয়ে অফিস থেকে বের হয়ে যেতে বলে।

এসময় মুক্তিযোদ্ধাগণ এশা’র নামাজ পড়ে যাওয়ার কথা বললে বিএনপি নেতা হারুন বলেন, “কিসের নামাজ? এটা কি তোদের বাপ-দাদার সম্পত্তি? এখনি বের না হলে চর-থাপ্পর দিয়ে বের করে দেব।” এমনকি তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, “আর কোনো দিন যেন এই মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় অফিসে তোদের সহ কোন মুক্তিযোদ্ধাদের দেখতে না পাই।”

ঘটনার সময় বিএনপি নেতা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের কেয়ারটেকার শিমুল আহমেদ কাছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের চাবি দিতে বলেন। চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের চাবি ছিনিয়ে নেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ কার্যালয় ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন। পরে কার্যালয়ের তালা ঝুলিয়ে দেন অভিযুক্ত ঐ বিএনপি নেতা।

এ ঘটনায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরদিন ২২মে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি একেএম হারুন-অর রশিদকে তলব করেন। পরে ঈশ্বরগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় (পুরাতন তিন তলা ভবন) এ তালাবদ্ধ করা ও তিনজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অশ্লীল গালিগালাজ সহ ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিষয়ে মৌখিক শুনানী করেন।

শুনানীতে এ.একে.এম হারুন অর রশিদ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ের জমিটি তাদের পূর্বপুরুষের দাবি করেন।

পরবর্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে অনাধিকার প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে দেন। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান। সেই সাথে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চাবি প্রশাসক হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের জমা রাখেন।

এবিষয়ে বিএনপি নেতা এ.একে.এম হারুন অর রশিদ এর বক্তব্য নিতে তার ব্যক্তিগত ০১৭১২★★★★৪৫ এবং ০১৮৪৯★★★★৭০ দুটি ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

উক্ত ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল কবির রেনু বলেন, আমাদের এটি অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান,বাজার কমিটির সভাপতি একেএম হারুনর রশীদ আমাদের দুই সদস্য কে মারধর করে অফিসে তালা লাগায়। পরে আমরা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছি।

উক্ত ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাবিবুর রহমান হলুদ বলেন, ৫ আগষ্টের পর থেকে আমাদের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে তালা দিয়েছে বিএনপির কিছু লোকজন। এখন পর্যন্ত তারা চাবিও দেয়নি এবং তালাও খুলে দেয়নি।আমরা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অভিযোগ দিয়েছি।

উক্ত ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক বলেন, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাজার কমিটির সভাপতি হারুনর রশীদ আমাদের জোরপূর্বক অফিস থেকে বের করে দেয় এবং পিয়নকে মারধর করে অফিসের চাবি কেড়ে নিয়েছে। পরে আমরা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি বলেন আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক সানজিদা রহমান বলেন ওখানে দুইটা সমস্যা তার একটি অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই সমাধান করেছি। যারা চাবি নিয়েছিল তাদের থেকে আমি চাবি নেওয়ার এবং মামলা চলাকালীন সময় তারা আর আসবেন না মর্মে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা নিতে গেলে মুক্তিযোদ্ধারাই নিষেধ করেন।

মুচলেকা নেওয়ার পরও তারা এখনো মুক্তিযোদ্ধাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরও জানান, আমি এটা জানিনা, তবে সম্মানিত মুক্তিযোদ্ধাগন জানালে ব্যবস্থা নিবো। মুক্তিযোদ্ধারা সম্মানের পাত্র তাই তারা একটা অভিযোগ দিলে অবশ্যই আমলে নিবো বলেও জানান।

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

শিবলী সাদিক খান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪০ পিএম
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি পরিবারের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। একই দিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ময়মনসিংহ জেলা সার্কেলের যৌথ আয়োজনে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আজকের এই আয়োজন মানবিক হলেও এটি আনন্দের নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হলেও তাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলেও বাংলাদেশে এর হার উদ্বেগজনক। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও জনগণের সচেতনতার বিকল্প নেই। রাস্তা পারাপারে সতর্কতা অবলম্বন, ফুটপাত ও মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখা এবং সড়ক আইন মেনে চলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সড়ক আইন সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও সড়ক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। যানবাহন চালকদের ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হবে এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে করতে গাড়ি চালানো কিংবা রাস্তা পার হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধি, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রধান অতিথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী সরকারের ঘোষিত “পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি”-এর অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ জেলা লেডিস ক্লাব প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

মিঠামইনে ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রচারণায় ছাত্রদল নেতা খোকা

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১০:৩৯ এম
মিঠামইনে ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রচারণায় ছাত্রদল নেতা খোকা

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ৪ নম্বর ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে আগাম নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন মিঠামইন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন খোকা। হাওরবেষ্টিত ঘাগড়া ইউনিয়নের সিহারা গ্রামে জন্ম নেওয়া খোকা ছাত্রজীবন থেকেই এলাকার মানুষের সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় স্থানীয়দের কাছে একজন সৎ, ন্যায়পরায়ণ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত।

নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা না হলেও তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে উঠান বৈঠক ও গণসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন। তাঁর লক্ষ্য নির্বাচনের আগেই জনগণের আস্থা ও সমর্থন অর্জন করা।

মোকাররম হোসেন খোকা বলেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে পুরো মেয়াদজুড়ে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করব। বিশেষ করে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, বর্ষাকালে হাওর অঞ্চলের যোগাযোগ সমস্যা দূরীকরণ, রাস্তা-কালভার্ট সংস্কার ও নতুন সড়ক নির্মাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি হাওরাঞ্চলের কৃষকদের দুর্ভোগ কমাতে আধুনিক কৃষি উপকরণ সরবরাহ, উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

ধোবাজোড়া ও সিহারা গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, খোকা দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে কাজ করছেন। এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান তারা।

গত কয়েক দিনে সিহারা, ধোবাজোড়া এবং আশপাশের বিভিন্ন গ্রামে ধারাবাহিক উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করেছেন খোকা। এসব বৈঠকে তিনি স্থানীয়দের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়ার কথা শুনছেন এবং নির্বাচিত হলে সেগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। তাঁর এই তৃণমূলভিত্তিক প্রচারণা ইউনিয়নজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাওরাঞ্চলে জনসম্পৃক্ত ও মাঠমুখী নেতাদের প্রতি ভোটারদের আগ্রহ তুলনামূলক বেশি। সে বিবেচনায় মোকাররম হোসেন খোকার আগাম প্রচারণা তাঁকে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় এগিয়ে রাখতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে তাঁর এই প্রচারণা কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

ময়মনসিংহে ব্যাংক কর্মকর্তার ওপর হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
ময়মনসিংহে ব্যাংক কর্মকর্তার ওপর হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আটক

ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া এলাকায় জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের ওপর হামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সাইফুল ওরফে সাইফুল মিয়াকে আটক করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একটি নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে নজরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করে সাইফুল ও তার সহযোগীরা। চাঁদার দাবি পূরণে ব্যর্থ হয়ে তারা নজরুল ইসলামের ওপর হামলা চালায়। হামলায় তিনি আহত হন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত সাইফুল ওরফে সাইফুল মিয়াকে আটক করে।

কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ করছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।