রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভিন্নভিন্ন অভিযানে মটর সাইকেল ও নগদ টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ১৬ জন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৮:১১ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভিন্নভিন্ন অভিযানে মটর সাইকেল ও নগদ টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ১৬ জন

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ১৬জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) ফিরোজ আলী সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ নিয়মিত মোটরসাইকেল চুরি মামলার ঘটনার সহিত জড়িত তদন্তে প্রাপ্ত আসামী ১। মোঃ শহিদুল ইসলাম(৩০), পিতা-মোঃ শামছু মিয়া, মাতা-মোছাঃ মনোয়ারা বেগম, সাং-জামাইকোনা (মসজিদবাড়ী), থানা-পূর্বধলা, জেলা-নেত্রকোণাকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে কিশো্রগঞ্জ জেলার কটিয়াদি থানাধীন বাসস্ট্যান্ড সলংলগ্ন সুন্দরবন কুরিয়া সার্ভিস এর সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করতঃ তাহার হেফাজত হইতে যাওয়া একটি সুজুকী জিকসার মোটরসাইকেল, যাহার চেচিস নং-RMBL-ED11F 122500, যাহার ইঞ্জিন নং- BGA5 125861, সিসি নং-১৫৫, রং কালো, মূল্য অনুমান ৩,১১,০০০/-(তিন লক্ষ এগারো হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) সাঈদারা রিটা সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নিয়মিত চুরি মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামী ১। মোঃ আলমগীর (৩৩), পিতা-মৃত আলাউদ্দিন, মাতা-মনোয়ারা বেগম, ২। মোঃ আব্দুর রহিম (৩৫), পিতা-আব্বাস, মাতা-মর্জিনা, উভয় সাং-সেহড়া চামড়া গুদাম, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন রেলওয়ে স্টেশন এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) খলিলুর রহমান সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বিস্ফোরক মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামী মোঃ সালাহ উদ্দিন লাবলু (২৮), পিতা-মৃত জিল্লুর রহমান, মাতা- মৃত সুলেমা বেগম, সাং- আকুয়া উত্তরপাড়া, ভাঙ্গাপুল, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন আকুয়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) ওমর ফারুক রাজু সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নিয়মিত চুরি মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামী ১। মোঃ জাকারিয়া হোসেন (২৫), পিতা-মোঃ লিটন মিয়া, মাতা-জাহানারা বেগম, সাং-বয়ড়া শেষ মোড়, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বয়ড়া শেষ মোড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) অংকন সরকার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শম্ভুগঞ্জ চারকালীবাড়ী সাকিনস্থ টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে রাস্তার উপর হইতে আসামী ১। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪০), পিতা- মৃত ইদ্রিস আলী, মাতা- সখিনা খাতুন, ২। কামরুল হাসান (২২), পিতা- আব্দুল মান্নান, মাতা- কবিতা বেগম, উভয় সাং- সাগরদিঘী, থানা- ঘাটাইল, জেলা- টাঙ্গাইলদ্বয়কে ০১ (এক) লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদসহ গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) বিশ্বজিত দাস সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নিয়মিত মামলার আসামী ১। এসএম আবুল কালাম আজাদ (৫০), পিতা-মৃত হাসিম উদ্দিন সরকার, ২। মোছাঃ ছালমা আক্তার (৪০), পিতা- মৃত শামছুদ্দিন সরকার, উভয় সাং-বাজিতপুর সরকার বাড়ী, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহদ্বয়কে তাহাদের বসত বাড়ী এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই (নিঃ) কুমোদলাল দাস তাহার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নারী ও শিশু অপহরন মামলার আসামী মোঃ তোফাজ্জল হোসেন ওরফে মিজান মিয়া (১৯) পিতা-মৃত আছির উদ্দিন,মাতা-মোছাঃহাজেরা খাতুন,সাং-বাহেলা(শামছু মৌলভী বাড়ী),থানা-তারাকান্দা,জেলা-ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করতঃ অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধার পূর্বক তাহার পরিবারের নিকট বিধি মোতাবেক বুঝাইয়া দেওয়া হয়।

