মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভিন্নভিন্ন অভিযানে মটর সাইকেল ও নগদ টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ১৬ জন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:১১ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভিন্নভিন্ন অভিযানে মটর সাইকেল ও নগদ টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ১৬ জন

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ১৬জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) ফিরোজ আলী সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ নিয়মিত মোটরসাইকেল চুরি মামলার ঘটনার সহিত জড়িত তদন্তে প্রাপ্ত আসামী ১। মোঃ শহিদুল ইসলাম(৩০), পিতা-মোঃ শামছু মিয়া, মাতা-মোছাঃ মনোয়ারা বেগম, সাং-জামাইকোনা (মসজিদবাড়ী), থানা-পূর্বধলা, জেলা-নেত্রকোণাকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে কিশো্রগঞ্জ জেলার কটিয়াদি থানাধীন বাসস্ট্যান্ড সলংলগ্ন সুন্দরবন কুরিয়া সার্ভিস এর সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করতঃ তাহার হেফাজত হইতে যাওয়া একটি সুজুকী জিকসার মোটরসাইকেল, যাহার চেচিস নং-RMBL-ED11F 122500, যাহার ইঞ্জিন নং- BGA5 125861, সিসি নং-১৫৫, রং কালো, মূল্য অনুমান ৩,১১,০০০/-(তিন লক্ষ এগারো হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) সাঈদারা রিটা সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নিয়মিত চুরি মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামী ১। মোঃ আলমগীর (৩৩), পিতা-মৃত আলাউদ্দিন, মাতা-মনোয়ারা বেগম, ২। মোঃ আব্দুর রহিম (৩৫), পিতা-আব্বাস, মাতা-মর্জিনা, উভয় সাং-সেহড়া চামড়া গুদাম, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন রেলওয়ে স্টেশন এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) খলিলুর রহমান সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বিস্ফোরক মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামী মোঃ সালাহ উদ্দিন লাবলু (২৮), পিতা-মৃত জিল্লুর রহমান, মাতা- মৃত সুলেমা বেগম, সাং- আকুয়া উত্তরপাড়া, ভাঙ্গাপুল, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন আকুয়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) ওমর ফারুক রাজু সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নিয়মিত চুরি মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামী ১। মোঃ জাকারিয়া হোসেন (২৫), পিতা-মোঃ লিটন মিয়া, মাতা-জাহানারা বেগম, সাং-বয়ড়া শেষ মোড়, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বয়ড়া শেষ মোড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) অংকন সরকার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শম্ভুগঞ্জ চারকালীবাড়ী সাকিনস্থ টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে রাস্তার উপর হইতে আসামী ১। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪০), পিতা- মৃত ইদ্রিস আলী, মাতা- সখিনা খাতুন, ২। কামরুল হাসান (২২), পিতা- আব্দুল মান্নান, মাতা- কবিতা বেগম, উভয় সাং- সাগরদিঘী, থানা- ঘাটাইল, জেলা- টাঙ্গাইলদ্বয়কে ০১ (এক) লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদসহ গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) বিশ্বজিত দাস সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নিয়মিত মামলার আসামী ১। এসএম আবুল কালাম আজাদ (৫০), পিতা-মৃত হাসিম উদ্দিন সরকার, ২। মোছাঃ ছালমা আক্তার (৪০), পিতা- মৃত শামছুদ্দিন সরকার, উভয় সাং-বাজিতপুর সরকার বাড়ী, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহদ্বয়কে তাহাদের বসত বাড়ী এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) কুমোদলাল দাস তাহার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নারী ও শিশু অপহরন মামলার আসামী মোঃ তোফাজ্জল হোসেন ওরফে মিজান মিয়া (১৯) পিতা-মৃত আছির উদ্দিন,মাতা-মোছাঃহাজেরা খাতুন,সাং-বাহেলা(শামছু মৌলভী বাড়ী),থানা-তারাকান্দা,জেলা-ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করতঃ অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধার পূর্বক তাহার পরিবারের নিকট বিধি মোতাবেক বুঝাইয়া দেওয়া হয়।