এসআই (নিঃ) খলিলুর রহমান তাহার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া আকুয়া দক্ষিনপাড়া এলাকা হইতে লুডু দ্বারা টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলারত অবস্থায় পাইয়া জুয়ারি ১। আসাদুল ইসলাম (৩৩), পিতা- মৃত নাজিম উদ্দিন, মাতা- ফিরোজা বেগম, সাং- তারাকান্দা তালদিঘির বাজার, থানা- তারাকান্দা, এ/পি- আকুয়া আলালের বাসার ভাড়াটিয়া, থানা- কোতোয়ালী, ২। মোঃ রমজান আলী (২৪), পিতা- মোঃ তুহিন মিয়া, মাতা- রুপা আক্তার, ৩। মোঃ শাহজাদা (৩৩), পিতা- মোঃ আলা উদ্দিন, মাতা- মোছাঃ শহর বানু, ৪। মোঃ আব্দুল মালেক (৪৫), পিতা- মোঃ নূর হোসেন, মাতা- মোছাঃ বেগম, সর্ব সাং- আকুয়া দক্ষিনপাড়া, থানা- কোতোয়ালী, সর্ব জেলা- ময়মনসিংহদের গ্রেফতার করা হয়।

 

এছাড়াও এসআই (নিঃ) মাসুদ জামালী, এএসআই (নিঃ) ওমর ফারুক রাজু দ্বয় সঙ্গীয় ফোর্সসহ গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত পলাতক আসামী ১। মোঃ রিয়াজ, পিতা- ফজলুল হক, সাং- কালীবাড়ী গুদারাঘাট, থানা- কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ, ২। মোঃ আকরাম হোসেন, পিতা-মোঃ মোফাজ্জল মিয়া, সাং-চর রাঘবপুর, পোঃ কাচারীবাজার, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহদ্বয়কে তাহাদের বসত বাড়ী এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

 

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।

বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) ফেনী জেলা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকালে ফেনী শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আনোয়ার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন – সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান ও মো. গাজিউল হক; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী নুরুল আলম নিলু ও মো. আতিকুর রহমান রোজেন; সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর হৃদয়; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নিমাই চন্দ্র মজুমদার; কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান পলাশ; সহ-কোষাধ্যক্ষ মহি উদ্দিন মিয়াজী সেজু; দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম তোতা; সহ-দপ্তর সম্পাদক ফখরুল ইসলাম জুয়েল।

এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার সম্পাদক হিসেবে আরাফাত হোসেন এবং ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মিলন নির্বাচিত হন।

নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, মোহাম্মদ শেখ কামাল, মো. ওবায়দুল হক, জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আফতাব হোসেন মমিন ভূঁইয়া ও আলাউদ্দিন সবুজ।

সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আমির হোসেন তানভীর, জিয়া উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, জাফর ইমাম রতন এবং জহিরুল ইসলাম খান।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

শিবলী সাদিক খান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪০ পিএম
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি পরিবারের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। একই দিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ময়মনসিংহ জেলা সার্কেলের যৌথ আয়োজনে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আজকের এই আয়োজন মানবিক হলেও এটি আনন্দের নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হলেও তাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলেও বাংলাদেশে এর হার উদ্বেগজনক। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও জনগণের সচেতনতার বিকল্প নেই। রাস্তা পারাপারে সতর্কতা অবলম্বন, ফুটপাত ও মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখা এবং সড়ক আইন মেনে চলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সড়ক আইন সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও সড়ক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। যানবাহন চালকদের ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হবে এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে করতে গাড়ি চালানো কিংবা রাস্তা পার হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধি, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রধান অতিথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী সরকারের ঘোষিত “পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি”-এর অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ জেলা লেডিস ক্লাব প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।