এসআই (নিঃ) খলিলুর রহমান তাহার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া আকুয়া দক্ষিনপাড়া এলাকা হইতে লুডু দ্বারা টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলারত অবস্থায় পাইয়া জুয়ারি ১। আসাদুল ইসলাম (৩৩), পিতা- মৃত নাজিম উদ্দিন, মাতা- ফিরোজা বেগম, সাং- তারাকান্দা তালদিঘির বাজার, থানা- তারাকান্দা, এ/পি- আকুয়া আলালের বাসার ভাড়াটিয়া, থানা- কোতোয়ালী, ২। মোঃ রমজান আলী (২৪), পিতা- মোঃ তুহিন মিয়া, মাতা- রুপা আক্তার, ৩। মোঃ শাহজাদা (৩৩), পিতা- মোঃ আলা উদ্দিন, মাতা- মোছাঃ শহর বানু, ৪। মোঃ আব্দুল মালেক (৪৫), পিতা- মোঃ নূর হোসেন, মাতা- মোছাঃ বেগম, সর্ব সাং- আকুয়া দক্ষিনপাড়া, থানা- কোতোয়ালী, সর্ব জেলা- ময়মনসিংহদের গ্রেফতার করা হয়।

 

এছাড়াও এসআই (নিঃ) মাসুদ জামালী, এএসআই (নিঃ) ওমর ফারুক রাজু দ্বয় সঙ্গীয় ফোর্সসহ গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত পলাতক আসামী ১। মোঃ রিয়াজ, পিতা- ফজলুল হক, সাং- কালীবাড়ী গুদারাঘাট, থানা- কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ, ২। মোঃ আকরাম হোসেন, পিতা-মোঃ মোফাজ্জল মিয়া, সাং-চর রাঘবপুর, পোঃ কাচারীবাজার, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহদ্বয়কে তাহাদের বসত বাড়ী এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

 

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

ময়মনসিংহে কোম্পানির ডাটা হ্যাক করে ১০ হাজার ডলার দাবি, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
ময়মনসিংহে কোম্পানির ডাটা হ্যাক করে ১০ হাজার ডলার দাবি, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত (ডাটা) হ্যাক করে ১০ হাজার মার্কিন ডলার দাবির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নগরীর কাচিঝুলি হামিদ উদ্দিন রোড এলাকা থেকে মো. ইয়ানাছ মাহমুদ পিয়াল (৩০) নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, KMF International Company Ltd.-এর ময়মনসিংহ শাখার গুরুত্বপূর্ণ ডাটা হ্যাক করার পর তা ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে ১০ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করা হয়। এ অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে পরিশোধের জন্য বলা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান শাকিলের দিকনির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরে টানা তিন দিন অভিযান চালিয়ে কাচিঝুলি হামিদ উদ্দিন রোড এলাকা থেকে পিয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, এ সময় কথিত হ্যাকিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ডাটা হ্যাকিংয়ের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বিটিসিএলে চার গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ, এইচআর কর্মকর্তা মালেকের বিরুদ্ধে পদায়ন-বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩০ পিএম
বিটিসিএলে চার গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ, এইচআর কর্মকর্তা মালেকের বিরুদ্ধে পদায়ন-বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) জিএম (মানবসম্পদ-২) মো. আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, পদায়ন ও বদলি-বাণিজ্য এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথেচ্ছ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দায়িত্ব ও সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন।

অভিযোগের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো একই কর্মকর্তা একসঙ্গে চারটি রাষ্ট্রীয় গাড়ি ব্যবহার করছেন। বিটিসিএল-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ঢাকা মেট্রো-চ-৫৬-১৪২১ নম্বরের একটি হাইস মাইক্রোবাস এবং তিনটি পাজেরো জিপ তার ব্যবহারে রয়েছে। এসব গাড়ির ব্যবহার ও বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত বিধি ও প্রটোকল যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

পদায়ন ও বদলি নিয়ে প্রশ্ন

বিটিসিএলের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো বলছে, স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পদায়নের কথা থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি পদায়ন নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

সূত্রের দাবি, কিছুদিন আগে সাদিয়া সাম্মাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ডিজিএম (সুইচ) এবং মো. বিপুল হোসেনকে কনিষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক পদে পদায়ন করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিপুল হোসেনকে আরও কয়েকটি অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ায় ডিটিআর দক্ষিণের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, মানবসম্পদ বিভাগের দায়িত্বে থাকার সুযোগে বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ১২তম গ্রেডের বিলোপযোগ্য পদে থাকা কয়েকজন বিতর্কিত নেতাকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।

১৫ বছর ধরে একই এলাকায় প্রভাব?

অভিযোগকারীদের দাবি, গত প্রায় ১৫ বছর ধরে ঘুরেফিরে গেন্ডারিয়া, চকবাজার ও গুলিস্তান এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অবস্থান ধরে রেখেছেন আব্দুল মালেক। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের মধ্যেও একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের সহায়তায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ একাধিক দায়িত্বে প্রভাব ধরে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর সম্পত্তি ও ইমারত শাখার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে দায়িত্ব পরিবর্তনের পরও তার প্রভাব কমেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া পূর্বে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনকালে মেইনটেন্যান্স ও সংস্কারকাজের নামে ভুয়া বিল প্রস্তুত এবং কাজ না করেই অর্থ উত্তোলনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও আর্থিক হিসাবের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিপুল সম্পদের অভিযোগ

আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। ঢাকার গ্রিন রোডের ১৪ গ্রিন স্কয়ার উদয়ন গ্রীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রায় ১ হাজার ৮০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এর বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা বলে দাবি করা হলেও সম্পত্তিটির মালিকানা, ক্রয়মূল্য ও অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো স্বাধীন নথি এ প্রতিবেদকের হাতে পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তার আয়কর নথি, সম্পদ বিবরণী, ব্যাংক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির দলিল পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১,৪৫৫ জনের পদায়ন নিয়েও অভিযোগ

বিটিসিএলের অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্গানোগ্রাম অনুসারে ১ হাজার ৪৫৫ জনকে পদায়নের কথা থাকলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন ডিএমডি হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে যোগসাজশ করে শূন্য পদে পদায়নের পরিবর্তে প্রায় ৫০০ কর্মচারীকে ঢাকায় সংযুক্ত রাখা হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, এ সময় প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে উৎকোচ নেওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য আর্থিক নথি বা স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ ছাড়া পদায়নের আগে প্রস্তুত করা একটি খসড়া তালিকা প্রায় এক মাস স্বাক্ষরবিহীন অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ওই তালিকার অনলাইন কপি এখনও সংরক্ষিত রয়েছে।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

বিটিসিএলের মতো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এতগুলো গুরুতর অভিযোগ ওঠায় বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পদায়ন ও বদলির নথি, গাড়ি বরাদ্দ ও ব্যবহারসংক্রান্ত রেকর্ড, আর্থিক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির তথ্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে জানতে বিটিসিএলের জিএম (মানবসম্পদ-২) মো. আব্দুল মালেকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের সত্যতা থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

ময়মনসিংহে ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, শিক্ষককে ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৭ পিএম
ময়মনসিংহে ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, শিক্ষককে ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নে ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে একই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক হলেন সারোয়ার হোসেন। তিনি সদর উপজেলার ১২ নম্বর ভাবখালী ইউনিয়নের ল্যাংটার মোড় এলাকায় অবস্থিত তাহফিজুল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানা গেছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসাটির নাজেরা বিভাগের ওই ৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে সম্প্রতি নির্যাতনের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ২ নম্বর বৈলর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উজান বৈলর এলাকায়।

এ ঘটনায় শিশুটির পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়তে গিয়ে শিশুটি কীভাবে এমন নির্যাতনের শিকার হলো এবং বিষয়টি আগে কেন প্রতিরোধ করা গেল না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অভিভাবক ও স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা উদঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে মাদ্রাসাটিতে শিশুদের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সারোয়ার হোসেনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা, শিশুটির চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য এবং আইনগত পদক্ষেপের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।